৫ কোটি টাকা ব্যায়ে হাসপাতাল নির্মাণ, দীর্ঘ এক যুগেও মেলেনি চিকিৎসা সেবা
সরকারি অর্থে নির্মিত হয়েছে আধুনিক দ্বিতল হাসপাতাল। রয়েছে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য পৃথক আবাসন, ১০ শয্যার ওয়ার্ড এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালটিতে শুরু হয়নি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা। চিকিৎসক নেই, নার্স নেই, নেই প্রয়োজনীয় জনবল কিংবা ওষুধ। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত যশোরের অভয়নগর উপজেলার সিংগাড়ী গ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালটি আজ কার্যত পরিত্যক্ত ভবনে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্মাণ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় মানুষ আশা করেছিলেন, ভৈরব নদের উত্তরাঞ্চলের শ্রীধরপুর, বাঘুটিয়া, শুভরাড়া ও সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের গর্ভবতী নারী, শিশু ও সাধারণ রোগীরা নিজ এলাকায় চিকিৎসাসেবা পাবেন। কিন্তু সেই আশা আজও বাস্তবে রূপ নেয়নি। বরং অবহেলা আর অযত্নে হাসপাতাল চত্বরে আগাছা জন্মেছে, ভবনের বিভিন্ন অংশ দিয়ে গরু-ছাগল অবাধে চলাচল করছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হাসপাতাল নির্মাণের জন্য সিংগাড়ী গ্রামের শেখ নাদের হোসেন, শেখ মুনতাজ হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক শেখ প্রায় এক একর জমি দান করেন। তৎকালীন বাজারমূল্যে জমিটির মূল্য ছিল প্রায় দুই কোটি টাকা। এরপর ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৬৮৫ টাকা ব্যয়ে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। খুলনার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু করে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে শেষ করে এবং মার্চ মাসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ভবনটি হস্তান্তর করে। কিন্তু ভবন হস্তান্তরের পর থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা হয়নি। ফলে কোটি টাকার এই স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পটি কেবল একটি পরিত্যক্ত ভবন হিসেবেই দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভৈরব নদবেষ্টিত চার ইউনিয়নের মানুষকে এখনো জরুরি চিকিৎসার জন্য নওয়াপাড়া বা যশোর শহরে ছুটতে হয়। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অনেক রোগী, বিশেষ করে প্রসূতি মা ও নবজাতক, ঝুঁকির মুখে পড়েন। জমিদাতা শেখ মুনতাজ হোসেনের ছেলে মোঃ আমজাদ শেখ বলেন, “২০১৭ সালে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছিলেন। এরপর আর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এত বড় সরকারি স্থাপনা বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা খুবই দুঃখজনক।” স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে হাসপাতালটিতে চিকিৎসক, নার্স ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হোক। অন্যথায় কোটি কোটি টাকার এই সরকারি সম্পদ আরও নষ্ট হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে, অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মা ও শিশু বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, “বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একজন এফডব্লিউভি প্রতিদিন সেখানে যান। রোগী এলে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশন দেওয়া হয়। তবে সেখানে কোনো ওষুধ নেই, চিকিৎসক বা অন্য কোনো স্টাফও নেই।”
এমএসএম / এমএসএম
সাভার প্রেসক্লাবের বৃক্ষ ও তাঁত মেলার উদ্বোধন
বালু উত্তোলনে অভিযান: মনপুরায় দুই ড্রেজার আটক, একটি পেল ছাড়
বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত
নন্দীগ্রামে উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
শালিখায় সিএনআরএস-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত
উলিপুরে ড্রাইভার হামিদুল হত্যার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বড়লেখায় আন্তর্জাতিক যুব দিবসে যুব সমাবেশ ও র্যালি
বাগেরহাটে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা প্রকল্পের সমাপনি সভা অনুষ্ঠিত
পটুয়াখালীতে নারিকেল বাগান প্রকল্পের উদ্বোধন
বাঘায় ১৫০ বোতল ইস্কাফ সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
গোদাগাড়ীতে অনিয়মের সত্যতা, সেবা ক্লিনিক সিলগালা
দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান
নবীনগরে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখম, মামলা
Link Copied