বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও গ্রাহকের নামে ২০ হাজার টাকার বিল, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে মিটার জালিয়াতির অভিযোগ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিদ্যুৎ সংযোগ না দিয়েই এক গ্রাহকের নামে প্রায় ২০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তার নামে মিটার বরাদ্দ দেখিয়ে সেটি তার বাড়িতে স্থাপন না করে অন্য ইউনিয়নের একটি ঠিকানায় ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর-ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মো. আনছার আলী, পিতা মৃত আছর উদ্দিন, মাতা মোছা. আছিয়া খাতুন, প্রায় দুই বছর আগে নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আবেদন করেন। আবেদন করার পর তার নামে একটি মিটার বরাদ্দ দেওয়া হয় বলে তিনি জানতে পারেন। তবে আনছার আলীর অভিযোগ, বরাদ্দকৃত মিটারটি তার বাড়িতে স্থাপন করা হয়নি এবং তার বাড়িতেও কোনো ধরনের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। অথচ তার নাম ব্যবহার করে অন্য বঙ্গসোনা হাট ইউনিয়নের বানুরকুটি গ্রামের ঠিকানা দেখিয়ে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর কাছে থাকা বিদ্যুৎ বিলের তথ্য অনুযায়ী, রিডিং বই নম্বর ও হিসাব নম্বর ৭৬২/১৯১১ দেখিয়ে তার নামে মোট ২০ হাজার ৫২ টাকা বিদ্যুৎ বিল প্রদান করা হয়েছে। বিলের ঠিকানা হিসেবে বঙ্গসোনা হাট ইউনিয়নের বানুরকুটি গ্রামের ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আনছার আলী বলেন, “আমার বাড়িতে এখন পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে কোনো মিটার স্থাপন করা হয়নি এবং বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। অথচ আমার নামেই অন্য জায়গার ঠিকানা ব্যবহার করে হাজার হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করি।”
তিনি আরও জানান, অফিসে যোগাযোগ করার পর তাকে নতুন করে মিটার নেওয়ার জন্য আবেদন করতে বলা হয়। পরে তিনি পুনরায় মিটারের জন্য আবেদন করেন। তবে তার নামে পূর্বে মিটার বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকলে সেটি কোথায় এবং কীভাবে অন্য ঠিকানায় ব্যবহার হচ্ছে—এ বিষয়ে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দাবি করেছেন। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের গ্রাহক ব্যবস্থাপনা ও মিটার বরাদ্দ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একজন গ্রাহকের নামে মিটার বরাদ্দ দেখিয়ে সেটি অন্য স্থানে ব্যবহৃত হয়ে থাকলে বিষয়টি কীভাবে ঘটল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে তিনি জানান। ভুক্তভোগী আনছার আলীর দাবি, তদন্তের মাধ্যমে তার নামে বরাদ্দকৃত মিটার কোথায় স্থাপন করা হয়েছে, কীভাবে অন্য ঠিকানায় তার নামে বিদ্যুৎ বিল তৈরি হলো এবং এর সঙ্গে কারও অনিয়ম বা জালিয়াতি জড়িত আছে কি না,তা দ্রুত নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রকৃত ঘটনা কীভাবে উঠে আসে এবং ভুক্তভোগীর নামে ইস্যু করা ২০ হাজার ৫২ টাকার বিলের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।
এমএসএম / এমএসএম
ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম
শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা
মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান
কেডিএর সেবা ও মাস্টার প্ল্যান নিয়ে অভয়নগরে মতবিনিময়
খাদ্যে ভেজাল, ভুয়া ‘ডা.’ পদবী ব্যবহার : চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানের জরিমানা
সিংড়ায় ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৪ জনকে জরিমানা
ধামরাইয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে গরমিল, বিপাকে শিক্ষার্থীরা
ত্রিশালে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
কর্ণফুলীতে খাল পুনঃখননের টাকা লোপাটের অভিযোগ
দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ আহ্বায়ক কমিটি বাতিল
পিরোজপুরে মাদকবিরোধী পদযাত্রা ও সচেতনতামূলক স্টিকারিং কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে
নাচোলে ডিএপি সার মজুদের অভিযোগ, ৫ হাজার টাকা জরিমানা নিয়ে কৃষকদের অসন্তোষ