দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার শহিদুলকে উৎকোচ না দিলে থেমে যায় স্টাফদের বেতন
দক্ষিণ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই হাসপাতালের স্টাফদের বেতন ভাতা বন্ধ রেখে নিজের কাছে জিম্মি করার মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে থাকা এই শহিদুল ইসলামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী কালিশাইশ ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায়, দূর দূরান্ত থেকে চাকুরী করতে আসা কর্মীদের থেকে 'আপ্যায়ন খরচ' নামে ঘুস আদায় করতে না পারলে বন্ধ হয়ে যায় ওই কর্মীর বেতন ভাতা।এবং বেতন ভাতা তো নয়ই ওই কর্মীর বয়সের হিসেবেও করে দেন মারাত্মক গড়ঁমিল।
এই শহিদুল ইসলামের দূর্নীতির ফিরিস্তি খুলে দেখা যায়, তার বিরুদ্ধে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের এমতাজুল ইসলাম নামে এক বাসিন্দা জনস্বার্থে সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে একটি দূর্নীতির অভিযোগও দেয়।
সেই অভিযোগে বলা হয় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সেজে- চাকুরীতে প্রবেশ এবং সাবেক স্বৈরাচার সরকারের প্রবল ক্ষমতাবান ক্যাশিয়ার শহিদুল ইসলামের নানা অপকর্মের তথ্য।
ফলে অভিযোগটি আমলে নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন গত ৩০/০৭/২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনকে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করে তদন্ত রিপোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছিল।
এদিকে তারই সূত্র ধরে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মো: জাহাঙ্গীর আলম সাক্ষরিত একটি পত্রে ১১/৮/২০২৬ তারিখে ডেপুটি ডিভিল সার্জন ডা:সৌনম বড়ুয়াকে প্রধান করে ৩জন বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
তদন্ত কমিটি গঠন করার ২দিন পর উল্টো পুরস্কার হিসেবে শহিদুল ইসলামকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলী করা হয়।
এদিকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী নুরুল ইসলামের হাতেই হচ্ছে ঘুড়ির মূল নাটাই। তার ইশারায় চলছে শহিদুল ইসলামের মতো দূর্নীতিবাজরা।
কোন কারণে শহিদুল ইসলামদের মতো দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোন কর্মী মুখ খুললেই তাকে বদলীর ভয় দেখানো হয়।
এদিকে অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি থেকে একাধিক বার ঘুস নেয়ার পরও ঘুসের পরিমাণ পর্যাপ্ত না হওয়ায় ওই স্টাফের বেতন ৫মাস বন্ধ রেখেছিল এই অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার শহিদুল ইসলাম।
পরে কোন রকম বড় ধরনের ক্ষতি করতে না পেরে সিরাজুল ইসলামের বয়সের ডকুমেন্টসে করে দেয় গড়মিল।
সিরাজুল ইসলামের বয়সের আইডি কার্ড চাকুরীর রেজুলেশন ও সার্ভিস বুকে বয়সের জন্মসাল লেখা আছে ২৩শে এপ্রিল ১৯৬৮ইং।কিন্তু এই শহিদুল ইসলাম স্টাফ সিরাজুল ইসলামের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে সেটা করে দেন ২৩শে এপ্রিল ১৯৬৯ ইং যাহার একাধিক ঘঁষামাজার ডকুমেন্টস এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
পাহাড়সম অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার শহিদুল ইসলাম বলেন,আমার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে সেটা সঠিক এবং আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সঠিক নয় তবুও আমার বিষয় গুলি সম্পর্কে আমার কর্তৃপক্ষ ভালো জানবে আপনি সিভিল সার্জন কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন।
এদিকে সিভিল সার্জন মো: জাহাঙ্গীর আলমকে কল করা হলেও ফোনে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এমএসএম / এমএসএম
বকেয়া বেতন নয়, কারখানা বিক্রির কথা শুনে সড়কে শ্রমিকেরা
যশোরে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র চালুর দাবি
বাগেরহাটে পোষ্য প্রানী প্রদর্শনী-২০২৬ উযযাপন
টাঙ্গাইলের ভাসানী হল এখন অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ডে পরিনত : থমকে গেছে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড
শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি মুকসুদপুর এসজে মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ
দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার শহিদুলকে উৎকোচ না দিলে থেমে যায় স্টাফদের বেতন
রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগকবলিত ১৪ শত পরিবারকে জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা
রায়গঞ্জে ১০০ কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর জব্দ, ধ্বংস
ভূঞাপুরে দুই নবজাতকের মৃত্যু: তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে হাত-পা ভাঙার হুমকি
নলুয়াতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা উদ্বোধন
পেকুয়ায় শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প
ইত্তেফাকুল উলামা ত্রিশালের আংশিক কমিটি ঘোষণা