ঢাকা মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বৈরী আবহাওয়ার কারনে ঘাটে অলস সময় কাটাচ্ছে মহেশখালীর জেলেরা, চোখে মুখে অনিশ্চয়তার চাপ


মহেশখালী প্রতিনিধি photo মহেশখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৯-২০২৬ দুপুর ৪:৪৮

বৈরী আবহাওয়ার কারনে সাগর থেকে বারবার ঘাটে ফিরতে হচ্ছে মাছ ধরার ট্রলার গুলোকে।যার কারনে  প্রতিটি ট্রিপেই লোকসান গুনতে হচ্ছে লাখ লাখ টাকা।এতে ঋণের বোঝায় দিশেহারা ট্রলার মালিক ও জেলেরা। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে বাড়ছে তাদের জীবিকার অনিশ্চয়তা।

ট্রলারে তেল, বরফ, খাবার ও জাল নিয়ে সাগরে মাছ ধরার প্রস্তুতি জেলেদের। একেকটি ট্রলার সাগরে পাঠাতেই খরচ হয় কয়েক লাখ টাকা। তবে যাত্রার পরপরই তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি হলে মাছ ধরার আগেই ঘাটে ফিরতে হচ্ছে তাদের। বারবার এমন ঘটনায় ঘাটে নোঙর করে পড়ে থাকছে  ট্রলার গুলো।

কুতুবজোম ঘটিভাংগা ঘাটের জেলেরা বলেন, ধার দেনা করে ৪- ৫ লাখ টাকার বাজার করে সাগরে যাত্রা করে মাত্র ৫০ হাজার ৭০ হাজার টাকা করে মাছ বিক্রি করেছি,যার কারনে অনেক টাকা লোকসানে পড়ে যাচ্ছে মালিকেরা।অনেক খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিন কাটাচ্ছি।

মহেশখালীর তাজিয়াকাটা ঘাটের জেলে সোনা মিয়া বলেন,আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় সাগর থেকে ঘাটের ফিরেছি অনেক আগেই।আয় রোজগার না থাকায় সংসারের খরচ পারছিনা। তার মধ্য ছেলে মেয়েদের পড়া লেখার খরচ সব মিলিয়ে অনিশ্চিয়তার মধ্য দিন পার করছি।

তাজিয়াকাটা ঘাটের জয়নাল মাঝি বলেন,বাজারের প্রত্যেকটি জিনিসপত্রের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একবার সাগরে যেতে ৫-৬ লাখ টাকা গুনতে হচ্ছে,খারাপ আবহাওয়ার কারনে সাগর থেকে বেশ কয়েক ট্রিপ লোকসান দিয়ে ঘাটে ফিরেছি।এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময় ট্রলার বিক্রি করে ফেলার কথা ভাবছে মালিকরা। যার কারনে অনেক জেলে পেশা হারানো ভয়ে আছে।

ট্রলার মালিক শাহজাহান বলেন,প্রায় ১ কোটি টাকা খরচ করে ট্রলারটি নির্মাণ করেছি।বারবার সাগরে যায় আবহাওয়ার কারনে মাছ না পেয়ে সাগর থেকে ফিরে আসে।অনেক টাকা লোকসানে আছি।ট্রলার তৈরি করার সময় অনেক টাকা ঋণ নিয়েছি তার মধ্য লোকসান এভাবে চলতে থাকলে ট্রলারটি বিক্রি করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবেনা।

কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করে ট্রলার সাগরে পাঠিয়ে মাছ নিয়ে ফিরলেও সেই মাছ বিক্রি করে পাচ্ছে মাত্র ২০-৩০ হাজার টাকা।’

বৈরী আবহাওয়ার পাশাপাশি মাছের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখা জরুরি বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ। কক্সবাজার মৎস্য অধিদফতরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, ‘যারা মাছ আহরণে যান এবং যারা চিংড়ি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত, তাদের এরই মধ্যে ইনস্যুরেন্সের আওতায় আনার চেষ্টা করছে সরকার। এ বিষয়ে আমরা এরই মধ্যে তথ্য পাঠিয়েছি।’

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, জুলাই ও আগস্টে মোট ছয়বার তিন নম্বর সতর্ক সংকেত জারি হয়েছে। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘যখনই সিগন্যাল শুনবেন, দ্রুত উপকূলের কাছাকাছি চলে আসতে হবে এবং সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে।’

মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ব্যবসায়ী ঐক্য সমবায় সমিতির দাবি, গত দুই মাসে প্রায় ৩ হাজার ট্রলারে লোকসান হয়েছে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

এমএসএম / এমএসএম

রৌমারীতে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী পালিত

সিংড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাগেরহাটে এলজিইডি’র প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশ টেন্ডার হওয়া ব্রিজ না করে ৫০ লাখ টাকা উত্তোলন

মুকসুদপুরে আওয়ামীলীগ নেতা খোকন বালার পদত্যাগ

ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

রাণীনগরে উৎসবমুখর পরিবেশে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বরিশালে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

সাতক্ষীরায় ডোবা থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার

উলিপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বৈরী আবহাওয়ার কারনে ঘাটে অলস সময় কাটাচ্ছে মহেশখালীর জেলেরা, চোখে মুখে অনিশ্চয়তার চাপ

ঘিওরে বিএনপির বর্ণাঢ্য প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

তিস্তার ভাঙ্গনে হুমকিতে বুড়িরহাট ক্রসবাঁধের সড়ক

পেঙ্গুইন-অ্যালবাট্রসে মুগ্ধ, ফকল্যান্ড সফরকে ‘স্বপ্নের মতো’ বললেন সালাহ উদ্দিন সুমন