ঢাকা শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৫ হাজার কেফুক্লেভের হিসাব নেই


মতিন গাজী, যশোর photo মতিন গাজী, যশোর
প্রকাশিত: ৪-৯-২০২৬ দুপুর ১১:৪৯

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সরকারি সরবরাহের পাঁচ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের হিসাব নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। হাসপাতালের মেডিসিন স্টোর থেকে ওষুধগুলো উত্তোলনের তথ্য থাকলেও ফার্মেসির নথিতে এর যথাযথ জমা ও বিতরণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারমূল্য হিসেবে ওষুধগুলোর দাম প্রায় তিন লাখ টাকা। ফলে স্টোর থেকে উত্তোলনের পর বিপুল পরিমাণ এই ওষুধ কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৭ জুন ফার্মেসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেডিসিন স্টোর থেকে পাঁচ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গ্রহণ করেন। এ বিষয়ে স্টোরের রেজিস্টারে প্রয়োজনীয় এন্ট্রি ও স্বাক্ষর রয়েছে। তবে ফার্মেসিতে ওষুধ জমা হওয়ার পর তার মজুত ও রোগীদের মধ্যে বিতরণের যে হিসাব থাকার কথা, সেখানে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি হাসপাতালের ওষুধ ব্যবস্থাপনায় স্টোর থেকে শুরু করে রোগীর কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের হিসাব সংরক্ষণের নিয়ম রয়েছে। কোনো ওষুধ স্টোর থেকে উত্তোলন করা হলে তা ফার্মেসির মজুত রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। পরে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী বিতরণ করা হলে তারও হিসাব রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু কেফুক্লেভের ক্ষেত্রে এই হিসাবের ধারাবাহিকতায় ঘাটতি থাকায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কেফুক্লেভ একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। সরকারি হাসপাতালের রোগীদের বিনামূল্যে দেওয়ার জন্য সরবরাহ করা প্রয়োজনীয় এই ওষুধের হিসাব নিয়ে এমন অসঙ্গতি দেখা দেওয়ায় হাসপাতালের ওষুধ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধ না পাওয়ায় তাদের বাইরে থেকে কিনতে হয়। সরকারি সরবরাহের ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও রোগীরা তা না পেলে এর কারণ খুঁজে বের করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা। এদিকে কেফুক্লেভের হিসাবের বিষয়টি সামনে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্টোর ও ফার্মেসির নথিপত্র যাচাই করছে। ওষুধ উত্তোলন, মজুত ও বিতরণের তথ্য মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মো: হুসাইন শাফায়াত বলেন, কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের হিসাবের বিষয়ে তারা অবগত হয়েছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রেজিস্টার ও নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা বের করার চেষ্টা চলছে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে ফার্মেসির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। সরকারি হাসপাতালের ওষুধ রোগীদের চিকিৎসার জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থে কেনা হয়। তাই স্টোর থেকে উত্তোলন করা পাঁচ হাজার পিস কেফুক্লেভের সঠিক হিসাব না থাকা নিছক দাপ্তরিক ত্রুটি, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে-তা এখন তদন্তেই স্পষ্ট হবে। হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ এবং অনিয়ম হয়ে থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

মনপুরায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি

ঘোড়াঘাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ট্রান্সফরমার চুরি তীব্র গরমে শতাধিক শিশু

যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৫ হাজার কেফুক্লেভের হিসাব নেই

প্রতিমন্ত্রী অমিতের বাড়িতে বোমা হামলা ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত শয়ন আটক

মধুখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও মাসুদুর রহমানের মতবিনিময়

বলদিয়া ইউনিয়নে মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে র‍্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে

পুলিশের অভিযানে হামলা, গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালাল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বগা

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর, অসহায়ের পাশে মানবিক, দীঘিনালার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী; পেয়েছেন জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা

২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, কাস্টমসের সংবাদ সম্মেলন

জমির নামজারি সংক্রান্ত বিষয় প্রশ্ন করায় সাংবাদিক সাজুর বাড়িতে এসিল্যান্ডের ‘মাদক বিরোধী’ অভিযান

শরণখোলায় প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আলফাডাঙ্গায় দুই মাদক কারবারিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

টঙ্গীতে মাদক বিরোধের জেরে নুরুল ইসলাম হত্যা: প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৪