ঢাকা রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আইডিইবির নেতৃত্বে অচলাবস্থা

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠনে ‘বাইরের প্রভাবের’ অভিযোগ


জাহিদুল আলম photo জাহিদুল আলম
প্রকাশিত: ৫-৯-২০২৬ রাত ১১:২২

দেশের বিপুলসংখ্যক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের প্রতিনিধিত্বকারী পেশাজীবী সংগঠন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ—আইডিইবির সাংগঠনিক কাঠামো ও নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে নতুন করে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ, মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ জারি ও পরবর্তীতে তা বাতিল এবং নতুন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় কারা ভূমিকা রাখছেন—এসব বিষয় নিয়ে সংগঠনটির একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ ও ক্ষোভ।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অভিযোগ, তাঁদের নিজস্ব সংগঠনের নেতৃত্ব পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় অন্য পেশাজীবী গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হলে আইডিইবির সাংগঠনিক স্বাতন্ত্র্য ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্ব প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এ অবস্থায় তাঁরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় দ্রুত নেতৃত্ব পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও যাঁদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তাঁদের বক্তব্যও প্রকাশ করা জরুরি। কারণ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সরকারি নথি, কমিটির গঠনতন্ত্র এবং সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যই হবে মূল ভিত্তি।
তিন দিনের ব্যবধানে আদেশ জারি-বাতিল
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন ২০২৬ আইডিইবির অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদিত মেয়াদ শেষ হয়। এরপর সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে কমিটির মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি আদেশ জারি করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
কিন্তু অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ওই আদেশ জারির মাত্র তিন দিনের মধ্যে তা বাতিল করা হয়। কেন মেয়াদ বাড়ানো হলো এবং কেন এত অল্প সময়ের মধ্যে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলো—এ প্রশ্নের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশ।
তাঁদের প্রশ্ন, একটি জাতীয় পর্যায়ের পেশাজীবী সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে এমন দ্রুত পরিবর্তনের পেছনে কী কারণ ছিল? সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নিবন্ধন এবং সাংগঠনিক অবস্থান কীভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল?
নথিই দিতে পারে উত্তর
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে হলে প্রথমে প্রয়োজন—১,/ ৩০ জুনের পর কমিটির আইনগত অবস্থান কী ছিল?
২. / মেয়াদ বাড়ানোর আদেশের ভিত্তি কী?
৩./  আদেশটি কে বা কোন কর্তৃপক্ষ জারি করেছিল?
৪./ তিন দিনের মধ্যে বাতিলের কারণ কী?
৫./ বাতিলের পর আইডিইবির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার বৈধ ভিত্তি কী?
এসব প্রশ্নের উত্তর সরকারি নথিতে স্পষ্ট হলে বর্তমান সংকটের প্রকৃত চিত্রও পরিষ্কার হবে।
নেতৃত্ব পুনর্গঠনেই মূল প্রশ্ন
আইডিইবির বর্তমান সংকটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নেতাদের অভিযোগ, কমিটি গঠন বা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পেশাগত পরিচয় ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ার এবং ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারদের একটি পেশাজীবী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। এ কারণে আইডিইবির নেতৃত্ব নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।
তবে এটি অভিযোগমাত্র। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত পরিচয়, বর্তমান সাংগঠনিক পদ এবং আইডিইবির কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব—সবকিছু নথির ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।
‘ডিগ্রি বনাম ডিপ্লোমা’ নয়, প্রশ্ন সাংগঠনিক স্বাধীনতার
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের নেতাদের বক্তব্য, বিষয়টিকে ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের বিরোধ হিসেবে দেখলে মূল সংকটটি আড়ালে পড়ে যাবে।
তাঁদের মতে, দেশের উন্নয়ন ও প্রকৌশল কর্মকাণ্ডে ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ার ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার—উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু যে সংগঠনটি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিনিধিত্ব করে, তার নেতৃত্ব নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রত্যক্ষ মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়াই স্বাভাবিক সাংগঠনিক নীতি।
তাঁদের প্রশ্ন—আইডিইবির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্ধারণে যদি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তাহলে সংগঠনটির প্রতিনিধিত্বের বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা কোথায় দাঁড়াবে?
৮ লক্ষাধিক সদস্যের সংগঠন, নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা
সংশ্লিষ্টদের দাবি, আইডিইবি দেশের ৮ লক্ষাধিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের পেশাগত স্বার্থের সঙ্গে সম্পৃক্ত। শিক্ষা, পদোন্নতি, পদবিন্যাস, পেশাগত মর্যাদা, কর্মক্ষেত্র ও ন্যায্য অংশীদারিত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংগঠনটির ভূমিকা রয়েছে।
ফলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা তৈরি হলে সেটি শুধু একটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হয়ে থাকবে না—এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যেও।
বিশেষ করে নেতৃত্বের বৈধতা ও প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে সদস্যদের মধ্যে বিভক্তি, অনাস্থা ও সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রশ্নবিদ্ধ কয়েকটি বিষয়
১./ কমিটির মেয়াদ:
৩০ জুন ২০২৬-এর পর অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সাংগঠনিক অবস্থান কী ছিল?
২./ মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত:
ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রশাসনিক ও আইনগত ভিত্তি কী?
৩. / আদেশ বাতিল:
মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে কেন সেই আদেশ বাতিল করা হলো?
৪. /নেতৃত্ব পুনর্গঠন:
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় কারা দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাঁদের দায়িত্বের আইনগত ভিত্তি কী?
৫./ স্বার্থের সংঘাত:
কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি অন্য পেশাজীবী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকলে তা সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলছে কি না—এ বিষয়ে কোনো স্বচ্ছতা বা যাচাই প্রক্রিয়া আছে কি?
৬./ সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব:
নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে? 
৭. /গঠনতন্ত্র:
আইডিইবির গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠন ও অন্তর্বর্তী কমিটি পরিচালনার বিষয়ে কী বলা আছে?
আন্দোলনের আশঙ্কা, নাকি সাংগঠনিক চাপ?
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশের মধ্যে আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে বিষয়টি সাংগঠনিক বিরোধের বাইরে গিয়ে আন্দোলনে রূপ নিতে পারে।
তাঁদের মতে, পেশাগত অধিকার, পদোন্নতি, পদবিন্যাস ও মর্যাদা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও অসন্তোষ রয়েছে। এর সঙ্গে সাংগঠনিক নেতৃত্ব নিয়ে অনাস্থা যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
তবে আন্দোলনের আশঙ্কা কতটা বাস্তব এবং কতসংখ্যক সদস্য এ ধরনের কর্মসূচিতে যুক্ত হতে পারেন—তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক প্রভাবের আশঙ্কা
সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা মনে করছেন, আইডিইবির সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর রাজনৈতিক প্রভাবও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কোনো বৃহৎ পেশাজীবী গোষ্ঠীর মধ্যে সরকারের প্রতি অসন্তোষ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে।
তবে এ ধরনের রাজনৈতিক আশঙ্কারও বাস্তব ভিত্তি নিরূপণে সংগঠনের সদস্যদের মতামত, আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য প্রয়োজন।
তাই সংকটকে রাজনৈতিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার আগেই প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক পর্যায়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মাঠে থাকার চেষ্টা করছেন কয়েকজন নেতা
সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখার চেষ্টা করছেন প্রকৌশলী মোঃ কবীর হোসেনসহ কয়েকজন নেতা।
তাঁদের দাবি, সাংগঠনিক শূন্যতা বা অনিশ্চয়তার কারণে যাতে আইডিইবির নিয়মিত কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ না হয়ে যায়, সে জন্য তাঁরা সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে—এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের সাংগঠনিক ও আইনগত কর্তৃত্বের ভিত্তি কী? এ বিষয়েও আইডিইবির গঠনতন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি
সংশ্লিষ্ট নেতারা কয়েকটি বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেছেন—
● আইডিইবির সাংগঠনিক অবস্থান স্পষ্ট করা
● কমিটির মেয়াদ ও বাতিলের সিদ্ধান্তের নথি প্রকাশ করা
● নেতৃত্ব পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
● ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
● সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত থাকলে তা যাচাই করা
● গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা
● সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি
বর্তমান পরিস্থিতিতে আইডিইবির সাংগঠনিক সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নেতারা।
তাঁদের প্রত্যাশা, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের উদ্যোগে এমন একটি সমাধান বের হবে, যাতে আইডিইবির সাংগঠনিক স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন থাকে এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।
তাঁরা বলছেন, সংকটের সমাধান হতে হবে এমনভাবে, যাতে কোনো পেশাজীবী গোষ্ঠীকে প্রতিপক্ষ বানানো না হয় এবং ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে বিভাজনও তৈরি না হয়।
তথ্যবক্স
আইডিইবি সংকট: যেসব প্রশ্নের উত্তর জরুরি
সংগঠন: ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)
মূল প্রশ্ন: কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পুনর্গঠন
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ: সমাজসেবা অধিদপ্তর
দাবিকৃত সদস্যসংখ্যা: ৮ লক্ষাধিক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ: ৩০ জুন ২০২৬—অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার দাবি
বিতর্কিত বিষয়: মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ ও পরবর্তী বাতিল
অভিযোগ: নেতৃত্ব পুনর্গঠনে সম্ভাব্য বাইরের প্রভাব
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি: স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব নির্বাচন
চূড়ান্ত প্রত্যাশা: সাংগঠনিক অচলাবস্থার দ্রুত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৭ প্রশ্ন

১./ ৩০ জুন ২০২৬-এর পর আইডিইবির অন্তর্বর্তী কমিটির আইনগত অবস্থান কী ছিল?

২. /ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ কেন দেওয়া হয়েছিল?

৩. /মাত্র তিন দিনের মধ্যে ওই আদেশ বাতিলের কারণ কী?

৪./ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় কারা দায়িত্বপ্রাপ্ত?

৫./ দায়িত্বপ্রাপ্তদের কারও সঙ্গে অন্য পেশাজীবী সংগঠনের সম্পৃক্ততা থাকলে তা যাচাই করা হয়েছে কি?

৬. /নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে?

৭. /পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারি নথি ও সিদ্ধান্তগুলো প্রকাশ করা হবে কি?
আইডিইবির বর্তমান পরিস্থিতির সমাধান কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবী গোষ্ঠীকে জয়ী বা পরাজিত করার বিষয় নয়। মূল প্রশ্ন হলো—একটি বৃহৎ পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্ব কতটা বৈধ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও সদস্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য।
ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা—উভয় প্রকৌশলীই দেশের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই বিভাজন নয়; প্রয়োজন দায়িত্ব, প্রতিনিধিত্ব ও সাংগঠনিক অধিকারের সুস্পষ্ট সীমারেখা।
আইডিইবির নেতৃত্ব নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠেছে, সেগুলোর উত্তর শেষ পর্যন্ত দিতে হবে নথি, গঠনতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

এমএসএম / এমএসএম

লুঙ্গির কোচের টাকাই কাল হলো ইসমাইলের, গ্রেপ্তার ৩

তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসায় আন্তঃশ্রেণি বাংলা বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত

বাড্ডার ফার্নিচার কারখানার আগুন ১ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংগঠনে ‘বাইরের প্রভাবের’ অভিযোগ

ব্রাইট মাইন্ড একাডেমির এডমিন মিফতাহুল ফেরদাউস বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পি টিউন স্টুডিওর স্বত্বাধিকারী পরাগ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার, মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইতে

শনির আখড়ায় দোকান মালিককে গুলি, আটক ১

ঢাকায় প্রায় ৩ হাজার পীর-মাশায়েখের সম্মেলন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও ফের শোন-অ্যারেস্ট শাহেদ

বিমানে ১৪ কেজি স্বর্ণ, আটক মেকানিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নতুন পরিচালককে ফুলেল শুভেচ্ছা

তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস: ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব ডা. ফরহাদ হাসানের স্মৃতিচারণ