ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

এবার হুথিদের কবল থেকে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত ইয়েমেনের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২৬ দুপুর ১২:৫৫

টানা বেশ কিছু দিন ধরে সংঘাতের পর এবার হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কবল থেকে রাজধানী সানাকে পুনরুদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। গত কাল সোমবার ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি এ ঘোষণা দিয়েছেন।

ইয়েমেনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল ইয়েমেন টিভিতে সোমবার ভাষণ দিয়েছেন মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি। সেই ভাষণে তিনি বলেছেন, “সানা পুনরুদ্ধার করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সামনে অনেক চমক আছে; এখনই আমরা সেসব প্রকাশ করছি না।”

একই দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় একই তথ্য জানিয়েছেন ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মাজিদ আল নুজাইলি-ও। এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, “আজ আমরা ঘোষণা করছি যে, আমাদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন—সন্ত্রাসী হুথি বিদ্রোহীদের কবল থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা এবং সানাকে সকল ইয়েমেনবাসীর রাজধানী হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”

সরকারের এই লক্ষ্য পূরণে দেশের সকল শ্রেণীর নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে নুজাইলি আরও বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে, সকল ইয়েমেনবাসীই ভবিষ্যতের অংশীদার এবং এখানে প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই, কিংবা একই জাতির নাগরিকদের মধ্যে কোনো বৈষম্যেরও স্থান নেই।”

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তারপর মাত্র এক বছরের মধ্যে  ২০১৫ সালে ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হুথি রাজধানী সানা দখল করে। হুথিরা রাজধানী দখলের পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান। তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসাতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেন-সৌদি সেনাবাহিনী।

বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। ইয়েমেনের সেনাবাহিনী প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের অনুগত। কয়েক বছর আগে সেই প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে।

প্রায় ৮ বছর যুদ্ধের পর ২০২২ সাল থেকে হুথি এবং প্রেসিডেন্সিয়াল সরকার একপ্রকার অঘোষিত যুদ্ধবিরতির মধ্যে ছিল। ২০২৩ সালের শেষের দিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হুথিরা আঞ্চলিক সংঘাতে ক্রমবর্ধমানভাবে জড়িয়ে পড়তে থাকে এবং ইসরায়েল ও লোহিত সাগরে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে বর্তমানে ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকার আগের মতো হুথিদের সহায়তা-সমর্থন দিতে পারছে না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হুথিদের দখকৃত এলাকাগুলো ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে গত জুলাই থেকে নতুন উদ্যমে অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

এমএসএম / এমএসএম

বিশ্বের অর্ধেকের বেশি বরফ গলার জন্য দায়ী মাত্র ৩ শতাংশ হিমবাহ

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার

হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

ইরানে আজ হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

ইউক্রেনের ওলেশকি শহরে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া

১৯৬৭’র পর ‘সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযানের’ প্রস্তুতি ইসরায়েলের

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত

সৌদি আরবে নিহতরা যেসব দেশের নাগরিক

এবার সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ১

প্রতিরক্ষা ছাড়িয়েও ভারতের বিনিয়োগ চায় পোল্যান্ড

সৌদি আরবের কিং ফাহদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১, আহত ৮

বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে সেনাসদস্য মোতায়েনের ঘোষণা ফ্রান্সের