ঢাকা মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদকের স্বর্গরাজ্য ডিআইইউ'র হল, শিক্ষকের জড়িত থাকার অভিযোগ


কাজী মুহাম্মদ মাহিম, ডিআইইউ photo কাজী মুহাম্মদ মাহিম, ডিআইইউ
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২৬ দুপুর ৪:৩

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ৩ নম্বর হলকে কেন্দ্র করে মাদক চোরাচালান ও স্থানীয় পর্যায়ে মাদক সরবরাহের একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে অন্তত তিন শিক্ষার্থী ও একজন শিক্ষক জড়িত থাকার অভিযোগ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ’।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে দেওয়া এক লিখিত আবেদনে এসব অভিযোগ করা হয়। আবেদনে অভিযোগের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, ৩ নম্বর হলের অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী সরাসরি মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত একটি সিন্ডিকেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা স্থানীয় পর্যায়ে মাদক সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরেও মাদক ছড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

‘সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ’ বলছে, আবাসিক হলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির মেশিন, ইয়াবা, গাঁজা ও আইস উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।

আবেদনে আরও দাবি করা হয়, অভিযুক্তদের অন্তত একজন নিষিদ্ধ একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত।

এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চলমান মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন শিক্ষার্থী সমাজ’। একই সঙ্গে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ হিসেবে বজায় রাখতে অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থী মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্যই কঠোরতম সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপনারাও এ বিষয়ে কাজ করেন। মাদক নিয়ে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর বিষয়ে তথ্য পেলে আমাদের জানালে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

এমএসএম / এমএসএম

বাঙলা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

পাবিপ্রবি ছাত্রদলের ফের স্মারকলিপি, চার দফা দাবিতে দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান

মাদকের স্বর্গরাজ্য ডিআইইউ'র হল, শিক্ষকের জড়িত থাকার অভিযোগ

শেকৃবিতে ৯৮ জন শিক্ষার্থীদের সার্জিক্যাল ও অবস্টেট্রিক্যাল বক্স বিতরণ

বাকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সরদার

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত

ডিআইইউ রংপুর বিভাগীয় ছাত্র সংগঠনের 'চড়ুই ভাতি' অনুষ্ঠিত

ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুরুতর আহত ১, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার

ফিটনেসের মেয়াদ শেষ, তবু চলছে কুবির ২৩ গাড়ি

মাদক ও নৈতিকতাহীনতা থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনতে হবে

নিরাপদ বালাইনাশক ব্যবহারে বাকৃবির মাঠ কার্যক্রমে ৬৪০ কৃষক

বাকৃবি লিও ক্লাবের সভাপতি আসিফ, সম্পাদক জুনায়েদ

পবিপ্রবি শিক্ষকদের হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতা, ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে প্রশাসন