ঢাকা শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আমেরিকার ২৫ বছরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৪৫ লাখ মানুষ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক  photo আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১-৯-২০২৬ বিকাল ৬:২

সময়টা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। সকাল ৮টা ৪৬ মিনিট। প্রতিদিনের মতোই ব্যস্ত নিউইয়র্ক শহর। সড়কে অফিসগামী মানুষের ঢল, রাস্তায় গাড়ির জট। এর মধ্যেই ভয়াবহ এক হামলার শিকার হয় যুক্তরাষ্ট্র।

আল-কায়েদার ১৯ জন হাইজ্যাকার চারটি বাণিজ্যিক বিমান ছিনতাই করে। এর মধ্যে দুটি বিমান আছড়ে পড়ে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে। আরেকটি আঘাত হানে পেন্টাগনে। চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়। ওই হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।

সেই ভয়াল সকালের ২৫ বছর পেরিয়ে গেছে।

৯/১১-এর পর গুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ধারাবাহিক সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ। এসব যুদ্ধ এক প্রজন্মের জন্য ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তানীতিকে আমূল বদলে দেয়। আফগানিস্তান থেকে ইরাক, পরে পাকিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া ও লিবিয়াসহ বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক অভিযান, বিমান হামলা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের প্রোভিডেন্স শহরে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাবে, ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রাণহানির সংখ্যা কয়েক মিলিয়নে পৌঁছেছে। ২০০৩ সালে ইরাক আগ্রাসনের সময় দেশটির এক শিক্ষার্থী ওমর আলজাজিরাকে বলেছিলেন, ‘সবকিছু বদলে গিয়েছিল।’

স্মৃতিচারণ করে তিনি দাবি করেন, ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে, এমন দাবিকে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান অজুহাত হিসেবে সামনে আনা হয়েছিল। পরে ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মজুতের সেই দাবি সত্য প্রমাণিত হয়নি।

নিউইয়র্কে ৯/১১-এর ঘটনার মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্য দিয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ভাষায় ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’-এর সূচনা হয়। এরপর শুরু হয় একের পর এক সামরিক অভিযান ও যুদ্ধ। আফগানিস্তান ও ইরাক ছাড়িয়ে এসব অভিযান মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও বিস্তৃত হয়।

ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের হিসাব অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অন্তত ৪৫ থেকে ৪৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ সহিংসতায় মারা গেছেন ৯ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ। আর যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট রোগ, অপুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ধ্বংসসহ নানা পরোক্ষ কারণে মারা গেছেন আনুমানিক ৩৬ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ।

আফগানিস্তানে নিহত প্রায় ২ লাখ মানুষ

২০০১ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তানে ‘অপারেশ এনডিউরিং ফ্রিডম’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। এর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তালেবান সরকারের পতন ঘটে। প্রায় ২০ বছর ধরে চারজান মার্কিন প্রেসিডেন্টের শাসনামলজুড়ে এই সংঘাত চলতে থাকে। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ।

‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আফগানিস্তান যুদ্ধে সরাসরি সহিংসতার কারণে আনুমানিক ১ লাখ ৭৬ হাজার মানুষ নিহত হন। এর বাইরে ক্ষুধা, রোগব্যাধি ও চিকিৎসাসেবার অভাবে আরও বহু মানুষের মৃত্যু হয়। যুদ্ধের আগে আফগানিস্তানের ৬২ শতাংশ মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। যুদ্ধের পর এই হার বেড়ে দাঁড়ায় ৯২ শতাংশে। এ ছাড়া অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ও ল্যান্ডমাইন এখনো সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ও পঙ্গুত্বের কারণ হয়ে আছে।

২০২১ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার শুরু করার পর তালেবান আবারও দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেয়।

ইরাকে ঝরেছে সোয়া ৩ লাখের প্রাণ

আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরুর দুই বছরেরও কম সময় পরে, অর্থাৎ ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ ইরাকে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। যখন ইরাক যুদ্ধ শুরু হয় তখন ওমরের বয়স মাত্র ১৮ বছর। তিনি আলজাজিরাকে বলেন, ‘আমাদের বোমার শব্দ স্পষ্ট মনে আছে’ আমরা তখন খুব ভয় পেয়েছিলাম।’

ওমর স্মরণ করেন, যুদ্ধ যখন বাগদাদে পৌঁছায়, তখন পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে বলে সতর্ক করা হয়েছিল। সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই তার কয়েকজন বন্ধু কী ঘটছে, তা দেখতে বাইরে গিয়েছিলেন। ওমর বলেন, ‘আমি তাদের বলেছিলাম, তোমরা কেন যাচ্ছ? এরপর তারা গেল। কিন্তু আর ফিরে আসেনি। তাদের কথা মনে হলে খুব দুঃখ হয়।’

বিমান ও ড্রোন যুদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্র স্থলযুদ্ধের পাশাপাশি পাকিস্তান, ইয়েমেন, সোমালিয়া ও আফগানিস্তানে এবং ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএল-বিরোধী (ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত) অভিযানে মূলত অঘোষিত বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ব্যুরোর নথি অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে পাকিস্তানে ৪২৩টি মার্কিন হামলায় আনুমানিক ২ হাজার ৪৯৯ থেকে ৪ হাজার ১ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪২৪ থেকে ৯৬৬ জন ছিলেন বেসামরিক নাগরিক।

ইয়েমেনে অন্তত ১৮৬টি হামলা ও অভিযানের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব হামলায় ১৫৮ জন বেসামরিক নাগরিকসহ কমপক্ষে ৮৫৩ জন নিহত হয়েছেন। সোমালিয়ায় ২০০১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ১৯ থেকে ২৩টি হামলায় ১৮৮ থেকে ২৭৬ জন নিহত হয়েছেন।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনামলে লিবিয়ায় বিক্ষোভ দমনের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় জাতিসংঘের ম্যান্ডেটের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বিমান অভিযান পরিচালনা করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, গাদ্দাফি বিদ্রোহী যোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে নিহত হওয়ার আগে সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে লিবিয়ায় প্রায় ৯ হাজার ৭০০টি হামলা চালানো হয়েছিল।

২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএলবিরোধী মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযান শুরু হয়। ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’ নামে পরিচিত এই অভিযানে হাজার হাজার বোমা ব্যবহার করে ব্যাপক বিমান ও স্থল অভিযান পরিচালনা করা হয়।

২০১৮ সাল নাগাদ এই অভিযানের ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি ছিল ব্যাপক। মার্কিন কর্মকর্তারা ১ হাজার ৪১৭ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে সামরিক অভিযানে বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহকারী লন্ডনভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ‘এয়ারওয়ার্স’-এর অনুমান ছিল, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ২৬৪ থেকে ১৩ হাজার ৩৬০-এর মধ্যে।

বাস্তুচ্যুত প্রায় ৪ কোটি মানুষ

‘দ্য কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের অনুমান অনুযায়ী, ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুরোর কারণে আফগানিস্তান, ইরাক, পাকিস্তান, ইয়েমেন, সোমালিয়া, ফিলিপাইন, লিবিয়া ও সিরিয়ায় ৩ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ বিদেশে কিংবা নিজ দেশের ভেতরে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এসব যুদ্ধের কারণে মানুষকে এখনো ঘরবাড়ি থেকে জোর করে উচ্ছেদ হতে হচ্ছে।

গত বছর ইরান ও পাকিস্তান প্রায় ২৯ লাখ আফগানকে সীমান্তের ওপারে ফেরত পাঠিয়েছে। ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের দুই দশক পরও ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।

৪০ বছর বয়সি আয়েশা একজন আফগান মা। বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর জীবনের বড় একটি সময় তাকে আফগানিস্তান ও ইরানের মধ্যে আসা-যাওয়া করে কাটাতে হয়েছে। তার পরিবার ১৯৯৪ সালে প্রথমবার আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়ে যায়। ২০০০ সালে তারা দেশে ফিরে আসে।

কিন্তু ২০০২ সালে মার্কিন আগ্রাসনের পর আবারও আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয়। ইরানে ১১ বছর থাকার পর আয়েশা ও তার সন্তানদের সেখান থেকে বহিষ্কার করা হয়। বাধ্য হয়ে তাদের আবার আফগানিস্তানে ফিরে যেতে হয়।

আয়েশা বলেন, ‘আমি বহুবার গিয়েছি এবং ফিরে এসেছি। শেষবার আমরা সেখানে ১১ বছর ছিলাম। কিন্তু এরপর ইরানিরা আমাদের তাড়িয়ে দেয় এবং আমার সন্তানদের স্কুল থেকেও বহিষ্কার করে।’

প্রবীণ মার্কিন সেনাদের ওপর যুদ্ধের প্রভাব

আফগানিস্তানে ৮ লাখেরও বেশি মার্কিন সেনা দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালে শেষ মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের আগে সেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা নিহত এবং ২০ হাজার আহত হন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও মিত্র বাহিনীর সদস্য মিলিয়ে মোট প্রায় ৩ হাজার ৫০০ জন নিহত এবং ২৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি সদস্য আহত হন।

ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, ইরাক যুদ্ধে ৩ হাজার ৪৮১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩১ হাজারের বেশি আহত হন।

তবে যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি মাশুলও ছিল বিশাল। ‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে ৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধের মার্কিন প্রবীণ সেনাসদস্যদের সেবায় যুক্তরাষ্ট্রের ২ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। এর বড় একটি অংশের অর্থ এখনো পরিশোধ করা হয়নি। এদিকে অনেক প্রবীণ সেনাসদস্য এখনো মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের পরিচালক স্টেফানি সাভেল আলজাজিরাকে বলেন, ‘৯/১১-পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে সম্মুখ সমরে যত মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন, তার চেয়ে চার গুণ বেশি সেনা ও প্রবীণ সেনাসদস্য আত্মহত্যায় প্রাণ হারিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন অনেক সেনাসদস্য ফিরে আসছেন, যারা পিটিএসডি ও আঘাতজনিত গুরুতর সমস্যায় ভুগছেন। অথচ তাদের অতীতের তুলনায় অনেক বেশি ঘনঘন পুনরায় যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে। অর্থাৎ, যুদ্ধের এই মাশুল, এমনকি প্রবীণ ও বর্তমান সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও, পুরো জনগোষ্ঠীর ওপর না পড়ে মূলত নির্দিষ্ট কিছু অংশের ওপরই বেশি পড়ছে।’

খরচ বেড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলারে

গত দুই দশকের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র আনুমানিক ৫ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। আগামী দশকগুলোতে সাবেক সেনাসদস্যদের পরিচর্যার জন্য আরও ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার খরচের বরাদ্দ রয়েছে। ফলে যুদ্ধের মোট খরচ অন্তত ৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ লাখ কোটি টাকা।

২০৩০ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধের খরচের সমপরিমাণ অর্থ সুদ বাবদ ব্যয় করবে। আর এই ঋণের বোঝা পরিশোধে ভূমিকা রাখতে হবে আজকের ২৫ বছরের কম বয়সী প্রজন্মকেও। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, বিদেশে আগ্রাসী যুদ্ধের প্রতি মার্কিন নাগরিকদের তেমন আগ্রহ নেই। ইরানে চলমান যুদ্ধও দেশটির জনগণের কাছে অত্যন্ত অজনপ্রিয়।

‘কস্টস অব ওয়ার’ প্রকল্পের পরিচালক স্টেফানি সাভেল বলেন, ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া কিছু মানুষ আংশিকভাবে এই কারণে তাকে সমর্থন করেছিলেন যে, তিনি ‘চিরস্থায়ী যুদ্ধ’ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং শান্তির কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি ‘নিশ্চিতভাবেই এর বিপরীত হয়েছে’।

সাভেল বলেন, বরং সোমালিয়া ও ইয়েমেনে বিমান হামলা তীব্রতর হয়েছে। একইসঙ্গে সংঘর্ষের নিয়মকানুন শিথিল করা হয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘ইরানে এই যুদ্ধ শুরু করা, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে নৌ হামলা... সব মিলিয়ে তিনি মার্কিন সহিংসতা বাড়িয়ে চলেছেন।’

aliul / aliul

আমেরিকার ২৫ বছরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৪৫ লাখ মানুষ

যুদ্ধের আবহে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন

ব্রিকস সম্মেলনের আগে মোদি-পুতিন দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

ইয়েমেনে তীব্র লড়াই : ইরান-সৌদি আরবের ‘নিরাপত্তাহীনতা’ বিষয়ে আলোচনা

হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নেই: পাকিস্তান

সুইজারল্যান্ডে ডাচ পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু

যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে অপ্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি, নেপথ্যে এআই

মিয়ানমারে ড্রোন হামলার পর বন্ধ বিমানবন্দর

২৫ বছর : নিউইয়র্কে কড়া নিরাপাত্তায় স্মরণ করা হবে ৯/১১ হামলার নিহতদের

হরমুজে ফের মার্কিন নৌযানে হামলা ইরানের আইআরজিসির

বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত ডিআর কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, নিহত অন্তত ২৯ শিশু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পুতিন, যাচ্ছেন না তারেক রহমান

ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন, শি ও পেজেশকিয়ানের জন্য নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা, থাকবে ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী