পাবনায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনের দোতলা বাড়ি ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা
পাবনায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান সন্দেহভাজনের বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। শুক্রবার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলার কুলুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজের পর শত শত ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মোস্তফা কামাল (৫৫)-এর বাড়ির দিকে মিছিল নিয়ে যান। একপর্যায়ে তারা দেয়াল, দরজা ও জানালার গ্রিল ভেঙে ওই দোতলা বাড়িতে প্রবেশ করেন। ভিড়ের একাংশ বাড়ির আসবাবপত্র ও ভাঙা জানালার গ্রিলও নিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "বৃহস্পতিবার থেকেই এখানে বেশ কয়েকটি গাড়িতে করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। আজ (শুক্রবার) তারা হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। পরে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।"
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই ঘটনাটির সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস (পাবনা জেলা)-এর সদস্য সচিব আবদুর রব মন্টু বলেন, "আইন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থার অভাব থেকেই মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়। এর জন্য প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাও দায়ী। এটি কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। রাষ্ট্রযন্ত্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। প্রতিবাদের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, তা সবার জন্যই উদ্বেগের বিষয়।"
পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, "ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও তাদের থামানো সম্ভব হয়নি। তবে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে আমরা আগেই বাড়ি থেকে ঘরের জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলেছিলাম।"
এর আগে, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কেনাকাটা করতে গিয়ে শিশুটি নিখোঁজ হয়। খোঁজাখুঁজির পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে স্থানীয় একটি পরিত্যক্ত খাদ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, মোস্তফা কামাল ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলী (২১) শিশুটিকে ফুসলিয়ে একটি মুদি দোকানের পেছনের কক্ষে নিয়ে গিয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে যে, সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং এরপর অপরাধীদের পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়। পরে লাশটি একটি বস্তায় ভরে প্রথমে খাটের নিচে এবং পরবর্তীতে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় পুলিশ মোস্তফা কামাল ও ইয়াসিন আলীকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন থেকে উদ্ধার করা তথ্য ও ছবি থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, অপরাধটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।
এমএসএম / এমএসএম
ঘিওরে যুবদলের উদ্যোগে ৭দিনব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কর্মসূচির উদ্ধোধন
আজ থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৯তম আবির্ভাব তিথি ও ভাগীরথী পদ্মায় পুণ্য স্নান মহোৎসব শুরু
রাজশাহী চেম্বারে চিকিৎসা আরশি আবাসিক প্রকল্পের উদ্বোধন
কালকিনিতে নবজাতকদের গাছের চারা উপহার দিলেন ইউএনও
মাদকের হটস্পটে পুলিশের হান; নারী বিক্রেতাসহ গ্রেপ্তার ৯
অজিত কুমার রায়কে লোহাগড়ায় রাখার দাবি
ভরপাশায় চেয়ারম্যান পদে তরুণ প্রার্থী রাজিব হোসেন, মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনে এগিয়ে যেতে চান
টুঙ্গিপাড়ায় ১৪৪ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
পাবনায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজনের দোতলা বাড়ি ভাঙচুর করল উত্তেজিত জনতা
কচুয়ার গাজীর বাজারে আগুনে পুড়ল পাঁচ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান
শ্রীপুরে জুয়ার আসর থেকে ১১ জনকে গ্রেফতার,মূলহোতা ধরাছোঁয়ার বাইরে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পঞ্চগড় যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান