মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্তি দাবিতে বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত ইপিআর সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি গেজেটে অন্তর্ভুক্তির দাবীতে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের মীর মোশারেফ আলী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে প্রেসকা¬ব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনটি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও সংবাদ কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তৎকালীন ইপিআরে কর্মরত থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং যুদ্ধকালীন বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছেন। সম্প্রতি গেজেটে অন্তর্ভুক্তির আবেদন ও জীবন বৃত্তান্তে মীর মোশারেফ আলী এ সব তথ্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ঢাকার পিলখানায় ইপিআরে কর্মরত ছিলেন। ২৫ মার্চ কালরাতে (২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে) পাকিস্তানি বাহিনী পিলখানায় হামলা চালালে অনেক সৈনিক শহীদ হন। পরে আটক অন্যদের সঙ্গে তাঁকেও মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল এডুকেশন কলেজে রাখা হয় এবং নির্যাতন করা হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি। মীর মোশারেফ আলীর ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুদিন পর তাঁকে লৌহজং থানায় পোস্টিং দেওয়া হয়। সেখানে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি পালিয়ে যান। নদী, পানি ও জঙ্গল পেরিয়ে গভীর রাতে একটি গ্রামে পৌঁছান। এ সময় এক ব্যক্তির সহায়তায় তিনি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. ইকবাল হোসেনের কাছে যান। তাঁর সঙ্গে থাকা একটি এলএমজি, একটি ৩০৩ রাইফেল ও কিছু গুলি ওই কমান্ডারের কাছে জমা দেন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন। এরপর বিভিন্ন অভিযানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি গোয়ালিবান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের দায়িত্বও পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মীর মোশারেফ। তাঁর অধীনে প্রশিক্ষণ নিয়ে অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন বলেও তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন। আবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভারত থেকে তৎকালীন সংসদ সদস্য শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন হেলিকপ্টারে লৌহজং এলে প্রায় ৩০০ মুক্তিযোদ্ধার সাব-কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে তাঁকে গার্ড অব অনার দেন মীর মোশারেফ আলী। পরে কমান্ডার ইকবাল হোসেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র জমা দিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। স্বাধীনতার পর বিডিআর থেকে আহ্বান করা হলে আবার চাকরিতে যোগ দেন বলেও জানান মীর মোশারেফ। পরে রাঙ্গামাটিতে শান্তিবাহিনীর সঙ্গে সংঘাতের সময় তাঁকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১০ থেকে ১২ বছর পাহাড়ি এলাকায় দায়িত্ব পালনের কারণে মুক্তিযোদ্ধা তালিকার বিষয়ে খোঁজ নিতে পারেননি বলে দাবি তাঁর। মীর মোশারেফ আলীর দাবি, গত প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি চারবার যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং ‘ক’ গ্রুপে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ঢাকায় ফাইল পাঠানোর পর অজ্ঞাত কারণে তাঁর গেজেট প্রকাশ হয়নি। তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করেন, তাঁর কাগজপত্র ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁকে বলেছিলেন, তাঁর কাছে চাওয়ার মতো আর কোনো প্রমাণ নেই। অনেকের সার্টিফিকেট থাকলেও তাঁর মতো ‘নিরেট প্রমাণাদি’ অন্য কারও নেই এমন মন্তব্যও ওই কর্মকর্তা করেছিলেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
নওয়াপাড়ায় সিজারের পর নারীর মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ
আদমদীঘি প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি: সভাপতি হাফিজার, সম্পাদক মেহেদী
মুরাদনগরে যুবলীগের মিছিলের পর রাতভর অভিযান, ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ১৫
ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক উইমেন্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু
মেহেরপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটূক্তির অভিযোগে হিন্দু যুবক আটক
রাবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামে সভাপতি ছাদিক, সম্পাদক সুজা
পানি আনতে গিয়ে ধর্ষণের স্বীকার বাকপ্রতিবন্ধি নারী, পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
মুক্তিযোদ্ধা গেজেটে অন্তর্ভুক্তি দাবিতে বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত ইপিআর সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
ভোলায় ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার-২
শান্তিগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন
আমরা পুলক চ্যাটার্জী মৃত্যুর শ্বেতপত্র চাই: এমপি সরোয়ার
পটুয়াখালীতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রতিনিধি সভায় ৩টি পৌরসভার মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষনা