সাটুরিয়ায় সংকট দেখিয়ে চড়া মূল্যে সার বিক্রি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চড়া মুল্য বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। চড়া মুল্য দিয়েও সার পাচ্ছেনা কৃষকরা। সরকারিভাবে নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। এদিকে শীত মৌসুমে সার না পেয়ে রবি শস্য ফলনে বিঘ্ন ঘটবে বলে ধারণা করছে সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
কৃষকদের অভিযোগ মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকায় ডিলাররা গোপনে এসব সার বেশি দামে বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে। কৃষকরা আরো অভিযোগ করেন কৃষি অফিসের ডিলার ছাড়াও ডিলারদের কাছ থেকে সার নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব সার বাহিরে বিক্রি করছেন।
উপজেলায় এবার শীতকালীন মৌসুমে ১৫ শ’ হেক্টর সরিষা, ২৫০ হেক্টর আলু , বিভিন্ন সবজি ১ হাজার ও ভুট্টা ৪৫০০ হেক্টর। সব মিলে এ উপজেলায় ৮০০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন রবি শষ্য চাষবাদ করা হবে। কিন্তু বর্তমানে সারের চড়া মূল্যে ও কৃত্রিম সংকটের অভাবে কৃষকরা এসব রবি শষ্যর আবাদ করতে পারছে না। এদিকে কৃষকরা ডিলারের কাছে সার পাচ্ছেনা। কিন্তুু বেশি দামে বাহিরের অসাধু ব্যবসায়ীদের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে সব ধরণের সার।
সরেজমিনে আবাদি জমিতে গিয়ে কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, ডিলার ও সাব ডিলারদের কাছে সার চাইলে ডিলাররা বলে সার নাই। এদিকে এমওপি (পটাশ) সারের সরকার নির্ধারিত মুল্য ৭৫০ টাকা। সেখানে বিক্রি করছে ১ হাজার টাকা। একই ভাবে অন্যন্য সারও অতিরিক্ত মূল্যে দিয়ে কিনতে হচ্ছে বলে জানান তারা।
সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিসিআইসি ও বিএডিসির মাধ্যমে উপজেলায় কৃষকের মধ্যে সার দিয়ে থাকেন। এরমধ্যে বিএডিসির ১১ জন ডিলার ও বিসিআইসি ডিলার রয়েছে ৯ জন। এছাড়া সাব ডিলার রয়েছে ৮১ জন। এসব ডিলারদের প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ইউরিয়া সরকারি মূল্য ৮০০ টাকা, টিএসপি ১১ শত টাকা, এমওপি ৭৫০ টাকা ও ডিএপি ৮০০ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। কিন্তু এসব ডিলাররা এমওপি (পর্টাশ) গোপনে ৭৫০ টাকার স্থলে সব ধরণের সার ১ হাজার টাকা বস্তার উপরে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএডিসি সার সরবরাহ না থাকায় বিসিআইসির সার ডিলাররা সরিয়ে রেখে চড়া মূল্যে বিক্রি করছে। ফলে উপজেলা জুড়ে সারের কৃত্রিম সংকট দেখা দিয়েছে।
বিএডিসির ডিলার সানোয়ার হোসেন জানান, সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। তাই পরিবহনের কারনে আমরা টাকা জমা দিয়েও সার আনতে পারছি না। বিএডিসি সার পাওয়ার জন্য ব্যাংকে টিটি করেও সার পাচ্ছি না। ফলে শীতকালীন মৌসুমে সারের সংকট দেখা দেয়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সারের কৃত্রিম সংকট করে কৃষকের কাছ থেকে চড়া মূল্যে নিচ্ছে।
সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন, নভেম্বর মাসে এ উপজেলায় ১০ হাজার ২৬০ হেক্টর কৃষি জমির জন্য সার পাওয়া গেছে ২০৪৭.৫ মেঃ টন। এরমধ্যে বিএডিসি ২০০.৭৫ মেঃ টন সার সরবারহ না থাকায় সারের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে সূত্র জানায়। এদিকে চাহিদা অনুযায়ী সার সরবারহ না করায় চড়া মূল্যে দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের।
সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, বিএডিসির সার সময় মতো না পাওয়ায় রবি শস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটবে। এদিকে পরিবহন ধর্মঘট চলায় ডিলাররা সার আনতে পারছে না তাই সার সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
নালিতাবাড়ীতে ব্যবসায়ী-ভোটারদের সঙ্গে বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর গণসংযোগ
আলোকিত উলিপুর গড়তে হাত পাখায় ভোট দিন,,,,, ডাক্তার আক্কাস আলী
রাজস্থলীতে দু মূখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৩ জন গুরুতর আহত, একজনের অবস্থা আশংকাজনক
গজারিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাগণের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা
নির্ধারিত সময়ের ১০ দিন আগেই বন্ধ হলো কেরুজ চিনিকলের মাড়াই মৌসুম: লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হোঁচট
মানুষ, পরিবেশ ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিতে নির্বাচনী মাঠে প্রীতম দাশ
সলঙ্গাকে পৌরসভা বানানোর প্রতিশ্রুতি"রফিকুল ইসলাম খাঁন
আনোয়ারায় কেইপিজেড বিএনপির আমলে হয়েছে - সরওয়ার জামাল নিজাম
সিলেট রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার ওসি রতন সেখ- পিপিএম,
মানিকগঞ্জে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের নিয়ে মাঠ দিবস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে নোয়াখালীতে যৌথ বাহিনীর মহড়া
বকশীগঞ্জে বাস কাউন্টার থেকে ২৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার