কুষ্টিয়া সদরের মনোহরদিয়া ইউপিতে শিক্ষক-ছাত্রের মনোনয়ন যুদ্ধ
চতুর্থ ধাপে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মনোহরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। যে যার অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মনোনয়ন লাভের আশায়।
জানা গেছে, মনোহরদিয়া ইউপিতে এক শিক্ষকের সাথে মনোনয়নযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন তারই এক সময়কার ছাত্র। বিষয়টি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
মনোহরদিয়া গ্রামের মৃত আশির উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে এলাকা তথা সুধীসমাজে পরিচিত। তিনি ১৯৯২-৯৭ মেয়াদে মনোহরদিয়া ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি মনোহরদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮২-৮৩ সালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া সদর থানা আ’লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া ২০০৯ থেকে অদ্যাবধি কুষ্টিয়া সদর থানা আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
অপরদিকে, মো. শহিদুল ইসলামের ছাত্র বর্তমান চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম একজন দুর্নীতিপরায়ণ লোক। বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে তিনি অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তিনি দুর্নীতি করেননি। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানে নির্মিত গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য নির্মিত ঘর প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মানব পাচার ও চাকরি দেয়ার নামে বেশকিছু ব্যক্তিতে আটকে রাখার দায়ে ২০১৬ সালে ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। ঘটনাটি চ্যানেল আইয়ে প্রচার করা হয়েছিল। তার নামে মানব পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালের আগে জহুরুল হক আওয়ামী লীগের কোনো পদেই ছিলেন না। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে নিজস্ব দালাদের মাধ্যমে চাকরি দেয়ার নামে, প্রধানমন্ত্রীর অনুদান দেয়ার নামে, ভিজিএফ ও মাতৃত্বকালীন কার্ড এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা করে দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এতে মনোহরদিয়া ইউনিয়নের জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনগণ তাকে আর চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান না। তিনি পুনরায় মনোননয়ন পেলে নিশ্চিতভাবে পরাজিত হবেন। তাকে মনোনয়ন না দিতে ইউনিয়নবাসী আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সাথে আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী শিক্ষক মো. শহিদুল ইসালামকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হলে বিজয় সুনিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন ইউনিয়নবাসী। একজন সজ্জন ব্যক্তি ও আদর্শবান শিক্ষকের হাতে ইউনিয়নের দায়িত্ব গেলে এলাকার অনেক উন্নয়ন হবে বলে মনে করছেন তারা।
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলামের পরিবার ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়েছিল এবং খাবারের ব্যবস্থা করেছিল। ওই সময় সার্বিক বিষয়ে তাদের পরিবার মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিল। আমি তাকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি।
জামান / জামান
ফেনীতে বিএনপি ও যুবদল নেতা কর্মীদের বাধায় আদালতের রায় উপেক্ষিত
রৌমারীতে মিথ্যা অপহরণ মামলায় হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
আউটর্সোসিং এ কর্মরত কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি পালন
আদমদীঘিতে মাদরাসা ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও চ্যাটিং ঘটনায় শিক্ষককের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
জনতা ব্যাংক পটুয়াখালী কর্মকর্তাদের ফুটবল প্রীতি ম্যাচ: ড্রতে শেষ হলো আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল লড়াই
সলঙ্গায় শহীদ জিয়াউর রহমান স্মৃতি আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
চিলমারীতে কম্পিউটার ব্যবসায়ীর কারাদন্ড
৪৭তম বিসিএসে তথ্য ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বাঘার মেয়ে সাদিয়া আফরিন
টাঙ্গাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২
মুরাদনগর ভেঙে গঠিত হলো বাঙ্গরা উপজেলা; খুশির জোয়ারে ভাসছে বাঙ্গরাবাসী
১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ
পটুয়াখালীতে ডাকাতি মামলায় অভিযুক্ত ডাকাত সরদার বাচ্চু গ্রেপ্তার