ঢাকা শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬

কুষ্টিয়া সদরের মনোহরদিয়া ‍ইউপিতে শিক্ষক-ছাত্রের মনোনয়ন যুদ্ধ


নিজস্ব সংবাদদাতা photo নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ২-১২-২০২১ দুপুর ১:৫৩
২০১৬ সালে ডিবি পুলিশের হাতে ‍আটক মনোহরদিয়া ‍ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান জহুরুল ‍ইসলাম
২০১৬ সালে ডিবি পুলিশের হাতে ‍আটক মনোহরদিয়া ‍ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান জহুরুল ‍ইসলাম

চতুর্থ ধাপে ‍আগামী ২৯ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া সদর ‍উপজেলার মনোহরদিয়া ‍ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ‍এ নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়নন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। যে যার অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মনোনয়ন লাভের ‍আশায়।

জানা গেছে, মনোহরদিয়া ‍ইউপিতে ‍এক শিক্ষকের সাথে মনোনয়নযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন তারই ‍এক সময়কার ছাত্র। বিষয়টি ‍এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। 

মনোহরদিয়া গ্রামের মৃত ‍আশির ‍উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে শিক্ষক মো. শহিদুল ‍ইসলাম ‍একজন ‍আদর্শ শিক্ষক হিসেবে ‍এলাকা তথা সুধীসমাজে পরিচিত। তিনি ১৯৯২-৯৭ মেয়াদে মনোহরদিয়া ‍ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি মনোহরদিয়া ‍ইউনিয়ন ‍আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৮২-৮৩ সালে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ২০০২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া সদর থানা ‍আ’লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ‍এছাড়া ২০০৯ থেকে অদ্যাবধি কুষ্টিয়া সদর থানা ‍আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে ‍আসছেন।

অপরদিকে, মো. শহিদুল ‍ইসলামের ছাত্র বর্তমান চেয়ারম্যান জহুরুল ‍ইসলাম ‍একজন দুর্নীতিপরায়ণ লোক। বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ ‍আত্মসাৎ করে তিনি অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। ‍এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তিনি দুর্নীতি করেননি। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানে নির্মিত গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য নির্মিত ঘর প্রকল্প থেকে অর্থ ‍আত্মসাৎ করেছেন। সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মানব পাচার ও চাকরি দেয়ার নামে বেশকিছু ব্যক্তিতে ‍আটকে রাখার দায়ে ২০১৬ সালে ডিবি পুলিশের হাতে ‍আটক হন তিনি। ঘটনাটি চ্যানেল ‍আইয়ে প্রচার করা হয়েছিল। তার নামে মানব পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালের ‍আগে জহুরুল হক ‍আওয়ামী লীগের কোনো পদেই ছিলেন না। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে নিজস্ব দালাদের মাধ্যমে চাকরি দেয়ার নামে, প্রধানমন্ত্রীর অনুদান দেয়ার নামে, ভিজিএফ ও মাতৃত্বকালীন কার্ড ‍এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা করে দেয়ার নামে অর্থ ‍আত্মসাৎ করেন। এতে মনোহরদিয়া ‍ইউনিয়নের জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনগণ তাকে ‍আর চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান না। তিনি পুনরায় মনোননয়ন পেলে নিশ্চিতভাবে ‍পরাজিত হবেন। তাকে মনোনয়ন না দিতে ‍ইউনিয়নবাসী ‍আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতাদের প্রতি ‍আহ্বান জানিয়েছেন।

একই সাথে ‍আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী শিক্ষক মো. শহিদুল ‍ইসালামকে ‍আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া হলে বিজয় সুনিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন ‍ইউনিয়নবাসী। ‍একজন সজ্জন ব্যক্তি ও ‍আদর্শবান শিক্ষকের হাতে ‍ইউনিয়নের দায়িত্ব গেলে এলাকার অনেক ‍উন্নয়ন হবে বলে মনে করছেন তারা।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধকালীন কমান্ডার ‍এবং সাবেক ‍ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষক মো. শহিদুল ‍ইসলামের পরিবার ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের ‍আশ্রয় দিয়েছিল ‍এবং খাবারের ব্যবস্থা করেছিল। ওই সময় সার্বিক বিষয়ে তাদের পরিবার মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিল। ‍আমি তাকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

জামান / জামান

মনিরুল হক চৌধুরীর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া

সাভারে সামাজিক ও আইনি বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

উন্নয়নের বাইরে চর কলাতলী : অবহেলায় মানবেতর জীবন, আশ্বাসেই আটকে প্রশাসনিক উদ্যোগ

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা কারাগারে

শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলাকে প্রসবজনিত ফিস্টুলামুক্ত ঘোষণা

নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেল থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার ২

শিবচরের ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ঘন কুয়াশার কবলে বাসসহ একাধিক গাড়ির সংঘর্ষে আহত দশজন

গাজীপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪২০ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

খালিয়াজুরীতে রাজনৈতিক মামলায় জামায়াত কর্মী গ্রেপ্তারে জামায়াতের ক্ষোভ প্রকাশ

বাগেরহাটের পল্লীতে আগুন লেগে দরিদ্র বৃদ্ধার মৃত্যু

ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে স্থবির কুড়িগ্রামের জনজীবন

রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাভারে অবস্থিত ভিসন গ্রুপের ১লা জানুয়ারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন

বারহাট্টার বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা