ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

‘৫ জানুয়ারি’ ঘিরে নেই উত্তাপ!


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৫-১-২০২২ দুপুর ১১:৩৭

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে ৫ জানুয়ারি ঐতিহাসিক দিন। ২০১৪ সালের এদিনে দেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। তৎকালীন বিরোধীদল বিএনপি সেই নির্বাচন অংশ না নিয়ে প্রতিহতের ঘোষণা দেয়। ফলে ১৫৩ আসনের সংসদ সদস্যই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকিগুলোতে মৃদু প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও নির্বাচনে ছিল না জৌলুস। নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও সরকারে ভাগ বসায়।

সেই থেকে ‘একতরফা’ ওই নির্বাচনের দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবস পালন করে আসছে বিএনপি। আওয়ামী লীগও গণতন্ত্র রক্ষা বা গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করে আসছিল। এ দিনটি ঘিরে সড়কে ছিল নানা উত্তেজনা। বিএনপির কর্মসূচি প্রতিহত করতে সড়কে আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল বা র্যালি ছিল চোখে পড়ার মতো। এখন আর সে উত্তাপ নেই। অবশ্য, গেলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মূলত দিবসটি তার জৌলুস হারিয়েছে।

এবারের দিবসটিকে ঘিরে বিএনপি মানবন্ধনের ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আগামীকাল ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে জেলা সদরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।’

অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এবারে দিবসটি ঘিরে কোনো কর্মসূচি নেই। দলটির উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান  বলেন, ‘৫ জানুয়ারি ঘিরে আপাতত কোনো কর্মসূচি নেই।’

২০১১ সালের ৩০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল পাস হয়। প্রধান বিরোধীদল বিএনপি ও তার শরিক জোটগুলো এরপর থেকেই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।

কিন্তু সেই সময় বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা দেন ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন বিরোধীদলীয় প্রধান খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দেন। পরে দলীয় সরকারের অধীনেই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সেই নির্বাচন নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। সেই নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হন প্রার্থীরা। বাকি ১৪৭ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সেই নির্বাচনের দিন সহিংসতায় নিহত হন ১৯ জন। নির্বাচন পূর্বসহিংসতার দিক থেকেও ওই নির্বাচন অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত ৪১ দিনে মারা যান ১২৩ জন। ভোটের দিন এত সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি এর আগে কখনো হয়নি।

শাফিন / শাফিন

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ভঙ্গুর, শঙ্কায় জিএম কাদের

দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অপচেষ্টা হচ্ছে : রিজভী

মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ: রেল প্রতিমন্ত্রী

‘নির্দেশ অমান্য করলে অন্য রূপ দেখবেন’— নেতাকর্মীদের সতর্ক করে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল

সীমান্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান কাঁটাতারের বেড়া নয় : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি: ফখরুল

লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভাস্থল ঘিরে উত্তেজনা, ডিম নিক্ষেপ

নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে

ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

প্রবাসে বসে লীগের কমিটি বাণিজ্য ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন