ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বগুড়া শেরপুর থেকে বিলুপ্তপ্রায় খেজুর গাছ


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫-১-২০২২ দুপুর ৪:৪৩

বগুড়ার শেরপুর থেকে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে খেজুর গাছ, সেই সাথে খেজুরের রসও। রসের জন্য এখন ধৈর্য দরে অপেক্ষা করতে হয় অন্য কোনো এলাকা থেকে বিক্রি করতে আসা খেজুর রস বিক্রেতাদের জন্য। উপজেলার বিশালপুর, ভবানিপুর, সীমাবাড়ী, মির্জাপুর, কুসুম্বি এবং গাড়ীদহ এলাকায় প্রচুর খেজুর গাছ ছিল, যা থেকে এলাকার মানুষের খেজুর রসের চাহিদা মিটত।

পাঁচ বছর আগেও শীতের শুরু থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ করার জন্য খেজুর গাছ কাটার ধুম পড়ে যেত। তবে  বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে কমে যাওয়ায় এই ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে। তারপরও গাছিরা এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন। শীত এলেই খেজুর গাছ খুঁজে বেড়ান গাছিরা। এরপর গাছ কেটে পুরো মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ করেন। এক সময় গ্রামের অনেক বাড়িতেই রাস্তার পাশে তাল ও খেজুরের গাছ ছিল। বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে। তাই আগের মতো তেমন রস সংগ্রহ করতে পারেন না গাছিরা।

শেরপুর উপজেলার তালপট্টি গ্রামের গাছি নজরুল বলেন, বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ হারিয়ে যাচ্ছে, তাতে এক সময় হয়তো আমাদের এলাকায় খেজুর গাছ থাকবে না। বাড়তি জনসংখ্যার কারণে মানুষ এখন গাছ কেটে বসতবাড়ি তৈরি করছে।

শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ী, সাধুবাড়ী এলাকার জনৈক এক গাছি বলেন, খেজুরের রস দিয়ে নানারকম পিঠা তৈরি করা হয়। খেজুর গাছ ৫-৬ বছরের হলেই গাছ থেকে রস সংগ্রহ শুরু করা যায়। কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত রস আহরণ করা হয়। তবে যত শীত বেশি পড়ে গাছ থেকে তত বেশি রস পড়ে। কিন্তু এখন রস পাব কোথায় ? গাছই তো নেই! কালের পরিবর্তনে এলাকা থেকে বিলীন হয়ে গেছে খেজুর গাছ। আগে রাস্তার ধারে ড্রেনের ধারে সারিবদ্ধভাবে খেজুর গাছ দেখা যেত। কাঠ ব্যবসায়ীরা গাছগুলো কেটে দিয়েছে ইটভাটায় আর কিছু গাছের জায়গাজুড়ে উঠেছে নতুন ঘর-বাড়ি। ওই সব গাছ থেকে গাছিরা রস সংগ্রহ করে পাড়া-মহল্লায় বিক্রি করত। শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা দেখা যায়। এখন সেই সুস্বাদু খেজুরের রস কেনার জন্য উপজেলার লোকজনদের খুঁজে বেড়াতে হয় রস বিক্রেতাদের। ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হলে পতিত জায়গায় ও রাস্তার ধারে খেজুর গাছ লাগানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন এলাকার সূধীজনরা।

শেরপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসী জানান, আগে পতিত জমি ছিল। সেখানে অবহেলা ও অযত্নে  খেজুর  গাছ জন্মাত। গ্রামীণ রাস্তার পাশেও সারিবদ্ধভাবে খেজুর গাছ দেখা যেত। সেসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করত। ওই খেজুর গাছ থেকে বাংলার নবান্ন উৎসবের জন্য গাছিরা রস আহরণ করত। মানুষের মধ্যে অসচেতনতার কারণে মানুষ গাছ কাটলেও গাছ আর লাগায় না। অন্তত পরিবেশের ভারাসাম্য রক্ষায় প্রতিটি সড়কের পাশে ও খালি জায়গায় খেজুর গাছ লাগানো উচিত।

শাফিন / জামান

নেত্রকোণা -২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বটগাছ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থন

ড. মুহাম্মদ আতাউর রহমান বারি'র নতুন মহাপরিচালক

পটুয়াখালী-০১: আলতাফ চৌধুরীকে সমর্থন দিয়ে মাঠ ছাড়লেন গণ অধিকার পরিষদের ফাহিম

মাধবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা

সেনাবাহিনীর জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার এর সাথে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ

আত্রাইয়ে ৬১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলা কিউআর সেবা: যৌথ উদ্যোগে কমিউনিটি ব্যাংক ও জায়তুন ফিনটেক

জয়পুরহাট ১ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী গণমিছিলে মানুষের ঢল

১৯৭১ সালেই প্রমাণ হয়েছে মা-বোনদের জন্য এদের দরদ নেই

ত্রিশালে সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

ব্রিটিশ পাসপোর্ট একপাশে রেখে চাটখিল-সোনাইমুড়ীবাসীর খেদমতে এমপি প্রার্থী হয়েছি: জহিরুল ইসলাম

বিধি লঙ্ঘন করে ইমারত নির্মাণ, কাজ বন্ধের নোটিশ আরডিএ'

চট্টগ্রামে হত্যা মামলার আসামী কাইছ আটক