ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

বগুড়া শেরপুর থেকে বিলুপ্তপ্রায় খেজুর গাছ


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫-১-২০২২ দুপুর ৪:৪৩

বগুড়ার শেরপুর থেকে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে খেজুর গাছ, সেই সাথে খেজুরের রসও। রসের জন্য এখন ধৈর্য দরে অপেক্ষা করতে হয় অন্য কোনো এলাকা থেকে বিক্রি করতে আসা খেজুর রস বিক্রেতাদের জন্য। উপজেলার বিশালপুর, ভবানিপুর, সীমাবাড়ী, মির্জাপুর, কুসুম্বি এবং গাড়ীদহ এলাকায় প্রচুর খেজুর গাছ ছিল, যা থেকে এলাকার মানুষের খেজুর রসের চাহিদা মিটত।

পাঁচ বছর আগেও শীতের শুরু থেকে খেজুরের রস সংগ্রহ করার জন্য খেজুর গাছ কাটার ধুম পড়ে যেত। তবে  বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে কমে যাওয়ায় এই ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে। তারপরও গাছিরা এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন। শীত এলেই খেজুর গাছ খুঁজে বেড়ান গাছিরা। এরপর গাছ কেটে পুরো মৌসুমে খেজুরের রস সংগ্রহ করেন। এক সময় গ্রামের অনেক বাড়িতেই রাস্তার পাশে তাল ও খেজুরের গাছ ছিল। বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে। তাই আগের মতো তেমন রস সংগ্রহ করতে পারেন না গাছিরা।

শেরপুর উপজেলার তালপট্টি গ্রামের গাছি নজরুল বলেন, বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ হারিয়ে যাচ্ছে, তাতে এক সময় হয়তো আমাদের এলাকায় খেজুর গাছ থাকবে না। বাড়তি জনসংখ্যার কারণে মানুষ এখন গাছ কেটে বসতবাড়ি তৈরি করছে।

শাহ বন্দেগী ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ী, সাধুবাড়ী এলাকার জনৈক এক গাছি বলেন, খেজুরের রস দিয়ে নানারকম পিঠা তৈরি করা হয়। খেজুর গাছ ৫-৬ বছরের হলেই গাছ থেকে রস সংগ্রহ শুরু করা যায়। কার্তিক মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত রস আহরণ করা হয়। তবে যত শীত বেশি পড়ে গাছ থেকে তত বেশি রস পড়ে। কিন্তু এখন রস পাব কোথায় ? গাছই তো নেই! কালের পরিবর্তনে এলাকা থেকে বিলীন হয়ে গেছে খেজুর গাছ। আগে রাস্তার ধারে ড্রেনের ধারে সারিবদ্ধভাবে খেজুর গাছ দেখা যেত। কাঠ ব্যবসায়ীরা গাছগুলো কেটে দিয়েছে ইটভাটায় আর কিছু গাছের জায়গাজুড়ে উঠেছে নতুন ঘর-বাড়ি। ওই সব গাছ থেকে গাছিরা রস সংগ্রহ করে পাড়া-মহল্লায় বিক্রি করত। শীত এলেই খেজুরের রসের চাহিদা দেখা যায়। এখন সেই সুস্বাদু খেজুরের রস কেনার জন্য উপজেলার লোকজনদের খুঁজে বেড়াতে হয় রস বিক্রেতাদের। ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হলে পতিত জায়গায় ও রাস্তার ধারে খেজুর গাছ লাগানোর বিকল্প নেই বলে মনে করেন এলাকার সূধীজনরা।

শেরপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসী জানান, আগে পতিত জমি ছিল। সেখানে অবহেলা ও অযত্নে  খেজুর  গাছ জন্মাত। গ্রামীণ রাস্তার পাশেও সারিবদ্ধভাবে খেজুর গাছ দেখা যেত। সেসব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করত। ওই খেজুর গাছ থেকে বাংলার নবান্ন উৎসবের জন্য গাছিরা রস আহরণ করত। মানুষের মধ্যে অসচেতনতার কারণে মানুষ গাছ কাটলেও গাছ আর লাগায় না। অন্তত পরিবেশের ভারাসাম্য রক্ষায় প্রতিটি সড়কের পাশে ও খালি জায়গায় খেজুর গাছ লাগানো উচিত।

শাফিন / জামান

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি

সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু

শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড

মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা

কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী

বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার

কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান

জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়

রাজারহাটে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত