জুড়ীতে ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’ চাষে স্বপ্ন দেখছেন কৃষক শামীম
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় ধানের নতুন জাত ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’-এর পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করা হয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধানের এ নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। ধানের এ নতুন জাত ‘বঙ্গবন্ধু ধান -১০০’ চাষে স্বপ্ন দেখছেন কৃষক শামীম।
জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলার একজন কৃষককে এ বীজ দেয় উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা সদরের জায়ফরনগর ইউনিয়নের নয়াগ্রামের কৃষক মো. শামীম মিয়াকে রাজস্ব খাতে প্রদর্শনীর জন্য বীজ দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বীজতলা প্রস্তুত করে জমিতে চারা রোপণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা কৃষি অফিস।
কৃষি বিভাগ জানায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি বঙ্গবন্ধু-১০০ ধানটিকে গত বছর ছাড়পত্র দেয় সরকার। নতুন জাতের এ ধানটি আধুনিক উফশী ধানের বৈশিষ্ট্যসংবলিত। পূর্ণবয়স্ক গাছের উচ্চতা হবে ১০১ সেন্টিমিটার। জীবনকাল ১৪৮ দিন। বঙ্গবন্ধু-১০০ ধানে জিংক রয়েছে ২৫৭ মিলিগ্রাম। এটি দেখতে নাজিরশাইল বা জিরা ধানের দানার মতো হবে। এই জাতের ধানের রং সোনালি অর্থাৎ খড়ের মতো। চাল মাঝারি চিকন ও সাদা হবে। এই চালের গুণগতমান অত্যন্ত ভালো। হেক্টরপ্রতি গড় ফলন হবে ৭ থেকে ৮ টন। তবে উপযুক্ত পরিচর্যা এবং আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃষক মো. শামীম মিয়া বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে নতুন জাতের বঙ্গবন্ধু ধান-১০০-এর ৫ কেজি বীজ দেয়া হয়েছিল। মোট ৬ কিয়ার জমিতে বীজ বপন করেছি। এতে আমার সব মিলিয়ে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ফলন বেশি ভালো হয়েছে। আশা করছি ১৫০ মণের মতো ধান পাব। এতে আমার এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হবে। প্রতি বছর যদি কৃষকদের এ জাতের ধান দেয়া হয় তাহলে দেশের কৃষি আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
এ সময় তিনি আরো বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসারসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সব সময় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা চমক আচার্য্য বলেন, কৃষি অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা বঙ্গবন্ধু ধান-১০০ রোপণকারী কৃষকের জমি নিয়মিত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, কৃষি বিভাগ নতুন জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলায় একজন কৃষককে ধানের নতুন জাত বঙ্গবন্ধু ধান-১০০-এর বীজ দেয়া হয়েছে। তিনি ইতোমধ্যে চারা রোপণ করেছেন। কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পরামর্শসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া পার্চিং অর্থাৎ রোপণের পর জমিতে গাছের ডাল পুঁতে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে, যাতে পাখি ডালে বসে পোকামাকড় খেতে পায়। এতে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ কম হবে। বিঘাপ্রতি ফলন ২৫ থেকে ৩০ মণ উৎপাদন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এবার সীমিত পরিসরে শুরু হলেও ভবিষ্যতে উচ্চ ফলনশীল ধান হিসেবে এর ব্যাপক চাষাবাদ হবে বলে আশা করছি।
এমএসএম / জামান
গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
হাবিবুর রহমান হাবিবের বহিষ্কার ও জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি সিরাজুল ইসলাম সরদারের
নোয়াখালীর কবিরহাটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠান
রায়গঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু
পিসিপি’র খাগড়াছড়িতে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন
ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নিল প্রতিপক্ষ
জেএসএস’র গুলিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত
আদমদীঘিতে বাশেঁর বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি
মান্দায় রফিকুল হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশের তেলেসমাতি
কোনাবাড়ী উলামা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
উলিপুরে হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত