নিষেধাজ্ঞার মুুখে বৈদেশিক লেনদেনে নতুন নিয়ম করেছে রাশিয়া
ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা ঠিক রাখতে একটি অস্থায়ী বিশেষ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া। এর মাধ্যমে বিদেশি ঋণদাতাদের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক সমন্বয় করা হবে। গত শুক্রবার (১৮ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর আরটির।
নতুন নিয়মে বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেনে নিয়ন্ত্রণ আনতে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে যে কোনো বিদেশি কোম্পানি ও ব্যক্তির কাছে অর্থ লেনদেনের সর্বোচ্চ পরিমাণ বেঁধে দিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পাশাপাশি নতুন আদেশে রাশিয়ার ব্যাংকগুলোকে চলতি বছর শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশিদের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন না করতে নির্দেশনা দেয়া হযেছে। এই আদেশের ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ প্রদানের বিষয়টিও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে চলে এসেছে। অর্থাৎ অনুমতি ছাড়া লাভের টাকা দেয়া যাবে না বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। রাশিয়ার ব্যাংকগুলোকে অনুমতি সাপেক্ষে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের অনুমতি দেয়া হয়েছে এই আদেশে। কিন্তু তা দিতে হবে সরকারের নির্ধারিত বিনিময় হারে ও রুবলের মাধ্যমে।
ইউক্রেনে অভিযান শুরুর পরপরই বৈদেশিক মুদ্রার পাচার ঠেকাতে রাশিয়ার রপ্তানিকারকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছিল দেশটি। এতে রপ্তানিকারকদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার ৮০ শতাংশ সরকারের কাছে বিক্রি করে দিতে আদেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে মূলধন বাইরে যাওয়া ঠেকাতে সব মুদ্রা রুবলে রূপান্তরের নির্দেশ দেয় দেশটি।
নতুন আদেশে এই নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রপ্তানিকারকরা যদি রুশ ব্যাংকগুলোর কাছে তাদের ঋণ পরিশোধ করে, তাহলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সেই অংশ (৮০ শতাংশ) আর বিক্রি করতে হবে না। এর পাশাপাশি গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে গৃহীত অন্যান্য বিধিনিষেধ সম্পর্কেও পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে নতুন এই আদেশে।
জামান / জামান
ওই বিমানের ক্যাপ্টেনকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন কো-পাইলট
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৫
নেতানিয়াহু বলেছে পাইপ মিস্ত্রি বিমানকে রক্ষা করেছে, সত্যি কি না জানি না
ছয়টিরও বেশি দেশ মক্কা জোটে যোগ দিতে চায়
হঠাৎ ‘অস্বাভাবিক’ গোপন বৈঠক ট্রাম্পের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের
ভারতের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে দুই পাকিস্তানি নিহত
পাত্রীদের নিকাব পরার শর্ত দিয়েছিলাম, কেউ রাজি হয়নি, পাইলট শুনে সবাই রাজি
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন, হাসপাতালে এখন লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে
ভারতীয় পাইলটকে মেরে রক্তাক্ত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, এখন কী হবে এ নারীর?
৫ বছরে ২০ ভাগ বরফ হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ