ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উলিপুরে আলু চাষিরা হতাশায় আলুর বাজার ধস নামায়


আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর photo আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর
প্রকাশিত: ২৫-৩-২০২২ দুপুর ১২:৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে এ বছর ব্যাপক আলুর ফলন হওয়ায় বাজারে আলুর দামের ধস নামায় বিপাকে পড়েছেন আলু চাষিরা।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) উপজেলার তিস্তা নদী বেষ্টিত এলাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ একর জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছে। তিস্তা নদীর খেওয়া গুলোর মধ্যে থেতরাই পানিয়ালের খেওয়া, ভোলার খেওয়া, নাগড়াকুড়ার খেওয়া, কাজির চকের খেওয়া ও জিগাতলার খেওয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায় বস্তা ময় বস্তা আলু নিয়ে আলু চাষিরা বসে আছে বিক্রি করার উদ্যেশ্যে। এলাকা গুলোর মধ্যে গোড়াই পিয়ার, কদম তলা, জুয়ান সতড়া, থেতরাই, হোকডাঙ্গা, নাগড়াকুড়া, নন্দুনেফড়া, শুকদেবকুন্ড, বজরা, সাতালস্কার সহ আরও অনেক এলাকা ঘুরে দেখা যায় আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। আলু নিয়ে বিপাকে পরেছে আলু চাষিরা। আলু চাষিরা বলেন আলুর অনেক দাম কমে গেছে। আলু রাখতে পারতেছিনা বেঁছতেও পারতেছিনা।

আলু চাষিদের মধ্যে রুহুল আমীন, বাবলু, নুরুজ্জামান, জলিল মিয়া, রফিকুল ইসলাম, আনারুল, শফিকুল, চাঁদ মিয়া, রবিয়াল, আশরাফুল, কাদের, ছবুর, নূরমোহাম্মদ, নুরু মিয়া, নুরুল আমীন, রঞ্জু মিয়া সহ আরও অনেকে বলেন এবারে গত বছরের তুলনায় আলুর ফলন অনেক বেশি হয়েছে কিন্তু আলুর বাজারের ধস নামায় আমরা অনেক বিপাকে আছি। তারা বলেন আমাদের আলুর মন প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ টাকা কিন্তু বর্তমান আলুর বাজার মন প্রতি ৩৭৫ টাকা। মন প্রতি ১২৫ টাকা লস হচ্ছে। এ লস আমাদের কে জোগান দিবে। তারা আরও বলেন আমাদের শতাংশ প্রতি আলু উৎপাদন হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন মন। এবং শতাংশ প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ৫০০ টাকা। এখন বাজারে বেঁচতে হচ্ছে প্রতি মন ৩৭৫ টকা।

আলু ব্যাবসায়ী রফিকুল ইসলাম (অবঃ প্রাপ্ত সেনাবাহিনী) বলেন এবারে আলুর অনেক ফলন হয়েছে। আলুর বাজার ধস নামায় অন্যান্য ব্যাবসায়ীরা আলু বাজারে বিক্রি না করে কোল্ড ষ্টরে রাখতে ব্যাস্ত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন আমাদের উপজেলায় কোল্ডষ্টর না থাকায় আমাদের আলু মজুদ করে রাখা অনেক কষ্টকর। অন্য উপজেলার কোল্ডষ্টর আলু নিতে চাচ্ছে না। তাই আমরা যারা ব্যাবসায়ী ও আলু চাষি আছি সবাই বিপাকে পরেছি।

উক্ত আলু চাষিরা ও আলু ব্যাবসায়ীরা বলেন সরকারের উদ্যেগে যদি তিস্তা নদী পারাপারের জন্য থেতরাই পানিয়ালের ঘাটে একটি ব্রিজ তৈরি এবং নদী বেষ্টিত এলাকায় কোল্ডষ্টরে স্থাপনের উদ্যেগ নিত তাহলে আমাদের অনেক উপকার হত। নিজ উপজেলায় কোল্ডষ্টর হলে আমাদের যান বাহন খরচ কম লাগত আমরা পুসিয়ে নিতে পারতাম। 

উপজেলার কৃষি অফিসের উপ-সহকারী জনাব মোস্তফা কামাল বলেন, এবারে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা আলু চাষিদের শুরু থেকে বিভিন্ন রকমের রোগবালাই সম্পর্কে অবগত করিয়েছি। তিনি বলেন আমাদের উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিস থেকে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নতুন জাতের সানসাইন গোল আলুর বীজ দিয়েছি যা বাজারে অধিক রপ্তানি যোগ্য। এ আলুতে রয়েছে অনেক ক্যারটিন পুষ্টি। যা মানুষের শরিরের পুষ্টির ঘাটতি পুড়ন করে। সানসাইন গোল আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে যা আলু চাষিদের মাঝে ব্যাপক সারা পড়েছে।" 

এমএসএম / এমএসএম

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেল লাইন নির্মাণ কাজ বন্ধের পাঁয়তারা

এমপির প্লাবণভুমি উপকেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময়

ধামইরহাটে জমি দখল ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার

শান্তিগঞ্জে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে চাঁদার চাপে মুরগি ব্যবসায়ীরা!

পবিপ্রবির প্রথম গেটের সামনের সড়কের বেহাল দশা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা

বাঘায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

আওয়ামী লীগ-কে ফেরাতে ৯৬'র মতো যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে জামায়াত -রাশেদ খান

সাঁথিয়ায় হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সারাদেশের নেয় শ্যামনগরে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার

একযুগের বেশি শিল্পকলা একাডেমি বন্ধ, বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের টাকার সন্ধান নেই

জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন