ঢাকা বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

উলিপুরে ঈদ বাজারে ক্রেতাদের অপেক্ষায় বিক্রেতারা


আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর photo আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর
প্রকাশিত: ২২-৪-২০২২ দুপুর ১১:৫৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে খুচরা ও পাইকারি পোশাক বিক্রেতারা ক্রেতাদের অপেক্ষায় হতাশায় দিন পার করছেন। ঈদের বাকি আর মাত্র ১০ দিন। তবে এ এলাকায় এখনো জমে ওঠেনি ঈদ বাজার। রমজানে এ উপজেলার অধিকাংশ দোকানেই ক্রেতার দেখা মিলছে না। ব্যবসা মন্দার জন্য করোনা পরবর্তী মানুষের আর্থিক সংকট ও নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিকেই দায়ী করছেন ব্যাবসায়ীরা।

সরেজমিন দেখা যায়, উলিপুর সহ উপজেলার অন্যান্য এলাকায় ক্রেতা সমাগম অনেক কম। ২০ রমজান পেরিয়ে গেলেও ভাটা পড়েছে কাপড় ব্যবসায়। দোকানিদের দিন কাটছে ক্রেতার আশায়। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও ক্রেতার দেখা মিলছে না। দু’একজন যারা আসছেন তারা পোশাক কিনছেন সীমিত। অধিকাংশ বিক্রেতা অলস সময় কাটাচ্ছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, ঈদুল ফিতরে মানুষ সাধারণত বেশি পোশাক কেনাকাটা করে থাকে। তবে এবার নতুন পোশাকের চাহিদা অনেক কম। তাই তাদের বিক্রির পরিমাণও কম। তারা বলছেন, রমজানের শুরু থেকেই ক্রেতারা আসতে শুরু করে। ১০ রমজান থেকে বেচাকেনা জমে ওঠে। তবে এবার ক্রেতাশুন্য।

উপজেলা সদরের রানা বস্ত্রালয় নামে একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতাশূন্য থাকায় ৫ জন বিক্রয়কর্মী বসে অলস সময় কাটাচ্ছেন। এ দোকানের মালিক শাহাদাৎ হোসেন সাদা জানান, এখন বেচাকেনা খুব কম, খুব খারাপ অবস্থা।

কে আর বস্ত্রালয় শ্রী অকুল শাহ জানান, বর্তমানে আমাদের মার্কেটে কাস্টমার পরিস্থিতি খুবই কম। রমজানের এ সময়ে আপনি এখানে ক্রেতার ভিরে দোকানে দাঁড়ানোর জায়গা পেতেন না। অন্যান্য বছরে রমজানের এ সময় আমার দোকানে দৈনিক খুচরা ও পাইকারি বিক্রি ছিল ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ  টাকা। এবার ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকাও বিক্রি হচ্ছে না।

অন্যদিকে সাধনা বস্ত্রালয় এর মালিক শ্যামাপদ শাহা জানান, দুই বছরতো করোনার কারণে ব্যবসার মূলধন হারিয়েছি। ভেবেছিলাম এবার কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে উঠবো। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মালামাল ক্রয় করেছি। তবে চলতি বছরও হলো না। ঈদ উপলক্ষে বেচাকেনা এখনও জমে ওঠেনি।

এদিকে কোনো কোনো দোকানে গিয়ে দেখা যায়, মন খারাপ করে বসে আছেন বিক্রেতারা। ক্রেতা সমাগম কম বলে অনেকটা মাথায় হাত তাদের। উপজেলার আলামিন বস্ত্রালয়, রেজিয়া ক্লোথ ষ্টোর, আলম ক্লোথ ষ্টোর এবং উপজেলার ইউনিয়ন গুলোর মধ্যে থেতরাই, জুম্মাহাট, বজরা, কাশিমবাজার বাজারের সত্ত্বাধিকারী মাহাফুজার, আলম, মোশারফ, মাইদুল, আজগার, জামাল সহ আরও অনেকে জানান, মাথায় হাত দিয়ে বসে আছি। বেচাকেনা নাই। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগের মূলধন বাদে ঋণ নিয়ে আরও লাখ লাখ টাকা লগ্নি করেছি। যা পরিস্থিতি তাতে কাপড় ব্যবসা বাদ দিতে হবে। করোনায় মানুষের আর্থিক সংকট ও নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতিকেই দায়ী করছেন এ ব্যবসায়ী। তারপরেও তারা আশাবাদী ঈদের বাজার জমজমাট হবেই।

উলিপুরের দোকান মালিক সমিতির প্রচার সম্পাদক জনাব রেজাউল করিম জানান, এবারে ঈদের বাজারে এখন পুরোপুরি ভাবে বেচাকেনা শুরু হয়নি। করোনার কারণে অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে এ অবস্থা চলতে থাকলে আরও অনেকেই একি পথ বেছে নেবেন বলে জানান।

এমএসএম / জামান

মাগুরায় তেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যা রহস্য উদঘাটন, ৪ গ্রেফতার

রোববার জঙ্গল সলিমপুরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইজিপি

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেক কর্মকর্তার পোস্ট, এরকম অপরাধ কে না করে আমিও করি"

আদমদীঘিতে গাাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার

ঈদে পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায়, হোটেল-রিসোর্টে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

রায়পুরে কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে আসামিকে পালাতে সহযোগিতায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে

কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার - কুমিল্লায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী

ঝিনাইদহে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা'র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের রিমান্ড মঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল পেয়ে উচ্ছ্বসিত মনিগ্রাম ইউনিয়নবাসী

গোপালগঞ্জে ত্রিমুখী সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৫০