ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উলিপুরে তিস্তাগর্ভে বিলীন বাদামসহ ক্ষেত


আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর photo আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর
প্রকাশিত: ২১-৫-২০২২ দুপুর ১২:১৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর চরে বাদামের বাম্পার ফলন হলেও তিস্তাগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তীব্র স্রোতের কারণে তিস্তার চরের বাদাম চাষিদের স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে। এবার বাদামের বাম্পার ফলন হলেও একরের পর একর বাদামসহ জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের জুয়ান সতরারচর, পানিয়ালের ঘাটেরচর ও গোড়াইপিয়ারেরচর এরলাকায় তিস্তার বুকে পানি কম থাকলেও ঘন ঘন বৃষ্টির হওয়ার ফলে উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর বুকে তীব্র স্রোত বয়ে যাচ্ছে। ফলে চর এলাকার তিস্তাপাড়ে থাকা বাম্পার ফলন হওয়া বাদামের ক্ষেত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যচ্ছে। এতে বাদাম চাষিরা অনেকে বিপাকে পড়েছেন।
 
বাদাম চাষিরা বলেন, আর মাত্র ২০-২৫ দিন পেরিয়ে গেলেই আমরা বাদাম ঘরে উঠাতে পারতাম। আমাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল তিস্তা নদী।

তিস্ততার মধ্যে ভেসে ওঠা চরে বাদাম চাষিদের মধ্যে আব্দুল বাতেন, রায়হান, তাজিবর, আব্দুস সোবাহান, জসিম, আইয়ুব, ফজলু, গোলজার, মুহসিনসহ অনেকে বলেন, আমাদের বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছিল। কিন্তু তিস্তা নদী আমাদের এ স্বপ্ন ভেঙে চুর মার করে দিল। আমরা লোনের পর লাভের ওপর টাকা নিয়ে বাদাম চাষ করেছি। সে বাদাম এখন তিস্তা নদীর পেটে। আমরা এসব লোনের টাকা লাভের টাকা কিভাবে পরিশোধ করব, কিভাবে আমরা পরিবারের ছোট ছোট সন্তান নিয়ে সংসার চালাব? আমরা নিরুপায় হয়ে পড়েছি।

অসহায় এক বাদাম চাষি আব্দুল বাতেন বলেন আমি ৫ একর জমিতে বাদাম চাষ করেছি। বাদামের ফলনও ভালো হয়েছিল কিন্তু তিস্তা নদী আমারে ধ্বংস করে দিল। আমি একরপ্রতি খরচ করেছি প্রায় ৫০ হাজার টাকা। ৫ একরে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই খরচের টাকা আমি কোথায় পাব? আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
 
তিনি আরো বলেন, আর মাত্র ২০-২৫ দিন অতিবাহিত হলেই আমি বাদাম ঘরে উঠাতে পারতাম। আমি কার কাছে আমার খরচের টাকা পাব, কেই বা আমাকে দেবে?

উপজেলার কৃষি অফিসের উপ-সহকারী জামিল হোসেন বলেন, তিস্তার স্রোতে চর এলাকার কিছু কিছু চরের পাড়ে বাদামসহ জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এতে বাদাম চাষিরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বাদাম চাষিদের এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আমি উপজেলা কৃষি অফিসে বাদাম চাষিদের তালিকা করে জমা দেব। সরকারিভাবে যা বরাদ্দ আসে তা সঠিকভাবে বিতরণ করা হবে।

তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, উক্ত ইউনিয়নের তিস্তায় ভেসে ওঠা চরের ভাঙন রোধের কোনো পরিকল্পনা নেই বা কোনো বাজেটও নেই। তাই বাদাম চাষিদের উচিত তাড়াতাড়ি বাদাম ঘরে ওঠানো।
 
তিনি আরো বলেন তিস্তাপাড়ের কায়েম এলাকাগুলোর মধ্যে পাকার মাথা ও শেখেরটেকসহ কয়েকটি জায়গায় তিস্তার ভাঙনরোধে দু-এক দিনের মধ্যে প্রস্তাব পাঠাব। আশা করি অতিদ্রুত নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু করতে পাবর।

এমএসএম / জামান

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেল লাইন নির্মাণ কাজ বন্ধের পাঁয়তারা

এমপির প্লাবণভুমি উপকেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময়

ধামইরহাটে জমি দখল ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার

শান্তিগঞ্জে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে চাঁদার চাপে মুরগি ব্যবসায়ীরা!

পবিপ্রবির প্রথম গেটের সামনের সড়কের বেহাল দশা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা

বাঘায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

আওয়ামী লীগ-কে ফেরাতে ৯৬'র মতো যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে জামায়াত -রাশেদ খান

সাঁথিয়ায় হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সারাদেশের নেয় শ্যামনগরে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার

একযুগের বেশি শিল্পকলা একাডেমি বন্ধ, বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের টাকার সন্ধান নেই

জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন