ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

উলিপুরে তিস্তাগর্ভে বিলীন বাদামসহ ক্ষেত


আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর photo আবুল কালাম আজাদ, উলিপুর
প্রকাশিত: ২১-৫-২০২২ দুপুর ১২:১৬

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর চরে বাদামের বাম্পার ফলন হলেও তিস্তাগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তীব্র স্রোতের কারণে তিস্তার চরের বাদাম চাষিদের স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে। এবার বাদামের বাম্পার ফলন হলেও একরের পর একর বাদামসহ জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের জুয়ান সতরারচর, পানিয়ালের ঘাটেরচর ও গোড়াইপিয়ারেরচর এরলাকায় তিস্তার বুকে পানি কম থাকলেও ঘন ঘন বৃষ্টির হওয়ার ফলে উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা নদীর বুকে তীব্র স্রোত বয়ে যাচ্ছে। ফলে চর এলাকার তিস্তাপাড়ে থাকা বাম্পার ফলন হওয়া বাদামের ক্ষেত নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যচ্ছে। এতে বাদাম চাষিরা অনেকে বিপাকে পড়েছেন।
 
বাদাম চাষিরা বলেন, আর মাত্র ২০-২৫ দিন পেরিয়ে গেলেই আমরা বাদাম ঘরে উঠাতে পারতাম। আমাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল তিস্তা নদী।

তিস্ততার মধ্যে ভেসে ওঠা চরে বাদাম চাষিদের মধ্যে আব্দুল বাতেন, রায়হান, তাজিবর, আব্দুস সোবাহান, জসিম, আইয়ুব, ফজলু, গোলজার, মুহসিনসহ অনেকে বলেন, আমাদের বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছিল। কিন্তু তিস্তা নদী আমাদের এ স্বপ্ন ভেঙে চুর মার করে দিল। আমরা লোনের পর লাভের ওপর টাকা নিয়ে বাদাম চাষ করেছি। সে বাদাম এখন তিস্তা নদীর পেটে। আমরা এসব লোনের টাকা লাভের টাকা কিভাবে পরিশোধ করব, কিভাবে আমরা পরিবারের ছোট ছোট সন্তান নিয়ে সংসার চালাব? আমরা নিরুপায় হয়ে পড়েছি।

অসহায় এক বাদাম চাষি আব্দুল বাতেন বলেন আমি ৫ একর জমিতে বাদাম চাষ করেছি। বাদামের ফলনও ভালো হয়েছিল কিন্তু তিস্তা নদী আমারে ধ্বংস করে দিল। আমি একরপ্রতি খরচ করেছি প্রায় ৫০ হাজার টাকা। ৫ একরে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই খরচের টাকা আমি কোথায় পাব? আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
 
তিনি আরো বলেন, আর মাত্র ২০-২৫ দিন অতিবাহিত হলেই আমি বাদাম ঘরে উঠাতে পারতাম। আমি কার কাছে আমার খরচের টাকা পাব, কেই বা আমাকে দেবে?

উপজেলার কৃষি অফিসের উপ-সহকারী জামিল হোসেন বলেন, তিস্তার স্রোতে চর এলাকার কিছু কিছু চরের পাড়ে বাদামসহ জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এতে বাদাম চাষিরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বাদাম চাষিদের এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আমি উপজেলা কৃষি অফিসে বাদাম চাষিদের তালিকা করে জমা দেব। সরকারিভাবে যা বরাদ্দ আসে তা সঠিকভাবে বিতরণ করা হবে।

তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, উক্ত ইউনিয়নের তিস্তায় ভেসে ওঠা চরের ভাঙন রোধের কোনো পরিকল্পনা নেই বা কোনো বাজেটও নেই। তাই বাদাম চাষিদের উচিত তাড়াতাড়ি বাদাম ঘরে ওঠানো।
 
তিনি আরো বলেন তিস্তাপাড়ের কায়েম এলাকাগুলোর মধ্যে পাকার মাথা ও শেখেরটেকসহ কয়েকটি জায়গায় তিস্তার ভাঙনরোধে দু-এক দিনের মধ্যে প্রস্তাব পাঠাব। আশা করি অতিদ্রুত নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু করতে পাবর।

এমএসএম / জামান

লাকসামে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের উদ্যোগে বাঁশখালীতে ত্রাণ বিতরণ

বাগেরহাটে জালে আটকা পড়া বিশাল অজগর আটক, পরে সুন্দরবনে অবমুক্ত

লাকসামে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ পালিত

মান্দায় মহিলাদল নেত্রীর ক্ষমতায় কাটা হচ্ছে সরকারি রাস্তার দুই শতাধিক গাছ

খুলনায় ৬০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের চোরাই মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২

কুড়িগ্রামে ৯০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, জরিমানা

ঝিনাইদহে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীতে এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম, বৃষ্টির মধ্যেই পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালো ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক

ধামইরহাটে বিজিবি'র অভিযানে নেশার সিরাফ উদ্ধার

মাগুরা সদর হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানির ফিল্টার স্থাপন, রোগী-স্বজনদের স্বস্তি

কুমিল্লায় জলাবদ্ধতার মধ্যেও থেমে নেই পরীক্ষা, নৌকায় চড়ে কেন্দ্রে শিক্ষার্থীরা