রেলের ল্যাব টেষ্টে রিজেক্ট হওয়া মালামাল ব্যবহার করছে পাহাড়তলী ওয়ার্কসপে
রেলের ওয়াগন মেরামত ও খুচরা যন্ত্রাংশ ব্যবহারের পুর্বে ল্যাবে পরীক্ষা করে সঠিক মান যাচাই করে ব্যবহার করার নিয়ম থাকলেও কতিপয় অসৎ কর্মকর্তার কমিশন বাণিজ্যের ফলে ঠিকাদারের সরবরাহকৃত মালামাল পরীক্ষা না করে ব্যবহার এমনকি ল্যাব টেষ্টে রিজেক্ট হওয়া মালামালও ব্যবহার করছেন বলে অভিযো ওঠেছে। আবার পণ্য ব্যবহারের পরে ল্যাবে সেম্পল পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ আছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাহাড়তলী ক্যারেজ এবং ওয়াগন মেরামত কারখানার দায়িত্বশীল কর্মকতাদের বিরুদ্ধে।

রেলওয়ে সুত্রে জানা যায় বগি মেরামত বা ইঞ্জিনের যেকোন যন্ত্রাংশ ব্যবহারের পুর্বে গুনগত মান নিশ্চিত করার জন্য পাহাড়তলীতে রয়েছে রেলওয়ের নিজস্ব পরীক্ষাগার। সেখানে প্রত্যেকটি পণ্য পরীক্ষায় গুনগত মান সঠিক থাকলে ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তা না করেই নিম্নমানের মালামাল নিশ্চিন্তে ব্যহার করছেন। এর ফলে একদিকে যেমন অর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে সরকারি সেবামুলক এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যদিকে থেকে যাচ্ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও।
গত ২০২০ও ২০২১ সালে মো. জাহাঙ্গীর নামের রেলওয়ের এক সরবারাহকারি দেওয়া ফ্লোরিং কম্পেজিশন রেড ও ক্রিষ্টাল দানা পরীক্ষা ছাড়াই ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়ম রক্ষার কারনে পরীক্ষার জন্য সেই ব্যবহার করা পণ্যের সেম্পল ল্যাবে পাঠিয়েছে চলতি বছরের মার্চে। সেখানে পরীক্ষায় প্রাপ্ত পলাফলে দেখা গেছে ব্যবহার করা পণ্যগুলো খুবই নিম্নমানের। ফ্লোরিং কম্পোজিশন রেড এ ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড থাকার কথা মিনিমাম ২৫ শতাংশ কিন্তু সেটিতে আছে মাত্র ১৬ শতাংশ, একইভাবে ক্রিষ্টাল দানায় ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড থাকার কথা ৯৫ শতাংশ কিন্তু আছে মাত্র ৮০ শতাংশ। এছাড়া মোরশেদ নামের অপর এক সরবরাহকারির দেওয়া হাই স্পীড টুল এ কমপক্ষে ১৮ শতাংশ টাংস্টেন থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৯ শতাংশ।
নিম্নমানের পণ্য ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করে সরবরাহকারি মো. জাহাঙ্গীর বলেন আমার দেওয়া ফ্লোরিং কম্পোজিশন আরো আগেই ব্যবহার করা হয়েছে রেট কম ধরা হয়েছে বিধায় ভালমানের পন্য সরবরাহ সম্ভব হয়নি।
এসব ব্যপারে পাহাড়তলী পরীক্ষাগারের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন আমরা শুধু পরীক্ষা করে রিপোর্ট প্রদান করি, কোনটা ব্যবহার করবে আর কোনটা রিজেক্ট করবে তার দায়িত্ব ব্যবহারকারীদের। নিম্নমানের পণ্য ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন যদি ন্ম্নিমানের পণ্য ব্যহার করে থাকে তবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে রেল। সুতরাং ব্যবহারের আগে অবশ্যই গুনগত মান নিশ্চিত হওয়া উচিত।
এব্যপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাহাড়তলী ক্যারেজ এবং ওয়াগন মেরামত কারখানার ম্যানেজার রাশেদ লতিফ মান ঠিক না থাকায় একটা পণ্য রিজেক্ট করা হয়েছে বলে জানালেও কোনটা রিজেক্ট হয়েছে এবং বাকীগুলো কেন বাতিল হয়নি এমন প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি।
এসব বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মো. বোরহান উদ্দিনের কাছে একাধিকবার জানতে চেয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।
এমএসএম / এমএসএম
ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ
শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন
রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা
ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার
শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা
দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা
নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল