ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির আবেদিত জমি দ্রুত হস্তান্তরের দাবি


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২৮-৫-২০২২ দুপুর ৩:৩৬

 জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের পণ নিয়ে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া রণাঙ্গনের প্রায় ১২০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে গঠন করা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটি। যাহার জামুকা নিবন্ধন নং-১৬৩/২০১৩। যাদের বেশিরভাগই আর্থিকভাবে খুব দুর্বল, অনেকেরই নেই বসতভিটাও। নিজেদের একটা থাকার ঘর হবে এই আশা নিয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন সারাটি জীবন কিন্তু না বিধি বাম হওয়ায় সেই স্বপ্ন পুরণের আগেই অনেকে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। আরা যারা বেঁচে আছেন তাদের চোখে এখনো সেই স্বপ্ন রয়ে গেছে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একটি আবাসন কিভাবে করে দেওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় আশার আলো দেখেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি জাতির জনকের কণ্যা যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় তখন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। সেই আশায় চট্টগ্রামের ফৌজদার হাট এলাকায় ১ নং খাস খতিয়ানের ৩৫৩,৩৫৪,৩৫৫,৩৫৯ ও ৩৬০ দাগের অন্দর ২১ একর জমি সংগঠনের নামে বরাদ্দ পাওয়ার জন্য যথাযথ নিয়ম মেনেই সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আবেদিত জমি এবং সমিতির কার্যক্রম সম্পর্কে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য চট্টগ্রামের ডিসিকে ( জেলালা প্রশাসক) একটি চিঠি পাঠান গত বছরের ৮ এপ্রিল ভুমি মন্ত্রনালয়ের উপসচিব মঈনউল ইসলাম। সেই মোতাবেক সংগঠনের অনুকুলে স্থানীয় ইউনিয়ন ভুমি অফিস, কানুনগো ও এসি ল্যান্ডের (সহকারী কমিশনার ভুমি) পাঠনো তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারী মন্ত্রনালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে ডিসির প্রতিবেদনে কিছু অপ্রাসংগিক বিষয় তুলে ধরলেও আবেদিত ফাইলে এর কোন সম্পর্ক নাই। 

প্রতিবেদনের আলোকে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির পক্ষে দাবী করেন সমস্ত প্রতিবেদন তাদের পক্ষে রয়েছে এখন সরকারের সদিচ্ছা থাকলে যে কোন সময় রাজস্ব আদায় করে আবেদিত জমিগুলোর কাগজ-পত্র তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে আর কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। এই বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা হাসানুল আলম মিথুন বলেন বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের একটি সুন্দর আবাসন উপহার দেওয়ার লক্ষে আমরা খেয়ে না খেয়ে সরকারী আমলাদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে ধর্না দিয়েছি। বর্তমানে ফাইলটি মন্ত্রনালয়ে আছে সরকারের সদিচ্ছা থাকলে যেকোন সময় আমাদের কাছে থেকে রাজস্ব আদায় করে বৈধ কাগজ-পত্র বুঝিয়ে দিতে পারে। তবে চট্টগ্রামের ডিসির প্রতিবেদনে অন্য যে আবেদনের কথা বলা হয়েছে তা আগেই খারিছ করে দেওয়া হয়েছে। এবং যে ধারায় লিজ বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে আমরা সে ধারায় আবেন করিনি। আমরা ৩ এর (ত) ধারায় আদেন করেছি যা আমরা পাওয়ার দাবী রাখি। ডিসির প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন যে ধারা আমাদের ফাইলে নেই এবং যে আবেদনগুলো খারিজ হয়েছে সেগুলো প্রতিবেদনে উল্লেখ করে আমাদের হয়রানি করছে।        

সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় দৈনিকে ৩৬০ দাগের ৪.৭০ একর জমিতে হার্ট স্পেশাল হাসপাতাল নির্মাণের একটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে উল্লেখ করে মিথুন বলেন এই দাগেই কেন হাসপাতাল করতে, এই এলাকায় কয়েক হাজার একর জমি খালি পড়ে আছে আবার জামাত বিএনপিও দখল করে খাচ্ছে সেদিকে কারো কোন নজর নেই অথচ মুক্তিযোদ্ধারা একটু জমি নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করায় তা নিয়ে চলছে গভীর ষড়যন্ত্র। 

এসব ব্যপারে কথা বলতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।এব্যপারে চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার মো. শহীদুল হক চৌধুরী (সৈয়দ) বলেন আমাদের কিছু অসহায় মুক্তিযোদ্ধারা এই জমিটি দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছেন। তারা জমিটি বরাদ্দ পাওয়ার দাবীদার। এই বিষয়ে ডিসি সাহেবের সাথে আমিও কথা বলেছিলাম। জমিটি পাওয়ার ব্যপারে তিনি আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমার মনে হয় এটি নিয়ে একটি গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। একটি পক্ষ সরকারকে ভুল বুঝিয়ে আমাদের কাছে কালার করতে চায়। হাসপাতালের ব্যপারে তিনি বলেন আমরা হাসপাতালের বিপক্ষে নই তবে এটা বলতে চাই যে ওই এলাকয় হাসপাতাল করার জন্য প্রচুর জমি খালি আছে। এমনকি ৩৫৯ দাগটি রাস্তার পাশে আছে এবং সেখানে প্রায় ৪৭ একর জমি আছে চাইলে ওরা সেখান থেকে ৪/৫ একর বা আরো বেশি জমিতে হাসপাতাল করতে পারে কিন্তু মাননীয় মুখ্য সচিব মহোদয়কে আমাদের জায়গার উপর দিয়ে ঘুরিয়ে এনে নিল নকশা বাস্তবায়ন করতে চাইছে বলে আমি মনে করি। 
মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন আমাদের সংগঠনে ১২০ জন অসহায় মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। যাদের অনেকেই আর বেঁচে নেই। ১৯৯৬ সাল থেকে অনেক আশা নিয়ে আমরা আবেদিত জমিটি রক্ষণাবেক্ষণ করছি। যথাযথ প্রক্রিয়ায় আমরা সরকারের কাছে আবেদনও করেছি। আমাদের আশেপাশে আরো অনেক জমি বিভিন্ন লোকজন কোন আবেদন ছাড়াই ভোগ দখল করে আছেন এমনকি সন্ত্রাসী বাহিনী এবং জামাত বিএনপির লোকজনও নির্বিঘ্নে দখল করে খাচ্ছেন তাতে কারো মাথা ব্যথা নেই। শুধু আমাদের জমিটি নিয়ে একটি মহল নানা টালবাহানা করছে। আমাদেরও বয়স হয়েছে এখন আগের মত সময় দিতে পারছিনা আমরা আশা করব সরকার মহাশয় যেন দ্রুত আমাদের আবেদিত জমির কাগজ পত্র আমাদের বুঝিয়ে দেন, অন্তত আমাদের সন্তানরা যাতে একটু মাথা গোজার ঠাই পায়। 

হাসপাতালের বিষয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন চট্টগ্রামে একটি সরকারি হার্ট স্পেশাল হাসপাতাল করার কথা শুনেছি তবে এখনো জমি নির্ধান করা হয়নি। জেলা প্রশাসন থেকে আমাদের জমি বুঝিয়ে দিলে আমরা পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করব।

এমএসএম / এমএসএম

রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ

মাসুদ রানা দরিদ্রদের বিনামূল্যে দিলেন ৪০ টি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান

কুড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ , নেতৃত্বে তহসিলদার মফিজুল

হাতিয়ায় একটি পরিবারে মা মানসিক রোগী ও ছেলে জন্মগত প্রতিবন্ধী হওয়ায় চলছে তাদের দুর্বিষহ জীবন

খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুমিল্লায় দোয়া মোনাজাত

বাংলাদেশ রেলওয়ে: ঘুষ ছাড়া স্বাক্ষর করেন না ডিআরএম

রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ

সোনাগাজীতে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে দুই ব্যাক্তির সাজা

কুমিল্লায় ধর্মরক্ষিত মহাথের’র ৫ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও কনকস্তূপ বৌদ্ধ বিহার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

অবৈধ কয়লা উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি চুল্লি

শীতে কাঁপছে দেশ" বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন করলেন দলের আরেক প্রার্থী!

পথে পথে ঘুরে হতদরিদ্রদের মাঝে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন তানোর সাংবাদিক ক্লাব পরিবার (টি.এস.সি)