তিস্তার গর্ভে বিলীন হওয়া নিঃস্ব মানুষের নদী সংস্কারের দাবি
কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তার গর্ভে বিলীন হওয়া নিঃস্ব মানুষের নদী সংস্কারের দাবি। তিস্তা পাড়ের বসত ভিটে হুমকির মুখে। নদীর পাড়ের মানুষ এখন আতংকে দিন পার করছেন। তাদের খাওয়া দাওয়া নেই বললেই চলে। কখন বসত ভিটে নদী গর্ভে চলে যায়। তাদের একটাই দাবি সরকার যেন আমাদের নদী সংস্কার করে দেয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিস্তার পাড়ের মানুষের করুন অবস্থা। তারা কাজ কর্ম ছেড়ে তিস্তার পাড়ে চিন্তিত ভাবে বসে আছে তিস্তার পাড়ের নারী-পুরুষেরা। তারা চিন্তাই করতে পারতেছেননা তাদের বাপ দাদার বসতভিটে নদী গর্ভে চলে যাবে। তারা বলেন, যদি সরকার আমাদের তিস্তা নদী সংস্কার না করে তাহলে আমাদের বাড়ি ভিটে ও বাঁধের রাস্তা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। তাতে করে থেতরাই ইউনিয়নের তিস্তা পাড়ের প্রায় ১শ থেকে ২শ পরিবার হুমকির মধ্যে পড়ে যাবে।
তিস্তার পাড়ের হুমকির মধ্যে পড়া এলাকা গুলোর মধ্যে দলদলিয়া, গোড়াইপিয়ার, অর্জুন, শেখের টেক, পাকার মাথা, কুমার পাড়া, বামন পাড়া, নগর পাড়া, বকশি পাড়া, হোকডাঙ্গা, মাঝিপাড়া, নন্দুনেফড়া, নাগড়াকুড়া, খামার দামারহাট সহ আরও অনেক এলাকা। এসব এলাকায় আগাম ভাঙ্গন রোধের প্রস্তুতি না নিলে কিছু দিনের মধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিস্তার পাড়ের কুমার পাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিম বলেন, আমি অনেক দিন থেকে প্যারালিষ্ট রোগে অসুস্থ হয়ে আছি। আমার ৩ মেয়ে ১ ছেলে আছে। আমি চলতে পারিনা ঠিকভাবে দু'বেলা ভাত খেতে পারিনা। আমি এখন টাকা রোজগার করতে পারিনা। একদিকে অভাব অন্যদিকে নদীর পাড়ে আমার বসত ভিটে। যে কোন সময় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। তার পরেও তিনি বলেন, আমি কোন সাহায্য চাইনা আমার একটাই চাওয়া পাওয়া সরকার যেন আমাদের তিস্তা নদী সংস্কার করে দেয়। আমি কিছুই চাইনা বলেই কেদে ফেলেন।
গোড়াইপিয়ারের শাহ ফকির মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমার বস্ত ভিটে বর্তমান তিস্তা নদী গর্ভে। আমি নিঃস্ব হয়েছি তাতে আমার দুঃখ নেই। তিস্তার পাড়ে শত শত অসহায় লোক আছে তারা যেন আমার মত নিঃস্ব না হয়। তিনি বলেন সরকার যেন আমাদের তিস্তা নদী সংস্কার করে দেয়। আমরা টাকা পয়সা সাহায্য চাইনা। আমারা চাই নদী সংস্কার।
এ ছাড়া তিস্তার পাড়ের শহিদুল, বজলুল, ইলিয়াস, শহিদুল, ছামেদ আলী, আব্দুল হাকিম, আছিয়া, জরিনা, জাহানারা বুড়ি সহ আরও অনেকে বলেন, আমরা সরকারের কাছ থেকে কিছুই চাইনা শুধু তিস্তা নদী সংস্কার চাই। সরকার যেন নদী সংস্কার করে আমাদের বসত ভিটের মধ্যে থাকতে দেয়। তারা আরও বলেন নদী বহুবার করে আমাদের বাড়ি ভিটে ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। আমরা এখন তিস্তার পাড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে আছি।
তিস্তা নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-প্রকৌশলী জনাব নজরুল ইসলাম বলেন,থেতরাই ইউনিয়নের তিস্তার পাড়ের কায়েম এলাকা গুলোর মধ্যে পাকার মাথা ও শেখেরটেক সহ কয়েকটি জায়গায় তিস্তার ভাঙ্গন রোধের জন্য দু'এক দিনের মধ্যে প্রস্তাব পাঠাব। আশা করি অতি তারাতারি নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু করে দিবো।
এমএসএম / এমএসএম
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেল লাইন নির্মাণ কাজ বন্ধের পাঁয়তারা
এমপির প্লাবণভুমি উপকেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময়
ধামইরহাটে জমি দখল ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার
শান্তিগঞ্জে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে চাঁদার চাপে মুরগি ব্যবসায়ীরা!
পবিপ্রবির প্রথম গেটের সামনের সড়কের বেহাল দশা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা
বাঘায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
আওয়ামী লীগ-কে ফেরাতে ৯৬'র মতো যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে জামায়াত -রাশেদ খান
সাঁথিয়ায় হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার
সারাদেশের নেয় শ্যামনগরে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত
দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার
একযুগের বেশি শিল্পকলা একাডেমি বন্ধ, বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের টাকার সন্ধান নেই