চট্টগ্রামে এল এ শাখায় দালাল সিন্ডিকেটে জিম্মি ভূমি মালিকেরা
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী একটি দালাল সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের কারণে প্রকৃত ভূমির মালিকেরা প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাদেও কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে প্রকৃত ভ’মি মালিকেরা।
জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের এল এ মামলা নং ৩০/২০২৬-২০১৭ মূলে সরকার অধিগ্রহণ করেছে এবং ৭ ধারায় ভূমির মালিকদের নোটিশ প্রদান করেন। এল এ শাখা থেকে ভূমি অধিগ্রহণের টাকা পেতে পদে পদে হয়রানির শিকার হচ্ছে ভূমির মালিকেরা। এল এ অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে চুক্তিতে না আসলে এবং দালালদের মাধ্যমে কাগজ পত্র না আসলে ঘুরতে হচ্ছে বছরের পর বছর। হয়রানির শিকারও হতে হচ্ছে প্রতি নিয়ত। দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হয় না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে এল এ শাখায় মৃত রবিন্দ্র লাল দত্তের পুত্র দুদুল দত্ত, মৃত মহেশ চন্দ্র গুপ্তর পুত্র রতন গুপ্ত, মৃত সুকেন্দ্র বিকাশ দাশের পুত্র অশু দাশ, সমির বসুর পুত্র রবি বসু, মৃত রাম চন্দ্র চৌধুরীর পুত্র পঙ্কজ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ভূমির মালিকদের কাছ থেকে জাল জালিয়তির মাধ্যমে ক্ষমতাপত্র নিয়ে গড়ে তোলে দালাল সিন্ডিকেট। বিভিন্ন মানুষের জায়গার টাকা চুক্তি করে তারা তুলে দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। চক্রটির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক নিজেই একাধিকবার অভিযান চালালেও রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। উক্ত ভূমির মালিকানা জটিলতা নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধিন রয়েছে। বিচারাধিন জায়গার টাকা অবৈধভাবে উত্তোলনের চেষ্টা করায় দালাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গত ২৪ মে জেলা প্রশাসকের কাছে সবুজ গুপ্তসহ কয়েকজন লিখিত অভিযোগ করেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এল এ শাখা সূত্রে জানায়, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন টানেল প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের টাকা ভূমির মালিকদের ক্ষতিপুরণ বুঝে নেয়ার জন্য ২০১৮ সালে ৭ ধারা নোটিশ প্রদান করে। এতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এরমধ্যে তৎতালিন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা আসিফ ইমতিয়াজ, অতিরিক্ত ভূমি কর্মকর্তা হামিদুল হক, সার্ভেয়ার মাহমুদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মোমিন, সৈকত চাকমা, এ.কে আজাদ খাঁন, মোবারক হোসাইন, মাসুদুর রহমান, কানুনগো জয় প্রকাশ চাকমা যৌথ স্বাক্ষরিত একটি পত্র পাঠান। উক্ত জায়গার মালিকানা নিয়ে সিনিয়র সহকারী জজ ২য় আদালত, পটিয়া মামলা বিচারাধিন রয়েছে। কর্ণফুলী থানাধিন বন্দর মৌজার ভূমির মালিকানা জটিলতা নিয়ে রনজিত গুপ্ত ও তিলক গুপ্ত বাদী এবং মিলন সেনসহ ৭১ জন বিবাদী করে ২০১৭ সাল থেকে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা বিচারধিন রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী সবুজ গুপ্ত জানান, আমাদের জায়গা টানেলে পড়লেও এল এ শাখার কিছু দালাল চক্র আমাদের বাদ দিয়ে দালালদের সাথে নিয়মিত বৈঠক করে তাদেরকে টাকা দেয়ার চেষ্টা করে আসছে। কারণ জানতে চাইলে আমরা নাকি জায়গা বিক্রি করে দিয়েছি। কার কাছে কখন বিক্রি করেছি কাগজ পত্র দেখতে চাইলে তারা কোন ধরণের সঠিক উত্তর না দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এল এ শাখার লোকজনকে আমরা ঘুষ দিব না বলাতে দালাল চক্রের মাধ্যমে আমাদেরকে হয়রানি করতেছে। আমরা আনেয়ারা-কর্ণফুলীর এমপি মাননীয় ভূমি মন্ত্রী আলহাজ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এমএসএম / এমএসএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
মাসুদ রানা দরিদ্রদের বিনামূল্যে দিলেন ৪০ টি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান
কুড়িপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ , নেতৃত্বে তহসিলদার মফিজুল
হাতিয়ায় একটি পরিবারে মা মানসিক রোগী ও ছেলে জন্মগত প্রতিবন্ধী হওয়ায় চলছে তাদের দুর্বিষহ জীবন
খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় কুমিল্লায় দোয়া মোনাজাত
বাংলাদেশ রেলওয়ে: ঘুষ ছাড়া স্বাক্ষর করেন না ডিআরএম
রাজস্থলীতে ভূমি অধিগ্রহনের খতিগ্রস্থ দের মাঝে ৬জনকে চেক বিতরণ
সোনাগাজীতে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগে দুই ব্যাক্তির সাজা
কুমিল্লায় ধর্মরক্ষিত মহাথের’র ৫ম মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও কনকস্তূপ বৌদ্ধ বিহার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
অবৈধ কয়লা উৎপাদনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৭৪টি চুল্লি
শীতে কাঁপছে দেশ" বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের আবেদন করলেন দলের আরেক প্রার্থী!