পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলোচনায় নেই ধ্বংসের মূলহোতারা
পাহাড় ধসে মৃত্যু ও আহতের পর যেন ঘুম ভেঙ্গেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। প্রতি বছর বর্ষায় পাহাড় ধসে প্রাণ হারাচ্ছে নিরিহ ব্যক্তিদের। ২/১ টা উচ্ছেদ অভিযান দিয়েই যেন কোন রকমে দায় সারছেন কর্তৃপক্ষ কিন্তু নির্বিচারে পাহাড় কেটে যারা বসতি স্থাপন বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করছেন এমন রাঘব বোয়ালদেও আইনের আওতায় আনতে তেন কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনা বললেই চলে। এবারও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিংয়ে আলোচনায় আসেনি এই বিষয়টি। তাই কর্তৃপক্ষ এর স্থায়ী কোন সমাধান করতে আগ্রহ আছে কিনা তা বরাবরের মতো প্রশ্নই থেকে গেল। পুর্বেও মতো প্রাণহানির পরেই উচ্ছেদ কার্যক্রমসহ একাধিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন বা সামনেও চালাবেন বলে জানানো হয়েছে এই মিটিংয়ে।
গত মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় এক ঘণ্টা চুল ছাড়া বিশ্লেষণ করেন পাহাড়ে অবৈধ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাসবাসকারীদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
গভায় জানানো হয়েছে ২৮টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড় চিহ্নিত করেছেন। পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে অনেক টাকা আছে। তবে তা ব্যবহারের সুযোগ ছিল না। এখন একটি কমিটি করে তা পাহাড়ে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য ব্যবহার করা হবে। পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীদের তালিকা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার ও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বলেন, আমাদের উদ্যোগ আছে, বাস্তবায়ন কঠিন। পাহাড়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম করে বর্ষার শেষে ফের বসবাস করে দেওয়ার নেপথ্যদের পদক্ষেপ কি জানতে চাইলে, কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
সর্বশেষ তিনি বলেন, পাহাড়ে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহারের বন্ধ করে দিলে তা পর্যায়ক্রমে পাহাড়ে বসবাস কমে আসবে। একগুচ্ছ সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের অবৈধ বিদ্যুৎ পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ। পাহাড় ধসের বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ। অবৈধ পাহাড় কর্তন সংক্রান্ত, পরীর পাহাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্তসহ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়।
তবে সভায় পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও বিভাগীয় কমিশনারের পাহাড়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম এবং পুনরায় পাহাড়ে বসবাসকারীদের ব্যাপারে স্থায়ী উচ্ছেদ প্রসঙ্গে এক প্রকার অসহায়ত্বের আভাস দেখা গেছে।
বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন খান, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান প্রমূখ।
এমএসএম / এমএসএম
গজারিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
হাবিবুর রহমান হাবিবের বহিষ্কার ও জেলা কমিটি পুনর্গঠনের দাবি সিরাজুল ইসলাম সরদারের
নোয়াখালীর কবিরহাটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সম্মানে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার অনুষ্ঠান
রায়গঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু
পিসিপি’র খাগড়াছড়িতে ১৭ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন
ধামইরহাটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের সরিষা কেটে নিল প্রতিপক্ষ
জেএসএস’র গুলিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত
আদমদীঘিতে বাশেঁর বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি
মান্দায় রফিকুল হত্যা মামলা নিয়ে পুলিশের তেলেসমাতি
কোনাবাড়ী উলামা পরিষদের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
উলিপুরে হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত