দোহার পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না প্রার্থীরা
ঢাকার দোহার উপজেলার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৭ জুলাই। নির্বাচনী দিন ঘনিয়ে আসায় পৌর এলাকায় জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের প্রচার। কিন্তু আচরণবিধি নিয়ে নীরব প্রশাসন।
আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র মেয়র কাউন্সিলর প্রার্থীদের পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পৌর এলাকা। তবে এক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না নির্বাচন অফিসের দেয়া বিধিনিষেধ। এমনকি বিধিনিষেধ প্রয়োগে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্টদের তৎপরতাও তেমন চোখে পড়েনি।
দোহার পৌর এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কাকডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের দিচ্ছেন নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি। প্রার্থীদের ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো পৌর এলাকা। নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চলছে প্রচার। নির্বাচন কমিশনের আইনে রয়েছে প্রার্থীদের পোস্টার রশি দিয়ে টানাতে হবে এবং লেমিনেটিং করা পোস্টার লাগানো যাবে না। কিন্তু সেটা কেউই মানছেন না। স্কুলের দেয়াল, চায়ের দোকান, ঘরের দরজায় স্টিকার, বিদ্যুতের খুঁটি, অটোরিকশায় স্টিকার লাগানো হয়েছে। তবে প্রার্থীদের দাবি আচরণবিধি মেনেই পোস্টার লাগাচ্ছেন তাঁরা।
সরজমিন দেখা যায়, দোহার পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, মেয়র প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন, মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল এবং মেয়র প্রার্থী মো. ফরহাদ হোসেন আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে ল্যামেনেটিং বা পলিথিনযুক্ত পোস্টার টাঙিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা।
এ ব্যাপারে মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল গত ৮ জুলাই। তখন আমরা জানতাম না ল্যামেনেটিং করা বা পলিথিনযুক্ত পোস্টার টাঙানো যাবেনা। আমরা এ বিষয়টি জানতে পারি গত ১৪ জুলাই। আমি জানার পরে পলিথিনযুক্ত পোস্টার অপসারণ করেছি। এখনো দুই এক জায়গায় পলিথিনযুক্ত পোস্টার থাকতে পারে। তবে আমি চেষ্টা করছি পলিথিনযুক্ত পোস্টার অপসারণ করে সাধারণ পোস্টার লাগাতে।
মেয়র প্রার্থী মো. ফরহাদ হোসেনও লেমেনেটিং করা বা পলিথিনযুক্ত পোস্টার টাঙিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা। যা আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে।
এ ব্যাপারে ফরহাদ বেপারী বলেন, আমি লেমোনেটিং পোস্টারের বিষয় আগে জানতাম না। আমি পোস্টারই ছাপিয়েছি কম। তবে আমি এখন এ বিষয়টি জানতে পেরেছি। সেজন্য আমি সব লেমোনেটং পোস্টার খুলে ফেলছি। বাকি যেগুলো আছে সেগুলো আগামীকালকের মধ্যে সরিয়ে ফেলব।
মেয়র প্রার্থী আমজাদ হোসেন বলেন, এগুলো আমরা না জেনে টাঙিয়েছি। আমার কর্মীদের ওই পোস্টার অপসারণ করতে নির্দেশ দিয়েছি।
অপর দিকে ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাইফুল কবির বাবু ও একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.আবুল হোসেন খান এবং আমির হোসেন একই কাজ করে যাচ্ছেন। তবে হাতেগোনা ৪-৫ জন বাদে সবাই লেমেনেটিং পোস্টার লাগাচ্ছেন।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রেজাউল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।
জামান / জামান
যশোরে মাএ ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ৫ মরদেহ উদ্ধার, খুন-রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ
সিংড়ায় আকষ্মিক বন্যায় লোকশানে ভুট্টা চাষি
মিরসরাইয়ে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৭
বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস উদ্ধারে গিয়ে উদ্ধারকারী ট্রেনও লাইনচ্যুত
ঝিনাইদহে ভূয়া এমবিবিএস ডাক্তার সোহরাব হোসেন-এর প্রতারণার শেষ কোথায়?
আদালতের সাথে প্রতারণা জীবিত উকিল আলীকে মৃত বানিয়ে জায়গা দখলের পায়তারা
স্ত্রীসহ তরুণীদের নগ্ন ছবি ধারণ করায় ছিল তার নেশা
গোদাগাড়ীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, তিন দিনব্যাপী ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন
বাঘার ১০ স্কুলে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন, উদ্বোধন করলেন ইউএনও
শরণখোলায় বাকপ্রতিবন্ধী নারীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি
মাদকসেবীকে দুই মাসের কারাদণ্ড