ঢাকা বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

ধামইরহাটে প্রধান শিক্ষক মোসা. আরশেদা খাতুনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ


এম এ মালেক (ধামইরহাট) photo এম এ মালেক (ধামইরহাট)
প্রকাশিত: ২৭-৭-২০২২ দুপুর ১:৩০

নওগাঁর ধামইরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি অর্থ আত্নসাৎ, স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের অর্থ দিয়ে গ্যাসের চুলা ক্রয়, মোটর পাম্প ও পানির ট্যাঙ্কিসহ চুরি করে বিক্রি, অর্থ আত্মসাৎসহ শত অভিযোগ প্রধান শিক্ষক আরশেদা খাতুনের বিরুদ্ধে। সরকারি সম্পদ বিক্রি, বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ, এলাকাবাসী ও অভিভাবক ওই প্রাধান শিক্ষকের অপসারণসহ বিভাগীয় শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাহারুল ইসলামের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জানা যায়, উপজেলার ৬৫নং রামরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরশেদা খাতুন বিদ্যালয়কে নিজের বাড়ির মতো ব্যবহার করেন। সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচরণ, বিদ্যালয়ের জমিদাতা বর্তমান সভাপতির পিতাকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য পেশ করেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পরামর্শ ও মতামত না নিয়ে বিদ্যালয়ের টাকা দিয়ে যেনতেনভাবে কাজ করে সম্পূর্ণ টাকা খরচের হিসাব দিয়ে অবশিষ্ট টাকা আত্নসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের পানির ট্যাঙ্কি এবং পানির পাম্প (মোটর) সবার অজান্তে চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন।

আরো জানা যায়, উপবৃত্তির টাকা পাওয়ার উপযোগী অনেক দরিদ্র পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের না দেয়ায় অভিভাবকবৃন্দ প্রধান শিক্ষকের ওপর ক্ষিপ্ত। প্রধান শিক্ষক আরশেদা খাতুন নিয়মিত স্কুলে না যাওয়ায় এবং সরকারি বিভিন্ন কাজকর্মের অজুহাত দেখিয়ে অফিস ফাঁকি দেন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় তার কোন চিন্তা-ভাবনা নেই। সব সময় থাকেন উদাসীন। মাসিক মিটিং তিনি প্রয়োজন মনে করেন না। বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য স্লিপের টাকা নিজের পছন্দের লোকজন দিয়ে মিটিং ও রেজুলেশন ছাড়াই খরচ করেন। বর্তমান কমিটির মেয়াদ আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত থাকলেও নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতিকে ঢাকতে গত ২২ জুন কমিটির মেয়াদ শেষ বলে ঘোষণা করেন। এমন বিস্তর অভিযোগের কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সকল অভিভাবক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং এলাকাবাসী এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন ও উত্তেজিত। অভিভাবক ও এলাকাবাসী তার অপসারণসহ বিভাগীয় শাস্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর করেছেন এবং জেলা প্রশাসক, দুদক, এনএসআই, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারে দৃষ্টি আকর্ষণ করে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন কমিটির সভাপতি। শ্রীঘ্রই গ্রামবাসী মানববন্ধনও করবেন বলে জানান অভিযোগকারী। 

২০২১-২২ অর্থবছরে স্লিপের ২২ হাজার টাকা আত্নসাৎ, বিজয় ফুল উৎসব, আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতা; এমনকি জাতীয় শোক দিবসের নামে নামমাত্র খরচ দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার ভাউচার প্রদান করেন। বিদ্যালয়ের উন্নয়নের টাকা দিয়ে গ্যাসের চুলা ক্রয় করে নিজের কাজে ব্যবহার করে থাকেন। বিদ্যালয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার বিজয় দিবসে উপস্থিত হলে তাদের বসতে না দিয়ে অসম্মান করেন। স্লিপের টাকা দিয়ে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের পোশাক বানানোর সিদ্ধান্ত হলেও তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে প্রধান শিক্ষক আরশেদা খাতুন চাঁদাও নিয়েছেন।  

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আরশেদা খাতুন বলেন, স্লিপের টাকা দিয়ে স্কুল ড্রেস দিতে গেলে সবাই গরিব সাজবে, তাই ড্রেস কিনে দেইনি। আর সভাপতি আমার বিরুদ্ধে যেসব অর্থ আত্নসাৎ ও অনিয়মনের অভিযোগ করেছেন আসলে তা নয়, সকলের সাথে আমার সুসম্পর্ক আছে।

প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও ধামইরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী মণ্ডল বলেন, আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা  হবে।

এমএসএম / জামান

ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ

শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন

রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার

শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন