দোহারে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বিলাতী গাবের হালি
ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গাছে গাছে ঝুলছে বিলাতি গাব। দোহারের বিভিন্ন বাজার গুলোতেও বিক্রি হচ্ছে সেই বিলাতি গাব। মূলত এটি একটি মৌসুমি ফল আর এখনই এই গাবের মৌসুম। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে এই মৌসুমি ফল। এই সুগন্ধীযুক্ত গাঢ় লাল এই ফল দেখতে তো আকর্ষণীয় বটেই খেতেও ভীষণ মজা।
বিলাতি গাব নামে বিলাতি তো বটেই, এর আদি নিবাসও আমাদের দেশের বাইরে। বিলাতি গাবের আদি নিবাস ফিলিপাইনে। কিন্তু এর স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টিগুণের কারণে প্রায় সারা বিশ্বেই এর চাষ হয়। বিলাতি গাবের ইংরেজি নাম Malobo। একে Korean mango বা Velvet apple নামেও ডাকা হয়। কারণ এটি দেখতে অনেকটা লাল আপেলের মতোই এবং এর গা মখমলের মতো মসৃণ ! বিলাতি গাবের বৈজ্ঞানিক নাম Diospyros balncoi এটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের চিরসবুজ বৃক্ষ।
বিলাতি গাব গাছ আকারে মাঝারি, লম্বায় ১০-৩০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে গাছে ফুল ফোটে এবং জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। কাঁচা ফল হালকা সবুজ বা বাদামি হয়। ফল পাকলে উজ্জ্বল বাদামি বা গাঢ় লালবর্ণ ধারণ করে। পাকা ফলের ভেতরটা সাদা এবং মাখনের মতো নরম। পাকা ফল সুগন্ধী এবং বেশ লোভনীয়। বিলাতি গাব ফল হিসেবে খাবার পাশাপাশি এটা দিয়ে জুস, ডেজার্ট, ফ্রুটকেক, ক্রিম ইত্যাদিও তৈরি করা হয়।
এ ফলের পুষ্টিগুণ ও ব্যাপক। পাকা বিলাতি গাবের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে খাদ্যশক্তি- ৫০৪ কিলোক্যালরি জলীয় অংশ- ৮৩.০-৮৪.৩ গ্রাম আমিষ- ২.৮ গ্রাম চর্বি- ০.২ গ্রাম শর্করা- ১১.৮ গ্রাম খাদ্যআঁশ- ১.৮ গ্রাম চিনি- ১১.৪৭ গ্রাম ক্যালসিয়াম ৪৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ- ৩৫ আইইউ ফসফরাস ১৮ মিলিগ্রাম আয়রন- ০.৬ মিলিগ্রাম থায়ামিন ০.০২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি- ১৮ মিলিগ্রাম সোডিয়াম- ১১০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম ৩০৩ মিলিগ্রাম।
দোহার উপজেলার গেটের সামনে বিলাতি গাব কিনতে আসা রহিমা বেগম বলেন, বিলাতি গাবে অনেক পুষ্টি রয়েছে। খেতেও সুস্বাদু তাই এই গাব বিক্রি করতে দেখে এসেছি কিনতে। তবে বাজারে এসে মনে হচ্ছে গাবের দামটা একটু বেশী। এক হালি গাবের দাম ১২০ টাকা।
উপজেলার গেটের সামনে বিলাতি গাব বিক্রেতা মোঃ সুরুজ বলেন, আগে মানুষ এই ফল খুবই কম পছন্দ করতো কারন তখন মানুষ এই ফলের পুষ্টিমান সম্পর্কে জানতো না। এখন ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন জায়গায় এর পুষ্টির কথা শুনে ক্রেতারা এই গাব কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। তাছাড়া মানূষ এখন পুষ্টিকর ফলমূল বেশি পছন্দ করে। তাই বর্তমানে এই ফলের চাহিদার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে গাবের দাম। আমি একটি গাছ ৮০০ টাকা দিয়ে কিনেছি আর সেই গাছের গাব ১২০ টাকা হালি দরে বিক্রি করতেছি।
অন্যদিকে জয়পাড়া বাজারে গাব বিক্রেতা মোঃ আবুল বলেন, বর্তমানে বাজেরে বিভিন্ন সাইজের বিলাতী গাব পাওয়া যায় আর এই গাবেট আকারভেদে ২০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই ক্রেতারা দাম দিয়ে হলেও পরিবারের জন্য কিনে নিচ্ছে বিলাতি গাব।
তিনি আরো বলেন, আগে যেমন বাড়িতে বাড়িতে বা বিভিন্ন স্থানে এই গাব গাছে ছিল। এখন সেই গাছ কাটার জন্য কমে গিয়েছে সে জন্য এই বিলাতী গাবের দাম এত বেশি আগামীতে আরো দাম বাড়বে গাছ না থাকার জন্য।
এমএসএম / জামান
গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, তিন দফা দাবিতে সোচ্চার গণমাধ্যমকর্মীরা
বিপুল জনসমর্থন নিয়ে লেহেম্বা ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থিতা ঘোষণা দিলেন বাদল হাসান
সীমান্তে পুশ-ইন প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতায়
খুলনার সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত সোলার পার্ক সচলের দাবি
বিভাগীয় পর্যায়ে লোকসংগীতে প্রথম হলো পৃথিরাই
লালন সাঁইজির গান নিয়ে নিউ ইয়র্কে ‘মাটির গান’-এর ‘সাধুমেলা’
শ্রীমঙ্গলে সেলাই মেশিনে কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল চা শ্রমিক তরুণীর
পর্ব শত্রুতার জেরে আদালতে মামলার অভিযোগ
কুতুবদিয়ায় আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নড়াইলে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
রায়গঞ্জে বিদ্যালয় মাঠে জলাবদ্ধতায় থমকে গেছে খেলাধুলা, মোবাইল-মাদকের ঝুঁকিতে তরুণরা
রাজশাহীর মোহনপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৩