ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

কালীগঞ্জের হাসনা ক্লিনিকের ডাক্তার ভুল করে কেটে দিলেন রোগীর পেট


শামীমুল ইসলাম শামীম, ঝিনাইদহ photo শামীমুল ইসলাম শামীম, ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ১৩-৮-২০২২ দুপুর ৩:০

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর দুর্গাপুর ইউনিয়নের আনন্দবাগ গ্রামের জহুরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৮) প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা নিয়ে গত ৬ আগস্ট ভর্তি হন কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর রোডে অবস্থিত হাসনা ক্লিনিকে। এ ক্লিনিকের ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানেই তার চিকিৎসা শুরু হয়। ক্লিনিক থেকে জানানো হয় তার পেটের মধ্যে নাড়ি পেঁচানো অবস্থায় রয়েছে। অপারেশন করা লাগবে। সে কারণে ১১ আগস্ট রাতে তার পেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচার স¤পন্ন না করেই ডাক্তার তার পেট পুনরায় সেলাই করে বেডে স্থানান্তর করেন। ক্লিনিকের বেডে শুয়ে এখন ব্যথায় কাতরাচ্ছেন রহিমা বেগম। 

রোগীর স্বামী জহুরুল ইসলাম জানান, আমার স্ত্রীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার সকল কাগজ দেখার ছয় দিন পর ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে অপারেশন করেন ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। অপারেশন টেবিলে রোগীর পেট কাটার পরে আমাদের জানানো হলো রোগীর নাড়িতে একটি টিউমার রয়েছে। এ কারণে অপারেশন সম্পন্ন করা যাচ্ছে না। এছাড়াও এই অপারেশন করতে হলে ৭ থেকে ৮ জন ডাক্তার লাগবে। এই বলে পেট সেলাই করে আবার বেডে দিয়ে দেয়। আমার প্রশ্ন হলো রোগী যদি অপারেশন করে ভালো করা নাই যাবে তাহলে কেন অপারেশন করা হলো? আমার স্ত্রীর জীবন এখন সংকটাপন্ন। আমি ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের বিচার চাই। আর আমার রোগীর যদি কোনো ক্ষতি হয় তাহলে তার দায়-দায়িত্ব ওই ক্লিনিক মালিককেই নিতে হবে। 

হাসনা ক্লিনিকের মালিক আব্দুর রহমান জানান, রোগীর রিপোট করা ছিল যশোর থেকে। রিরোট দেখে এই রোগীর অপারেশন করেন  ডাঃ আসলাম হোসেন ও ডাঃ প্রবীর কুমার বিশ্বাস। হাসনা ক্লিনিকে এই রোগীর সুচিকিৎসা সম্ভব নয় জেনেও শুধুমাত্র অর্থের লোভে অপারেশন করা হলো কেনো প্রতিবেদকের  এই প্রশ্নের জবাব তিনি এড়িয়ে যান। অপারেশনের ব্যাপারে ডা: প্রবীর কুমার বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান, রোগীর অপারেশন আমরা কমপ্লিট করে নি। ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেশি থাকায় রিস্ক নেয়নি। পরবর্তীতে প্রস্তুতি নিয়ে যেকোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই অপারেশন করা যাবে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার  ডাঃ মাজহারুল ইসলামের সাথে এধরনের অপচিকিৎসার ব্যাপারে কথা হলে তিনি জানান, ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনদের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ওই ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

হাসনা ক্লিনিকে রোগীদের অপচিকিৎসা প্রদান করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা আজ নতুন নয়। এই ক্লিনিকের মতো আরও অনেক ক্লিনিক কালীগঞ্জে রয়েছে যারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মনীতি না মেনে ব্যাবসা পরিচালনা  করে যাচ্ছে। কালীগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও নিয়মবহির্ভূতভাবে চলা ক্লিনিকগুলোর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হয় না কোন অভিযান। এ কারণেই আজ হাসনা ক্লিনিক এর মত ক্লিনিক ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এইসব ক্লিনিক ব্যবসায়ীদের লাগাম কি আদৌ টেনে ধরা যাবে ? এমন প্রশ্নই এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

এমএসএম / জামান

জুড়ীতে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও অপরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

বড়লেখায় নিসচা'র দোয়া মাহফিল ও কোরআন মাজিদ বিতরণ

কুতুবদিয়ায় বিসিকের লবণ মাঠের ফরম বিক্রিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

গলাচিপায় বন্দোবস্তকৃত জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ, হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম: এক কীর্তিমান ব্যক্তির সংক্ষিপ্ত জীবনী

রূপগঞ্জে আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে মানববন্ধন-বিক্ষোভ

কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে আটক ২৭৫, আইনগত ব্যবস্থা ১৪২ জনের বিরুদ্ধে

মিরসরাই উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপি নেতা সেলিম বুরুচের মৃত্যুতে সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর শোক প্রকাশ

মনপুরায় মেঘনায় ১৯ জেলে আটক, ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা

দেড়শ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন ক্ষেতলালের পশ্চিম দেওগ্রামের লাঠিয়ালরা

বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল ঠেকানোর দায়িত্বে আনসার, নির্যাতনের শিকার ভ্যানচালক!

উল্লাপাড়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১