পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি রেজাসহ ৫ জনের নামে মামলা
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম সরদার অরুফে রেজাকে প্রধান আসামি ও পাংশা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. তাজুল ইসলামকে আসামি করে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় আরো ৩ জনের নামোল্লেখসহ ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। তবে মামলায় উল্লিখিত এজাহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে মামলার প্রধান আসামি রেজা।
পাংশা উপজেলার চর-আফড়া গ্রামের মো. মকছেদ শেখের ছেলে মো. সবুজ শেখ বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা দায়ের করেন। সবুজ পাংশা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও হাবাসপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে পাংশা কালীবাড়ী মোড় এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মামলার বাদী সবুজসহ ছাত্রলীগের অন্য নেতাকর্মীরা যোগদানের জন্য পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। এমন সময় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কমির (রেজা) ও পৌরসভার কাউন্সিলর তাজুলসহ মামলার এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা সবুজসহ তার সাথে আসা নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে এবং চাইনিজ কুড়াল ও হকিস্টিক নিয়ে হামলা ও মারপিট করে। এতে সবুজসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে সবুজ গুরুতর আহত হন। আহতদের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
গতকাল শুক্রবার পাংশা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, হাবাসপুর ইউনিয়নের মো. সবুজ শেখ থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। ওই এজাহারমূলে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য আমি বড় মিছিলের আয়োজন করি। আমার মিছিলে অতর্কিত হামালা করা হয়েছে। আমার মিছিলেই হামলা করা হয়েছে। হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল আল মামুনের তেতৃত্বে মামলার বাদী বিএনপিপন্থী সবুজকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, কামালের পরিবার সম্পূর্ণ জামায়াতপন্থী। তার মাসহ তার পরিবারের লোকজন এখনো তাদের এলাকায় জামায়াতের প্রচার-প্রচারণা চালায়। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিভিন্ন ইউনিয়নের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছ থেকে গোপনে টাকা নিয়েছে এবং সে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাত্রলীগের নামে চাঁদা আদায় করেছে। এছাড়াও সে অবৈধ বালু ব্যবসা ও গরু চোরের সাথেও জড়িত। তার এ সকল অপকর্মের কারণে উপজেলা ছাত্রলীগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে । এ সকল অপকর্মের প্রমাণাদি রয়েছে। প্রমাণাদিসহ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীকে অবগত করা হবে বলে জানান উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজা।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. কামাল আল মামুন বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ আনার আনুক। সে সব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমার কোনো বক্তব্য নেই।
এমএসএম / জামান
ডিসেম্বরের মধ্যে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: পটুয়াখালীতে আলতাফ হোসেন চৌধুরী
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, ওএমএসের চাল ও পাসপোর্ট সেবায় অনিয়ম বন্ধের নির্দেশ এমপি মানিকের
টাঙ্গাইলে বক্স কালভার্টে বাঁশ ব্যবহার করায় ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারকে শোকজ : প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন
আশুগঞ্জে বৈদ্যুতিক কেবল চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
মিরসরাইয়ে অগ্নিকান্ডে দুই দোকান পুড়ে ছাই
নোয়াখালীতে প্রবাসীর পরিবারকে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
পত্নীতলায় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১
টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য
কাপ্তাইয়ে হাতির আক্রমণে নিহত পরিবারের মাঝে ৩ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেক হস্তান্তর
কোনাবাড়ীতে মাদক বিরোধী অভিযান আটক -১
বিটেশ্বর ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় বাবুল খন্দকারের, নাগরিক সেবা ফ্রি করার ঘোষণা
নেত্রকোনার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক আলিফ ফকিরের হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন