ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬

সীতাকুণ্ডে নামজারির নামে চাঁদাবাজি: বেপরোয়া সাহেদ


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৬-১০-২০২২ বিকাল ৫:৩৩

এতিম, হতদরিদ্র একজন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী নাহিদা আক্তার। মায়ের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত যতসামান্য জমি সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি করতে এসে চরম বিপাকে পড়েন। ৩'শ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি আবেদন জমা দিলেও তহসিল অফিসের প্রস্তাবের জন্য ঘুষ দিতে হয় আরও ৩০ হাজার টাকা। এরও দীর্ঘ ভোগান্তির পর নামজারি ফাইলটি উপজেলা ভূমি অফিসে প্রেরণ করা হলে এবার এসিল্যান্ডের নাজির সাহেদুল ইসলামের ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির মুখে পড়েন নাহিদা আক্তার। ঘুষের এমন দাবি মেটাতে ব্যর্থ হলে খারিজ হয়ে যায় তার নামজারি আবেদনটি। এমন অভিযোগ করেন ভুক্তোভোগী শিক্ষার্থী নাহিদা আক্তার। 

পরবর্তীতে উপায়ন্তর না পেয়ে গত ২০ জুলাই চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই শিক্ষার্থী। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে  সীতাকুণ্ডের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল আলম নাহিদা আক্তারকে তার দপ্তরে হাজির হতে বলেন। নাহিদা আক্তার গত ১২ সেপ্টেম্বর হাজির হয়ে নাজির সাহেদের ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি এসিল্যান্ডের কাছে উপস্থাপন করেন। এসময় নাহিদা আক্তার ঘুষ দাবির বিষয়টি প্রমাণ করতে নাজির সাহেদকে তার সামনে মুখোমুখি করতে বললেও তা ভ্রুক্ষেপ করেননি এসিল্যান্ড। তবে নাজির সাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের  অভিযোগ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ঘুষ বাণিজ্য অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে নাজির সাহেদের ঘুষকান্ডের নানা চিত্র। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিসে কেবল নামজারির আবেদন জমা দিতেই একজনকে অনলাইন ফি বাবদ ৩০০ টাকা দিতে হয়। অভিযোগ আছে এ টাকা দীর্ঘ দিন সাহেদ নিজ হাতে গ্রহণ করলেও বর্তমানে আজগর আলী নামে এক লোককে দিয়ে গ্রহণ করান। গত এক বছরে প্রায় ৮ হাজার নামজারী আবেদন জমা পড়েছে এ ভূমি অফিসে। সে হিসেবে কেবল এ খাত থেকেই তারা গ্রাহকের পকেট কেটে নিয়েছেন প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা।

এরপর নামজারি আবেদনটি এসিল্যান্ড গ্রহণ করলে ফাইল চলে যায় সংশ্লিষ্ট তহসিল অফিসে। সেখান থেকে প্রস্তাব প্রেরণ করা হলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার এবং কানুনগো’র রিপোর্টের পর এসিল্যান্ডের সামনে উপস্থাপনের জন্য ফাইল পুনঃরায় চলে আসে নাজির সাহেদুল ইসলামের টেবিলে। আর এখানেই ঘটে যত বিপত্তি। এই নাজিরের টেবিল তখন হয়ে যায় সেবা গ্রহীতাদের কাছে পুলসিরাতের পুল সম। শুরু হয় সাহেদুল ইসলামের ভেলকিবাজি। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নামজারি থেকে নামজারি ৩ হাজার, বিএস থেকে নামজারি ৫ হাজার, আবেদনকারীর প্রকাশ নামের জন্য প্রত্যয়নপত্র থাকলে ১০ হাজার। এভাবে একদর বসিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ। এমনকি এ টাকা তিনি গ্রাহকদের কাছ থেকে নামজারি অনুমোনের আগে অগ্রীম গ্রহণ করেন। আর এসবই করেন তিনি এসিল্যান্ডের দোহাই দিয়ে। তার সাফ কথা ‘স্যার ব্যস্ত, ফাইলে সই করেন না, গিয়ে দেখেন স্যারের রুমে কত ফাইল জমা হয়ে আছে। পারলে আপনারা নিজে গিয়ে ফাইল অনুমোদন করিয়ে নেন।’ পরে দেখা যায় নির্দিষ্ট অংকের টাকা প্রদান করলে ঠিকই ফাইল অনুমোদন হয়ে যায়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত এক বছরে বর্তমান এসিল্যান্ড আশরাফুল আলম প্রায় ৭ হাজার নামজারি অনুমোদন দিয়েছেন। সে হিসেবে ডুপ্লিকেট কার্বন রসিদ (ডিসিআর) এর ১১শ পঞ্চাশ টাকা বাদে প্রতি নামজারিতে গড়ে ৩ হাজার টাকা করে প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা গ্রাহকের পকেট থেকে হাতিয়ে  নিয়েছেন এই নাজির সাহেদ চক্রটি।

এখানেই শেষ নয়। গত এক বছরে পোড়া সনের (১৯৬২ থেকে ১৯৮২) বিতর্কিত দলিল দিয়ে রেকর্ড সংখ্যক নামজারি সম্পন্ন করা হয়েছে এ ভূমি অফিসে। অভিযোগ আছে, এমন প্রতিটি নামজারি বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে নাজির সাহেদ নিয়েছেন জমির ভ্যালু অনুযায়ী ৫০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা। এছাড়া খতিয়ান বা দলিলে নামের বানান ভূল অথবা খুঁটিনাটি ত্রুটি দেখিয়ে হয়রানি করে গ্রাহদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ ওঠেছে  তার বিরুদ্ধে। 
প্রসঙ্গতঃ সীতাকুণ্ড ভূমি অফিসে আগত সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে সরাসরি নামজারি আবেদনকারীর চেয়ে আবেদনকারীর পক্ষে প্রতিনিধির সংখ্যাই বেশী। বিশেষ করে এখানকার জমির অধিকাংশ ক্রেতা দলিল রেজিস্ট্রির সময় দলিল লিখকের হাতেই নামজারির দায়িত্ব দিয়ে দেন। ফলে নতুন ভূমি মালিকদের খুব কম সংখ্যকই সরাসরি নামজারি আবেদন করতে আসেন। এদিকে নিজ গ্রাহকদের নামজারির দায়িত্ব কাঁধে পড়ায় অনেক দলিল লিখক নাজির সাহেদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিয়ে নামজারি করে নিতে বাধ্য হন। যদিও এক্ষেত্রে প্রতিটি নামজারির জন্য অগ্রিম টাকা দিয়েও সাহেদের কালক্ষেপণের হয়রানির শিকার হতে হয় তাদের।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন দলিল লিখক ২০টি নামজারি আবেদনের তালিকা দেখিয়ে বলেন, প্রতিটি নামজারির জন্য নাজির সাহেদকে প্রকারভেদে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে রেখেছি। মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও আমার নামজারিগুলো পাচ্ছি না। তিনি এসিল্যান্ডের কথা বলে গড়িমসি করছেন। এমনকি এসিল্যান্ডের বিষয়টি বিশ্বাসযোগ্য করাতে সাহেদ অফিসের অন্য কর্মচারীদের দিয়েও একই কথা আওড়ান। এদের একজন অফিস সহকারী মো. হাবিব। 
অন্যদিকে সরাসরি নামজারি করতে আসা সেবা গ্রহীতাদের একটি বৃহৎ অংশ মৌরসী মালিক সূত্রে আবেদনকারী। যারা নাজির সাহেদের চরম হয়রানির শিকার হন। পৈত্রিক সম্পত্তি নামজারি করতে এসে মোটা অংকের ঘুষ দিতে অপারগ বা কোন কোন ক্ষেত্রে অস্বীকৃতি জানানো এসব গ্রাহকদের নামজারি আবেদন এসিল্যান্ড খারিজ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে গ্রাহক বাধ্য হয়ে কাঙ্খিত ঘুষ প্রদান করলে ফের নামজারি অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী নাহিদা আক্তার বলেন, আমি সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার ফাইলটি উপজেলা ভূমি অফিসে আনতে হয়েছে। পরে সেখানে নাজির সাহেদুল ইসলাম ৫০ হাজার টাকা দাবি করে কালক্ষেপণ করেন। বারবার এসিল্যান্ডের সাথে দেখা করতে চাইলেও তিনি দেখা করতে দেননি। জানতে চাইলে সাহেদ বলেছেন 'স্যারের সাথে দেখা করতে টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া নামজারি করবেন তা স্বপ্নেও ভাবিয়েন না।'  

মো.এজহার নামে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, তিনি পোড়া সনের নামজারি (বিতর্কিত সন) করতে নাজির সাহেদকে ৩৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। তিনি বলেন, পোড়া সন হলেও আমার দলিলগুলো সার্টিফাইড কপি হওয়ায় কম টাকায় নামজারি করে দিয়েছেন সাহেদুল ইসলাম।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি জানান, মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিতে গেলে নাজির সাহেদ তার অফিস কক্ষের লোকচক্ষু ও অফিসের বিভিন্ন স্পটে থাকা সিসি ক্যামরার আড়ালে চলে যান। তিনি ভূমি অফিস অভ্যন্তরের গোলঘরে অবস্থিত শৌচাগারের সংকীর্ণ গলিতে গিয়ে মোটা অংকের টাকা পকেটে পুরে আবার নিজকক্ষে ফিরে আসেন। জনশ্রুতি আছে ঘুষের টাকা হলেও সাহেদ টাকার প্রতিটি নোট যাচাই করে নেন। জাল কিংবা ছেড়া নেই, পরিমাণেও সঠিক নিশ্চিত হয়ে তবেই ঘুষ নেন তিনি। নিয়মিত নামজারি করান এমন ব্যক্তিদের টাকা অগ্রিম দেয়া ও বকেয়া টাকার হিসাব সংক্রান্ত ডকুমেন্টও সংগ্রহে রাখেন নাজির সাহেদ। যেমন কেউ নামজারি অনুমোদন হওয়ার পর ডিসিআর নেয়ার সময় যদি বলেন টাকা আগেই দিয়েছি। তখন ডিসিআর ( ডুপ্লিকেট কার্বন কপি) কাটার দায়িত্বে থাকা অস্থায়ী কর্মচারী পাভেল নাজির সাহেদকে বলেন, ‘সাহেদ ভাই আপনার হিসাবটা দেখেন ওনি অগ্রিম দিয়েছিলেন কি না’? 
তবে কেবল নামজারিই নয় ভূমি অফিসে আবেদিত গ্রাহকদের মিছ মামলা দ্রুত নিস্পত্তি বা রায় পক্ষে নিয়ে দিবেন বলে গ্রাহদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেয়ারও অভিযোগ ওঠেছে নাজির সাহেদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীরা জানান, এক্ষেত্রে দুই একটি মামলা নিস্পত্তি হলেও অধিকাংশ মামলা ‘এসিল্যান্ডকে ম্যানেজ করতে পারিনি’ বলে কালক্ষেপণ করেন। এমনকি নিস্পত্তি হওয়া মামলার রায়ের কপি নিতেও দিতে হয় টাকা।  
সীতাকুণ্ডের মুরাদপুর ইউনিয়নের মো. ইলিয়াস নামের এক ব্যক্তি বলেন, তিনি একটি মিছ মামলার রায়ের কপি আনতে গেলে নাজির সাহেদ তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে কালক্ষেপন করেন। পরে তিনি এসিল্যান্ডের সাথে দেখা করে মাত্র দেড়শ টাকায় ওই রায়ের কপি সংগ্রহ করেন।

নথি গায়েবে:

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নাজির পদে পদোন্নতি পাওয়া এই সাহেদুল ইসলাম পূর্ব থেকেই সীতাকুণ্ড ভূমি অফিসে অফিস সহকারী পদে কর্মরত ছিলেন। এ দীর্ঘ সময়ে তার বিরুদ্ধে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নথি গায়েবেরও অভিযোগ উঠেছে। তিনি সই করে নথি রিসিভ করেছেন এমন নথিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না অভিযোগ করেছেন আবুল কাসেম সুকানী নামের এক ভূক্তভোগী। তিনি জানান, আমার ক্রয়কৃত নয়াখালী মৌজার একটি বিবিধি মামলার নথি তল্লাশি করলে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, নথিটি নাজির সাহেদ সদর তহসিল থেকে গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তুু নথিটি উপজেলা ভূমি অফিস থেকে গায়েব হয়ে যায়। 

এছাড়া সীতাকুণ্ড উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ড. মাশফিক আহমেদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির নথি গায়েবের বিষয়টি সর্বজনবিধিত। এ বিষয়ে মাশফিক আহমেদ নিজে অভিযোগ দায়ের করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় বরাবরে। এরপর দীর্ঘ ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও সেই নথি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তবে বিশ্বস্ত একটি সুত্র জানিয়েছে নাজির সাহেদের এসব অপকর্মের কারনে সম্প্রতি তাকে ডিসি অফিসে বদলী করা হয়েছে।

কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার বিষয়ে জানতে নাজির সাহেদুল ইসলামের মোবাইলে কল দিয়ে ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে বিধায় বক্তব্য জানা যায়নি। 
তবে অভিযুক্ত নাজিরের সরাসরি দায়িত্বশীল যিনি সেই এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার ভূমি) মো. আশরাফুল আলমকে মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয়ে টিআইবি-সনাক চট্টগ্রামের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আকতার কবির চৌধুরী বলেন, বলা হয়ে থাকে দেশে দুর্নীতির শীর্ষ স্থানে রয়েছে  ভূমি অফিস। আর প্রতিটি ভূমি অফিসের শীর্ষ দায়িত্বশীল হলেন স্ব-স্ব এসিল্যান্ড। কিন্তুু এসিল্যান্ডের একান্ত সহকারী নাজির যখন অবাধে ঘুষ-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে তখন বুঝে নিতে হবে তার ওপর কোন কিছুর বিনিময়ে উর্ধ্বতন কর্তা ব্যক্তিগণ সন্তুষ্ট। তিনি সবাইকে বশিভূত করেই এসব করছেন।

এমএসএম / এমএসএম

জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী

শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার

শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর

শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার

চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত

জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত

ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত

লোহাগড়ায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আত্রাইয়ে লেডিস ক্লাবের উদ্যোগে বেদে ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

‎নবাবগঞ্জে রাতের আঁধারে সানজিদা আক্তার নামে এক নারীর উপর হামলা