লকডাউনে দিশাহারা সিলেটের নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা, বাসা-দোকান ভাড়া নিয়ে বিপাকে ভাড়াটিয়ারা
দেশে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত ১৪ জুলাই পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউনে সিলেটের ব্যবসায়ীরা ও মধ্যম ও নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষ দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। গত ১ জুলাই সাত দিনব্যাপী কঠোর লকডাউন শুরুর ভেতরেই করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটলে গত সোমবার নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সময়সীমা আরো সাত দিন বাড়ানো হয়।
এটা যদিও জনস্বার্থে মহামারী থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য একটা প্রদক্ষেপ কিন্তু এই বিধিনিষেধ বা লকডাউনের কারণে বিপদে পড়েছেন সিলেটের বড় বড় শপিংমহলের ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। তাছাড়া ছোট ছোট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নানা দৈন্যদশায় দিন কাটাচ্ছেন। দিনমজুর মানুষের দোকানপাট ও দৈনিক হাজিরার কাজ না থাকায় নুন আন্তে পান্তা ফুরাচ্ছে।
বারবার লকডাউনের কারণে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় ঘরে বসে কাটছে সময়। উপার্জন না থাকায় নিম্নবিত্তরা চিন্তিত, মাস শেষে বাড়িভাড়া আসবে কোথা থেকে? সিলেট মহানগরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্বল্প আয়ের যারা ঘরভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন, এই অবস্থায় বাসা ভাড়া দেয়া তাদের পক্ষে শুধু কষ্টসাধ্যই নয়; অসম্ভবও বটে।
ভাড়াটিয়ারা বলছেন, লকডাউনের ফলে দেশের নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। আর এই শ্রেণির কথা কেউ ভাবছে না। এ অবস্থায় ভাড়াটিয়ারা চাচ্ছেন সরকার লকডাউন চলাকালীন সময়ে বাড়ি ভাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রজ্ঞাপন জারি করুক।
করোনায় কেউ কাজ হারিয়ে আবার কেউ ব্যবসার পুঁজি হারিয়ে ছাড়ছেন প্রাণের শহর সিলেট। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সে নিশ্চয়তা না থাকায় অনেকেই ফিরছেন গ্রামে। স্বপ্ন সাজাতে অনেকেই গ্রামের মায়া কাটিয়ে এসেছিলেন তিলোত্তমা নগর সিলেটে। তবে বিশ্বব্যাপী করোনার তাণ্ডবে তছনছ হয়ে যায় সব। অনেকের চাকরি হারিয়ে পরিবারের জন্য খাবার যোগাড় করাই এখন কষ্টের।
ওসমানী হাসপাতাল রোডের আশিক আলী নামে এক দিনমজুর জানান, আজ ৬ দিন ধরে কোথাও কাজকর্ম নেই। বৌ-বাচ্চাদের নিয়ে বড় কষ্টে দিন কাটাচ্ছি, ঘরে নেই চাল-ডাল।
জালাল উদ্দিন নামে এক সিএনজি ড্রাইভার জানান, লকডাউন আসার পর থেকে বৃদ্ধ মা-বাবাকে নিয়ে বড় কষ্টে দিনযাপন করছি। ঠিকমতো কোনো খরচপাতি ঘরে নিয়ে আসতে পারছি না।
এদিকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অযৌক্তিক কারণে বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করছে। কিন্তু করোনা থেকে বাঁচতে হলে আগে সচেতন হতে হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের। তিনি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এটা একটি কঠিন কাজ। তবুও পুলিশ মাঠে কাজ করে যাচ্ছে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য। নিজেরা সচেতন হলেই কঠিন এই সময়ে বেঁচে থাকা সম্ভব। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল লকডাউন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমএসএম / জামান
মাগুরায় তেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই ও চালক হত্যা রহস্য উদঘাটন, ৪ গ্রেফতার
রোববার জঙ্গল সলিমপুরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-আইজিপি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট
দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেক কর্মকর্তার পোস্ট, এরকম অপরাধ কে না করে আমিও করি"
আদমদীঘিতে গাাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার
ঈদে পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায়, হোটেল-রিসোর্টে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়
রায়পুরে কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে আসামিকে পালাতে সহযোগিতায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে
কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার - কুমিল্লায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
ঝিনাইদহে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা'র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের রিমান্ড মঞ্জুর
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল পেয়ে উচ্ছ্বসিত মনিগ্রাম ইউনিয়নবাসী