সামসুর অপকর্মে ডুবছে রেলওয়ে
ঠিকাদারের সাথে কমিশন বাণিজ্য, রেলের মালামাল ও তেল চুরি করে বিক্রির মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, অডিট আপত্তি না মানা, ঠিকাদারের সাথে আঁতাত করে রেলের সম্পদের ক্ষতি সাধন করাসহ রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
যেসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জন্য দিনের পর দিন নষ্ট হচ্ছে রেলওয়ের সোনালী অর্জন, তারমধ্যে সামসুর রহমান অগ্রভাগের একজন। পদের দিক থেকে ছোট হলেও অনিয়মের দিক থেকে রয়েছেন অনেক এগিয়ে। টাকা হলে তিনি করতে পারেন না এমন কোন কাজ নেই, তাতে রেলের লাভ লোকসান যাই হোক তাতে তার যেন কিছুই আসে যায়না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এভাবেই তার কিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন একাধিক ঠিকাদার ও রেলওয়ের কর্মচারী। তিনি মো. সামসুর রহমান, আছেন রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের উর্দ্ধতন উপ সহকারি প্রকৌশলী (এসএসএই)/ নলকূপ ও পরিদর্শনের দায়িত্বে, আছেন সেতু কারখানার দায়িত্বেও। নগরীর কদমতলী মোরে সেতু কারখানায় বসেন তিনি।
একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায় রেলওয়ের প্রয়োজনে কোন কাজ করার প্রয়োজন হলে ঠিকাদারদের সাথে সিন্ডিকেট করে তাদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে আদায় করেন ৩ থেকে ৫ শতাংশ কমিশন, ক্ষেত্রবিশেষ তা আবার ১০ শতাংশও হয়ে থাকে, তার কমিশন না দিলে কেউ ঠিকমত কাজ করতে পারেনা, নানা অযুহাতে হয়রানি করে থাকে, আবার কমিশনের টাকা পেলে যেনতেন করে কাজ করে দিলেও বিল তোলার ব্যবস্থা করে দেন বলে জানা গেছে। সম্প্রতি ঝাউতলা অফিস, গোডাউন ও বাউন্ডারি নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় আপত্তি তোলে অডিট টিম, সিসি বিল না দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু সেই আপত্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ২টি কাজের বিপরীতে ৫১ লাখ টাকা সিসি বিল উত্তোলন করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। এছাড়া কম্প্রেশার মেশিন ঠিক করার নামে কাজ না করেই মোটা অংকের টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছে।
গত বছর শামীম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে গোপনে প্রায় ১১ টন ওজনের ৩টি হেড রিজার্ভ টাংকি বিক্রি করে পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেছে যা গত ২৩/২/২১ সালে এক পত্রের মাধ্যমে ফেরৎ দিতে বলা হলেও এখনো ফেরৎ দেওয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই বলছেন বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন, ফেরৎ আনা নাটকের আর্ভিবাব ঘটিয়েছেন মাত্র। এছাড়া সম্প্রতি ম্যাক্সের সেলিমের একটি কাজে লোহার এ্যাঙ্গেল ও প্লেটবার দিয়ে বানানো জালি বক্সের কাজ করছে অবৈধভাবে সেতু কারখানার ভেতরে রেলের কারেন্ট ব্যবহার করে। যেখানে ৭ টন লোহা লাগার কথা সেখানে ৪ টন লোহা কিনেছেন আর বাকী ৩ টন লোহা কারখানার ভেতর থেকে চুরি করে ব্যবহার করেছেন। যার ফলে রেলের মোটা অংকের টাকা গচ্ছা গেছে। এব্যপারেও সামসুর রহমানের হাত রয়েছে বলে বিশ্বস্ত একাধিক সুত্র জানিয়েছে। সম্প্রতি কারখানায় গিয়ে এসব অপকর্মের সত্যতা পাওয়া গেছে।
নানা অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘনি থেকেই, ২০১৯ সালে রেলের তেল চুরি করার অপরাধে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল, তবে কতিপয় অসৎ কর্মকর্তার যোগসাজসে পুণরায় চাকরি ফিরে পান তিনি। কিন্তু চরিত্র বদলায়নি, নানা অযুহাতে রেলের ক্ষতি কওে নিজের পকেট ভারী কওে চলছেন একের পর এক। এব্যপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ে চট্টগ্রামের এসএসএই/ নলকূপ ও পরিদর্শন মো. সামসুর রহমান কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করে সিআরবিতে আলাপ করার কথা বলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন। এব্যপারে জানতে চাইলে রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া বলেন ওর (সামসুর রহমান) ব্যপারে বেশকিছু অভিযোগ আছে বলে শুনেছি, আমি খবর নিয়ে দেখি, যদি এসব অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
এমএসএম / এমএসএম
ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ
শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন
রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা
ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার
শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা
দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা
নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল