প্রবাসীর নির্মানাধিন ভবনে চাঁদাবাজির অভিযোগ
নগরীর বাকলিয়া থানাধিন এক্সেস রোডে আলী নেওয়াজ চৌধুরী নামের এক অস্টেলিয়া প্রবাসী দীর্ঘ ৩২ বছর প্রবাসে থাকার পর বাকলিয়ায় ২২ বছর আগে জায়গা কিনেন। উক্ত জায়গায় বিল্ডিং নির্মাণ করতে চাইলে একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রুপ ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ভবন নির্মাণ করতে দিবে না এবং এলাকায় আসলে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আলী নেওয়াজ চৌধুরীর কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় ফরহাদুল আলম ইফতি(২৬), আলাউদ্দীন (৩৫), এস. এম এনাম(৪৫), ফেরদাউস আরা বেগম(৪৫), আলমগীর(৫৫), রাহাত(২০), ওয়াহিদুল্লাহ সিকদার(৩০)সহ অজ্ঞাত ৮/১০ জনের বিরুদ্ধে গত ১৯ জুন বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি। এই ঘটনায় বাকলিয়া থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেন। আসামিদের অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানায়, বাকলিয়া থানাধিন দিলোয়ারা জাহান মেমোরিয়াল কলেজের বিপরীত পাশে এক্সেস রোড সংলগ্ন এলাকায় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আলী নেওয়াজ চৌধুরী ২২ বছর আগে জায়গা কিনেন। জায়গা কিনে দীর্ঘদিন ধরে রক্ষনা বেক্ষনা করে আসছে। ২২ বছর পর দেশে এসে গত ২৯ মে বাড়ি করতে জায়গাটি দেখতে গেলে সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। হুমকির ঘটনায় গত ১৪ জুন বাকলিায় থানায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিডি করেন। গত ১৫ জুন প্রবাসী তার জায়গায় গেলে আবার অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। ২০ লাখ টাকা হাতে না আসা পর্যন্ত কোন অবস্থাতে কাজ করতে দিবে না এবং জায়গাতেও ঢুকতে দিবে না বলে জানিয়ে দেয়। বিল্ডিং নির্মাণ করতে চাইলে স্থানীয় সন্ত্রাসী গ্রুপকে আগে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিয়ে কাজ শুরু করতে পারবে। টাকা না দিয়ে কোন অবস্থাতে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করতে দিবে না, প্রবাসী আলী নেওয়াজ চৌধুরী জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আদালতের আশ্রয় নিলে আদালত প্রবাসীকে নিরাপত্তা দিতে স্থানীয় থানাকে নির্দেশ দেন। এরপরও পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার কারণে প্রবাসী আলী নেওয়াজ চৌধুরী পুলিশের সহযোগিতা না পেয়ে ভবন নির্মাণ না করে অস্ট্রেলিয়া চলে যেতে বাধ্য হন। এব্যপারে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী আলী নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, উক্ত এলাকায় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে কেউ জায়গা কিনলে, নতুন বাড়ি করার চেষ্টা করলে, তাদের চাঁদা দিয়ে কাজ করতে হবে, তারা চাঁদা না পেলে বিভিন্ন কৌশলে জায়গায় সমস্যা আছে, অন্যজন শরীকদার আছে ইত্যাদী বলে কৌশলে চাঁদা আদায় করা তাদের কাজ। তারা বিভিন্ন জন থেকে চাঁদা নিয়েছে আমার কাছ থেকেও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করায় আমি মামলা করছি। অসাধু কিছু পুলিশের সাথেও তাদের সখ্যতা রয়েছে, তাদের একাধিক মামলা থাকলেও পুলিশ রহস্যজনক কারণে তাদের গ্রেফতার করে না, যার কারণে আমি বাধ্য হয়ে ভবন নির্মাণ না করে বিদেশ চলে এসেছি।
এ বিষয়ে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রহিম জানান, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসীর কাছ থেকে চাঁদা দাবির ঘটনায় জড়িতদের পুলিশ বের করার চেষ্টা করছে। আমি যোগদান করার পর এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকান্ড অনেক কমেছে। অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। যেখানে কোন ধরণের অপরাধের ঘটনা ঘটছে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে দমন করার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান।
এমএসএম / এমএসএম
ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ
শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন
রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা
ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার
শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা
দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা
নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল