চট্টগ্রামে ৭৩ কনটেইনার নষ্ট পণ্য ধ্বংস করছে কাস্টম
বিভিন্ন আইনি জটিলতায় দীর্ঘদিন চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা নষ্ট ও ব্যবহার অযোগ্য ৭৩টি কনটেইনার পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম চালাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জানা যায় বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এসব পচনশীল পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে খালাস না করায় দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
সোমবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের উত্তর হালিশহরের বে-টার্মিনাল সংলগ্ন বেড়িবাঁধ রোডের চৌধুরী পাড়া এলাকার একটি খালি জায়গায় এসব পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়ে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত চলছিল। এর আগে গত রোববার বন্দরে থাকা ৭৩ কনটেইনার পচনশীল পণ্য ধ্বংসের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখার সহকারি কমিশনার সন্তুষ চাকমা বলেন, বন্দরে ৭৩টি কনটেইনারে থাকা পচনশীল পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৭৩টি কনটেইনারের মধ্যে বন্দরের ভেতর ১২টি রেফার্ড ও ড্রাই কনটেইনার ও অফডকে ৬১টি ড্রাই কনটেইনার রয়েছে। এসব কনটেইনারে আদা, সুপারি, খেঁজুর, বীজ ও মাছ জাতীয় পণ্য রয়েছে। আজ আমরা ১৫ থেকে ২০টি কনটেইনার পণ্য ধ্বংসের পরিকল্পনা করেছি। পর্যাপ্ত ক্রেন, স্কেভেটর, ট্রেইলার, ট্রাকসহ প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই জায়গা খুঁড়ে পচে যাওয়া পণ্য ফেলে মাটি চাপা দেওয়া হবে। ফলে কোন প্রকার দুর্গন্ধ ছড়ানোর সুযোগও থাকবে না।
পণ্যগুলো নষ্ট না হওয়ার আগে নিলাম দিলে সরকার রাজস্ব পেত এমন মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, মামলা থাকে আইনি জটিলতা শেষ করে আসতে সময় লেগে যায়। এর আগে মাটির নিচ থেকে পাচারকালে ১৫ ট্রাক মিট অ্যান্ড বোন মিল জব্দ করা হয়েছিল এটা কেন এবং কাস্টমস এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও অসাধু ব্যাবসায়ীদের ধারণা করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা পণ্য ধ্বংস করার পর আরো ৭ দিন পাহারা দিয়েছি । আমরাতো মাসের পর মাস পাহারা দিতে পারবো না । ধ্বংস শেষ হওয়ার এক মাস পরে পাচার করার চেষ্টা করেছে জক্রটি। এদিকে নষ্ট পণ্য মাটিতে পুঁতে ফেলা হলেও শেষ পর্যন্ত তা মাটির নিচে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। সম্প্রতি কাস্টমসের মাটিতে চাপা দেওয়া পণ্য রাতের আঁধারে ওঠানোর সময় ১৫ ট্রাক পণ্য জব্দ করার ঘটনা ঘটেছে। আজ থেকে যেসব পণ্য পুঁতে ফেলা হবে সেগুলোর কোনো পণ্য বাজারে চলে আসে কিনা তা নিয়েও সংশয় আছে।
জানা যায়, সংঘবদ্ধ একটি চক্র পচে যাওয়া এসব পণ্য নানা প্রক্রিয়ায় বাজারে ছাড়ে। মানুষের খাদ্য নয় এমন পচা পণ্য মাটির নিচ থেকে তুলে এনে পশু খাদ্য হিসেবে বিক্রি করার ঘটনাও ঘটে। নষ্ট পণ্য সাগরপাড়ে শুকিয়ে পশু খাদ্যের সাথে মিশিয়ে বাজারজাত করা হয়। তবে হালিশহর থানা পুলিশ জানিয়েছে, তারা বিষয়টির উপর কড়া নজর রাখছে।
প্রসঙ্গত, আমদানিকারকরা অনেক সময় বিদেশ থেকে আনা বিভিন্ন পণ্য ডেলিভারি নেন না। এছাড়া শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যবসায়ীরা আমদানির চেষ্টা করলে কায়িক পরীক্ষার সময় কর্তৃপক্ষ কিছু পণ্য আটক করে। নিয়ম অনুযায়ী, আমদানিকারকদের ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি নিতে নোটিশ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের আমদানির টাকা না পেলে কাস্টমস হাউস সেসব পণ্য নিলাম করে। যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও আমদানিকৃত পণ্য বন্দরে নষ্ট হলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেগুলো ধ্বংস করে ফেলে।
এমএসএম / এমএসএম
কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত