ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

শীত উপলক্ষে ফুলছড়িতে গড়ে উঠেছে রকমারি পিঠার দোকান


মজিবর রহমান, গাইবান্ধা photo মজিবর রহমান, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ২৬-১১-২০২২ দুপুর ২:৬

শীতকাল মানেই পিঠা খাওয়ার উৎসব। শীতকাল এলে শহর ও গ্রামে পিঠা খাওয়ার ধূম পড়ে যায়। শীতের পিঠা আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্য। গাইবান্ধার ফুলছড়িতে শীত মৌসুম এলেই নানা রকমারী পিঠা তৈরি করেন। শীতের পিঠার মধ্যে ভাপা পিঠা একটি অন্যতম পিঠা। ভাপা পিঠা আবার হরেক রকম পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। কখনো মিষ্টি ভাপা, কখনো ঝাল ভাপা। খেজুর রস দিয়ে ভাপা পিঠা খেতে বড়ই সুস্বাদু ও মনোমুগ্ধকর।

শীত এলেই ফুলছড়ি উপজেলার গ্রামের হাট-বাজারে নানা রকম পিঠা বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা ও চিতুই পিঠা। এসব পিঠার সমাদর সবখানেই সমানভাবে রয়েছে। শীত বাড়ার সাথে সাথেই উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের ফুটপাতে শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে।

ফুলছড়ি উপজেলার কালির বাজার, উদাখালি বাজার,আনন্দ বাজার,ফুলছড়ি হাটে এই শীতে পিঠা ব্যবসায়ীদের পিঠা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। এছাড়া বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার  বিভিন্ন জায়গায় চলছে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম। অলি-গলিতে রাস্তার আশে-পাশে পিঠাপুলির ভ্রাম্যমান দোকান বসে। এসব দোকানে নারী থেকে শুরু করে বয়স্ক পুরুষ লোকেরা পিঠা তৈরি করে ক্রেতার কাছে বিক্রি করেন। পিঠা বিক্রি করে সংসার চালায় তারা শুধু মাত্র এই শীতের মৌসুমে। ]

বিকেল থেকে দোকান খুলে বসলেও সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতার সমাগত বৃদ্ধি পায়। সবাই এক সাথে মজা করে শীতের পিঠার স্বাদ উপভোগ করে। সকল বয়সের মানুষেরা একসাথে পিঠা খাওয়া দেখে মনে হতে পারে কোন উৎসব চলছে। পিঠার দামও বেশি নয়, সাধ্যের মধ্যে। প্রতিটি ভাপা পিঠা আকার ভেদে দশ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। চিতল (চিতুই) পিঠা ১০টাকা ও তেল পিঠা ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়। এতে এ ব্যবসায় সীমিত লাভ ও থাকে।

ফুলছড়ি উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র কালির বাজার বট তলার,জনসমাগম স্থলে পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন হাট-বাজারে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ভ্রাম্যমান পিঠা বিক্রি শীতের ঐতিহ্যকে লালন করছে। ক্রেতাদের সমাগমে বিক্রেতারাও খুশি।

পিঠা বিক্রেতা মমিনা খাতুন জানান, তিনি প্রতি শীত মৌসুমে পিঠা বিক্রি করেন। এ সময় তার প্রতিদিন প্রায় ৫-৭শত টাকা বিক্রি হয়, যার মধ্যে প্রায় ২শত টাকার মতো তার লাভ থাকে। বিক্রি ভালো বিধায় সে খুশি।

ফুলছড়ি হাটের পিঠা ক্রেতা মোঃ আলী হোসেন পিঠা খেতে এসে বলেন, আমি রোজ প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর এসব দোকান থেকে পিঠা খাই ও বাড়ীতেও নিয়ে যাই। শীত কালের খাবারের মধ্যে পিঠা অন্যতম। আগে যদিও বাড়িতে এসব পিঠা বানানোর হিড়িক পড়তো এখন তা আর দেখা যায় না।

কালির বাজারে পিঠা কিনতে আসা মাসুদ রানা বলেন, আমি মাঝে মাঝে এসব দোকান থেকে পিঠা কিনে খাই। শীতের পিঠার একটা আলাদা আমেজও পাওয়া যায়। এসব পিঠা আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও এই ঐতিহ্যকে লালন করি, ধারণ করি, আমি বাঙ্গালী বলে।

প্রীতি / প্রীতি

কমলা বেগমের নিজ বাড়িতে বসবাস করতে না পারার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলায় পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের চোখেমুখে হাঁসি

শরণখোলায় পুলিশের অভিযান: ৭৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

পত্নীতলায় খাদ্য গুদামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

​ক্ষেতলালে চোর সন্দেহে ২ যুবককে নির্যাতন,নিহত ১ আহত ১

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে শনিবার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিলের বিকল্প এস্কাফ সিরাপ জব্দ

পটিয়া ব্লাড ফাউন্ডেশন (PBF) এর উদ্যেগে মাদকবিরোধী সেমিনার

রায়গঞ্জে খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই টিউবওয়েলই অকেজো, চরম ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

কালকিনিতে নীরিহ পরিবারকে মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মহানবীর আগমনে ধন্য বিশ্ববাসীঃচন্দনাইশে জশনে জুলুসে অতিথিবৃন্দ

মোহনগঞ্জ ডালাহাতা বিলে পদ্ম ফুলের সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে