পুলিশ আর সাংবাদিক ছাড়া কেউ নেই নয়াপল্টনে
নাইটিঙ্গেল থেকে ফকিরাপুল পুরো সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ। চলছে না যানবাহনও। শুধু পুলিশ আর সংবাদ কর্মী ছাড়া ওই সড়কে আর কারও উপস্থিতি নেই।
বিএনপির কার্যালয়ের সামনেও দলটির কোনো নেতাকর্মী নেই। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল গেটে তালা লাগানো, সামনে কড়া নিরাপত্তায় পুলিশ। লাইন হয়ে দাঁড়ানো শত শত পুলিশ কার্যালয়ের সামনে। আশপাশে রয়েছে পুলিশের বিশেষ গাড়ি, জলকামান, এপিসিসহ। একের পর এক টহল গাড়ি যাচ্ছে-আসছে। আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ানের সদস্যরাও আছেন পুলিশের পাশপাশি।
এদিকে নয়পল্টনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার জানিয়েছিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই এলাকা (পল্টন) আমরা পরিপূর্ণ নিরাপদ মনে না করব, ততক্ষণ পর্যন্ত এখানে যান চলাচল, জনসাধারণের চলাচল বন্ধ থাকবে। আমরা কোনো ব্যক্তিকে টার্গেট করে আটকাচ্ছি না। তবে এখানে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কোনো অবকাশ নেই।
বিপ্লব কুমার বলেন, বিএনপির দলীয় কার্যালয়কে আমরা এখন আইনের ভাষায় বলছি, প্লেস অব অকারেন্স (পিও)। যে কারণে আমরা এটি কর্ডন করে রেখেছি। বিশেষজ্ঞ ব্যতীত, ক্রাইম সিনের লোকজন ব্যতীত কাউকে সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যতক্ষণ পর্যন্ত পুলিশের কাজ শেষ না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এখানে কোনো কিছুই হতে দেওয়া হবে না।
এমএসএম / এমএসএম
বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার নেতা, ড্যাবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ
খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জয়পুরহাটে জেলা যুবদলের দোয়া মাহফিল
আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর
শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না : নাহিদ ইসলাম
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র ইসিতে জমা
‘যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন’
বিরোধীদল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় মোস্তাফিজুর রহমান
কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে জেল অথবা মৃত্যু ছিল অবধারিত: জামাল হোসেন