ঢাকা বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

গণশুনানির নামে অর্থের অপচয় বিটিআরসির ২৯ জনের বক্তব্য শুনতে ৫৩ কর্মকর্তা চট্টগ্রামে


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৯-১২-২০২২ বিকাল ৬:০

গণশুনাননির নামে বংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ২৯ কর্মকর্তার চট্টগ্রামে বিমান ভ্রমনসহ হোটেল রেডিসনে বিপুল পরিমান অর্থের অপচয় করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করে অথবা অভিযোগ বক্সের মাধ্যমে গ্রাহকের অভিযোগ নিয়ে তা নিস্পত্তির ব্যবস্থা করতে পারেন বলে পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ২৯ জন ব্যক্তির অভিযোগ শুনতে বিটিআরসির ৫৩ কর্মকর্তা এসেছেন চট্টগ্রামে। এর মধ্যে ২৯ জন আসা-যাওয়া করেছেন বিমানে বাকী ২৪ জন বিন্নি পরিবহনে। আর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে-ভিউ চট্টগ্রামের মতো ব্যয়বহুল হোটেলে ছিল থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা যা সরকারি অর্থের অপচয় বলে মনে করছেন তাঁরা। আবার বিলাসি এই আয়োজনের ফলে অনেক গ্রাহকই অংশগ্রহণের সুযোগই পাননি।  এছাড়া কে কি ধরণের অভিযোগ করবেন তা আগে থেকেই তারা ঠিক করে দিয়েছিল। তাদের পছন্দ হয়নি বা তাদের বিপক্ষে যাবে এমন প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়নি কাউকে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে বাংলাদেশ টেলি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন ২০১০ এর ৮৭ (১) অনুযায়ী বিলাসবহুল হোটেল রেডিসনে গ্রাহকের অভিযোগ এবং কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কিত গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রায় ৯ শতাধিক আবেদন পড়ে। অবশ্য শুনানিতে সাংবাদিক গ্রাহকদের প্রতিনিধি সহ ২০ থেকে ২৫ জনের বক্তব্য শোনা হয়। এর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রাহকেরও কিছু ছিল মানসম্পন্ন নেটওয়ার্ক সেবা না পাওয়া, ডেটা প্যাকেজ হঠাৎ করে পরিবর্তন করা, অব্যবহৃত ডেটা ফেরত না পাওয়া, ফাইভ-জি ইনস্টাগ্রাম এবং লাইসেন্স নবায়নে হয়রানি বিষয় সম্পর্কিত। শুনানিতে অংশগ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু বিটিআরসি থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যাতে করে দুটির বেশি প্রশ্ন করা না হয়। এবং বিভিন্ন ধরনের অংশগ্রহণ না করার জন্য প্রতিবন্ধকতা ও তৈরি করা হয়েছিল। মহিউদ্দিন আহমেদ তার শুনানিতে বলেন আমাদের ১৬ টি প্রশ্ন ও সুপারিশ ইতিমধ্যে কমিশনের কাছে আগেভাগে পাঠানো হয়েছে। তবুও গনশুনানীর নিয়ম রক্ষার্থে দুটি প্রশ্ন করার যেহেতু অনুরোধ করা হয়েছে তাই আমাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। প্রথমত  ইকোসিস্টেমের লাইসেন্সি প্রতিষ্ঠান ১২১ টি। অথচ আমরা কেবলমাত্র মোবাইল অপারেটরদের জবাবের আওতায় আনি। যদিও অপারেটরদের সাথে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানগুলি সেবা দিয়ে থাকে। কিন্তু বিটিআরসির লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হবার কারণে কমিশন অন্ধকারে থাকা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানগুলির জবাবদিহিতা কেন নিশ্চিত করছে না?

ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম শর্ত ছিল সকল ফাইবার আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকার কিন্তু এখনো ৬৫% ফাইবার ওভারহেড রয়েছে। বিটিআরসির এ ব্যাপারে ভূমিকা কি? মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল সংস্থাকে জবাবদিহিতা করতে  হবে না কেন?
তৃতীয়ত ঃ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সেবার মানের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে গ্রাহককে মানসম্পন্ন সেবা না দিতে পারলে গ্রাহকের অর্থ দিতে হবে না। কিন্তু স্থানীয়অপারেটর হবার কারণে এবং অবৈধ অপারেটর থাকার কারণে গ্রাহককে অগ্রিম অর্থ প্রদান করতে হয় পাশাপাশি তাদের শক্তির কাছে গ্রাহক জিম্মি হয়ে পড়ে। তাহলে কিভাবে গ্রাহক সেবার মান খারাপ হলে অর্থ কম দিবে? এ ব্যাপারে কমিশনের ভূমিকা কি?

উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) হোটেল রেডিসন ব্লু বে-ভিউ চট্টগ্রামের মেজবান হলে বেলা ১১ টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন  বিটিআরসির চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) শ্যাম সুন্দর শিকদার। সঞ্চালনায় ছিলেন সিস্টেম এন্ড সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক লে. কর্ণেল এস এম রেজাউর রহমান। এসময় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ, বিটিআরসি'র লাইসেন্সধারী টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, সশরীরে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনলাইনেযুক্ত টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহীতার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান যথা- কলড্রপ ও বিভিন্ন প্যাকেজ (ভয়েস, ডেটা বান্ডিল) এর মূল্য এবং ইন্টারনেট সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য টেলিকম সেবাপ্রদানকারী লাইসেন্সিদের সেবা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ অন্তভূক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কমিশনের লিগ্যাল এন্ড লাইসেন্সিং বিভাগের কমিশনার আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন, স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার প্রকৌশলী শেখ রিয়াজ আহমেদ, প্রশাসন বিভাগের মহাপরিচালক মো. দেলোয়ার হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এহসানুল কবীর, লিগ্যাল এন্ড লাইসেন্সিং বিভাগের মহাপরিচালক আশীষ কুমার কুন্ডু, স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক লেঃ কর্ণেল আউয়াল। উদ্দীন আহমেদ এবং বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

এমএসএম / এমএসএম

ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ

শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন

রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার

শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন