পুলিশের সহায়তায় সড়কে অবৈধ গাড়ি
কতিপয় অতি লোভী ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় নগরীতে বিভিন্ন সড়কে অবাধে চলছে রুট পারমিট বিহীন গণপরিবহন। কথিত শ্রমিক নেতাদের একটি চক্র পুলিশের সাথে আতাঁত করে এসব গাড়ি চালিয়ে থাকে বলে অভিযোগ তুলেছে শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। তাদের এসব অপকর্মের ফলে কাগজপত্র আপডেট করতে অনিহা দেখা দেয় গাড়ির মালিকদের মাঝে। ফলে সরকার হারাচ্ছে বিরাট অংকের রাজস্ব। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বারবার তাগাদা দিলেও তারা কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়ছে বৈধ চালক মালিকরাও। এসব বিষয় উল্লেখ করে সিএমপির ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগের উপকমিশনার বরাবরে সম্প্রতি একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে চট্টগ্রাম বেবিটেক্সি টেম্পো ড্রাইভারস ও সহকারি ইউনিয়ন (রেজি নং ১৩৪৯/৮৭ ইং)।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. ফারুক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, নগরীর ১৩ নং রুটে চলাচলকারী পারমিট বিহিন অবৈধ মেক্সিমা অটোটেম্পু চলাচল বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি করে বলা হয়, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মেট্রো আরটিসি কমিটি অনুমোদিত ম্যাক্সিমা অটোটেম্পু ১৩ নং রুট যাহা আফতাব অটো মোবাইলস হইতে নিমতলা বিশ্বরোড পর্যন্ত চলাচল করে। এই রুটে পারমিট না থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সিলিং সংখ্যা অতিরিক্ত। অন্য রুট থেকে এসেও প্রতিদিনই এই রুটে গাড়ি চলাচল করছে এবং দিন দিন এই অবৈধ গাড়ীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। ঐ সকল অবৈধ গাড়ীর বিরুদ্ধে চালক ও মালিকদের পক্ষ থেকে ১৩নং রুট সীতাকুণ্ড অটোটেম্পু মালিক সমিতি রেজি নং ১৪২৬ ও শ্রমিক সংগঠন চট্টগ্রাম বেবিটেক্সী-টেম্পু ড্রাইভার্স ও সহকারী ইউনিয়ন রেজি নং-১৩৪৯/৮৭ ইং যৌথভাবে রাস্তায় দাড়িয়ে অবৈধ গাড়ীগুলোকে মৌখিকভাবে সতর্ক করার পরেও তাহা বন্ধ হচ্ছে না। এর মূল কারন হিসাবে অবৈধ গাড়ী চালকদের তথ্যমতে রাস্তায় দায়িত্বরত কিছু অফিসারদের নামে, বে-নামে পারমিট বিহীন ঐ সকল গাড়ী চলাচল করছে, যাহা দুঃখ জনক। অতিরিক্ত গাড়ী চলচল করার কারনে ভাড়ার জন্য চালকদের অস্ব¦াভাবিক প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। ১৩ নং রুটে নির্ধারিত সংখ্যার পারমিট গাড়ীর চালকগণ অধিক পরিশ্রমের পরও দিন শেষে কাঙ্খিত আয় রোজগার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবৈধ গাড়ী চলাচলের কারনে চালকের মাঝ চরম হতশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম বেবিটেক্সী-টেম্পু ড্রাইভার্স ও সহকারী ইউনিয়নের (রেজি নং-১৩৪৯/৮৭ ইং) সভাপতি মো. ফারুক হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে লক্ষ্য করেছি ট্রাফিক পুলিশের কতিপয় অসৎ কর্মকর্তার সহযোগীতায় সড়কে দিনদিন ব্যাপরোয়া হয়ে ওঠেছে পারমিট বিহি গাড়িগুলো। তারা পুলিশকে মাসোয়ারা দিয়ে চালায় বলে বৈধ গাড়ির চালক, মালিক ও সহকারীদের পাত্তাই দেয়না। আমাদের চালকেরা কিছু বললে মারামারি শুরু করে। কর্তব্যরত ট্রাফিকের কাছে সহযোগীতা চাইলে তারা আমাদেও সাথে বিমাতাসুলভ আচরণ করে। এসব বিষয় নিয়ে এর আগেও মারামারি হয়েছে, থানা-পুলশ পর্যন্ত গড়িয়েছে, কিন্তু আশানুরূপ কোন ফল পাওয়া যায়নি। তাই গত ৬ ডিসেম্বর পশ্চিম জোনের উপকমিশনার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আশা করছি তিনি একটা ব্যবস্থা নিবেন।
এমএসএম / এমএসএম
কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত