ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

কুতুবদিয়া উপকূলীয় বনবিভাগ

লবণ মাঠ অনুমতি দেয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ!


নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া photo নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া
প্রকাশিত: ১৪-১২-২০২২ রাত ৮:৮

কুতুবদিয়া উপকূলীয় বনবিভাগের কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নেতিবাচক মনোভাব দেখা দিয়েছে। লবণ মাঠ করার অনুমতি দেয়ার নামে স্থানীয়দের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। 

ইলিয়াছ নামের একজন প্রান্তিক চাষি জানিয়েছেন, উত্তর ধুরুং ইউনিয়নে বনবিভাগের জায়গায় লবণ মাঠ করছে দাবি করে এক চাষির নিকট থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে নিয়েছেন রহমতুল্লাহ নামের একজন কর্মকর্তা। 

ফারুক নামের অন্য একজন চাষি জানিয়েছেন, তিনি স্থানীয়দের দখলে থাকা কিছু লবণ মাঠ বর্গা নিয়েছেন। কিন্তু মাঠে নামার আগে বনবিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা বাঁধা দিয়ে টাকা দাবি করেন। পরে তিনি তাদেরসহ পুরো প্রশাসনকে ম্যানেজ করেছেন বলে জানান। এখন তিনি প্রায় ৪০ একর জমি লবণ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করেছেন। তবে স্থানীয় যাদের নিকট থেকে বর্গা নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন তাদের কাউকে টাকা দেননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে বনবিভাগের রেঞ্জকর্মকর্তা শামিম রেজা বলেন, উপকূলের ৫ টি মৌজায় মোট ৮শ একর ভূমিতে রয়েছে বনবিভাগের মালিকানা। বনবিভাগের জায়গায় কোন লবণ মাঠ নেই। 
 
তিনি বলেন, লবণ মাঠসমূহ খাস খতিয়ানভুক্ত। এগুলো ডিসি সাহেবে জায়গা। সেখানে কেউ লবণ মাঠ তৈরি করলে বনবিভাগের কিছু করার নেই। এ বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ভালো জানেন। 

জানা যায়, এসব জায়গায় উপকূলীয় বনবিভাগ নতুন বাগান তৈরি করার জন্য চারাগাছ রোপণ করেছিল। কিন্তু স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট এসব চারাগাছ কেটে লবণ মাঠ তৈরি করে। বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করতে গেল তা রিসিভ করা হয়নি বলে জানান শামিম রেজা। পরে বিষয়টি উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। কিন্তু বনবিভাগের জায়গা না হওয়ায় কিছু করা যায়নি। 

এদিকে জানা যায়, দ্বীপের পশ্চিম পাশে ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে ঝাউবাগান। হোটেল সমুদ্র বিলাসের সামনের ঝাউবাগানটি দৃশ্যমান হলেও অন্য ঝাউবাগান বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তা রক্ষায় বনবিভাগের কোন পদক্ষেপ নেই। 

দ্বীপের পূর্বপাশের কুতুবদিয়া চ্যানেল ঘেঁষে বিভিন্ন অংশে রয়েছে ম্যনগ্রোভ ফরেস্ট। বন সৃজনের জন্য কোথায় কোন জায়গা না থাকায় একটা গাছও রোপণ করা হয়নি কয়েক বছর। 

দ্বীপে বিদ্যুতায়ন নিশ্চিত করার জন্য কাটা হচ্ছে একহাজারের মত অক্সিজেন প্রদানকারী বড় বড় গাছ। এসব গাছের বিপরীতে নতুন কোন চারাগাছ রোপণ করা হবে কিনা তার নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বনকর্মকর্তা। তবে বলেছেন, উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মতে কাজ করা হবে। অনুমতি পেলে লাগানো হবে নতুন চারাগাছ।

সুজন / সুজন

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত