ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬

চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২৫-১২-২০২২ দুপুর ৩:৪৭

চট্টগ্রামে দ্রুত স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটি। রোববার (২৫ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবির কথা জানান নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে বাঙালী বীরের জাতি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ ও জাতিকে রক্ষায় অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা।

দীর্ঘ টানা ৯ মাসের যুদ্ধে ২ লাখ মা বোনের সম্ভ্রম হানি আর ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই সোনার বাংলার বিজয়। কিন্তু আমাদের বিজয়ের ৫১ বছর অতিক্রান্ত হলেও চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নির্মিত না হওয়ায় আমরা মর্মাহত। দেশের অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান হয়ে গেছে, তাই আমরা আমাদের জীবদ্দশায় চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ দেখে মরতে চাই। মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান উদ্দিন খাঁন ও  সাধারন সম্পাদক-বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো.জহিরুল হক বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসেন, তখন সারাদেশে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্রের ক্ষমতার লোভের কারনে তাকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। এর ফলে সেসময় আর পুরণ হয়নি সে স্বপ্ন। পরে পর্যায়ক্রমে অনেক সরকারই ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু স্মৃতিসৌধ তৈরির উদ্যোগ নেয়নি কেউই। স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগ  ৪ মেয়াদে ক্ষমতায় আছে ১৯ বছর। বঙ্গবন্ধুকণ্যা শেখ হাসিনা রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে, এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি কাট্টলিতে একটি স্মৃতিসৌধ ও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর করার পরিকল্পনা নিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়ে ওঠেনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর, জণগনের কল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাগ্যোন্নয়নেও কাজ করেছে সত্যি তবে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়নি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি হাজার হাজার একর জমি ভূমিদস্যুরা দখল করে রেখেছে। সরকার চাইলে শহর কিংবা জঙ্গলসলিমপুরে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে পারে।  

    এব্যপারে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সোসাইটির সাধারন সম্পাদক-বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো.জহিরুল হক বলেন, এম এ আজিজ, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম এ হান্নান, এমএ মান্নান, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, মৌলভী সৈয়দ ও মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ চট্টগ্রামের অনেক বড় নেতারা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এই বীরদের সম্মানার্থে আমরা কোন অযুহাত চাইনা, আমাদের আর কোন চাওয়া-পাওয়া নেই, দাবি একটাই চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ চাই। আজ আমরা বিজয় দিবস আসলে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। এতে করে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাদেরকে পার্থক্য বুঝাতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে স্মৃতিসৌধ প্রয়োজন।  
উল্লেখ্য গতবছর প্রধানমন্ত্রীর তৎকালীন মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস কাট্টলী এলাকায় স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণের প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শনে এসে নির্মাণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। 

এমএসএম / এমএসএম

কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ

জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী

শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার

শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর

শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার

চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত

জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত

ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত

লোহাগড়ায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার