গ্ৰাম বাংলার জনপ্রিয় হুক্কার নেশা আজও আছে দুই বন্ধুর
বিড়ি বা সিগারেটের ধোঁয়া আর গন্ধ ছিল অপছন্দের। গ্ৰাম সালিশ আর বড় কোন জমায়েত হলে পাশে থাকতো হুক্কা। ঐতিহ্য ভাবে টান চলতো একসাথে ১০ জনের। সেই সাথে বসতো মিলন মেলা। বলছিলাম এক সময়ের জনপ্রিয় পল্লী গ্রামাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের ধুমপানের একমাত্র মাধ্যম হুক্কা খাওয়ার প্রচলন কালের আবর্তনে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় তিন/চার দশক আগেও আবহমান বাংলার গ্রাম-গঞ্জের ধুমপায়ীরা হুক্কার মাধ্যমে তামাক পানের নেশায় অভ্যস্থ ছিল।
হারিয়ে যাওয়া হুক্কার দেখা মিললো পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া উপজেলার সিমান্তবতী মাগুরখালীতে। শীবনগর ব্রীজ লাগোয়া মুদি দোকানদার সুখমাত চন্দ্র গাইন ও বন্ধু প্রভাস চন্দ্র গাইন শিতের সকালে হুক্কা (বুড়বুড়ি) টান দিচ্ছে। দুইজনে মিলে প্রতিদিন হুক্কার নেশায় একজায়গায় আসে। সেই সাথে সখের বশে জড়ো হয় আরো অনেকেই। প্রভাস চন্দ্র গাইন জানান,উঠতি বয়সের যুবক থেকে শুরু করে বয়স্ক, বিত্তবান, ধনী ও দরিদ্র অনেকের বাড়ীতেই হুক্কার প্রচলন ছিল। গ্রামের বৈঠকখানা গুলোতে পালক্রমে হুক্কা টানতো বিভিন্ন বয়সের পুরুষরা। বিত্তবানদের বাড়ীতে ছিল নলের হুক্কা ও ফসি হুক্কা চেয়ারে গা এলিয়ে আয়েশী ভঙ্গিতে গৃহকর্তা নলের পাইপ মুখে দিয়ে যখন জমিদারী ভঙ্গিমায় হুক্কায় টান দিত তখন এ দৃশ্য পানে অপলক চোখে চেয়ে থাকতো বৈঠকখানায় আগত মানুষরা।
তামাক পাতা টুকরো টুকরো করে কেটে এনে এতে চিটাগুড় মিশ্রিত করে হুক্কার প্রধান উপাদান তামুক। আর এতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে নিঃসরিত ধোয়া হুক্কার তলনীর পানিতে ডুবিয়ে “কুড়ুত কুড়ুত” শব্দ বের হয়ে আসতো। এক প্রকার ঘ্রান বের হতো তা থেকে। প্রতিবন্ধকতার কারনে এ দৃশ্য দেখা সম্ভব না হলে হুক্কার শব্দে দুর থেকেও বোঝা যেত আশেপাশে কেউ হুক্কা টানছে। এখন বর্তমান সময়ে আর সেই চিরাচরিত পরিচিত দৃশ্যটি খুব একটা দেখা যায় না বললেই চলে। কালের আবর্তে হারিয়ে গেছে সেই ঐতিহ্যের অনেকটাই। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হুক্কা খাবে দুরে থাকুক দেখেইনি। হুক্কার স্থান দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, হুস্কি, হেরোইন, গাজা, আফিমসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে ক্ষতিকর নিকোটিন রয়েছে শতভাগ। তার পরেও এগুলোর নেশায় নতুন করে আসক্ত হয়ে পড়ছে লাখ লাখ উঠতি বয়সের যুবক। যাদের নিয়ে দেশের সকল অবিভাবক মহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন। তাই আর বেশি দিন নয় নতুন প্রজন্মদের কাছে হুক্কা অনেকটা প্রাচীর ঐতিহ্য হিসাবে পরিচিত হয়ে থাকবে।
এমএসএম / এমএসএম
সিলেটে পুলিশের ধাওয়ার মুখে সুরমায় ঝাঁপ, প্রাণ গেল ৫৮ বছর বয়সী ব্যক্তির
মান্দায় তীব্র সার সংকটে কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ
সখীপুরে ধানক্ষেত থেকে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের মাজার এলাকা থেকে কুমিল্লার নিখোঁজ ৪ শিক্ষার্থী উদ্ধার
আদমদীঘিতে ৫ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা
সিংড়ায় সার পেতে কৃষকদের ভোগান্তি, দীর্ঘ লাইন
জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক দলের সদস্য সচিব সহ দুজনকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা
জুড়ীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল স্বেচাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
ফুটপাত দখল মুক্ত করতে কোনাবাড়িতে জিসিসির উচ্ছেদ অভিযান
তেঁতুলিয়ায় ঢাকঢোল পিটিয়ে জমির দখল বুঝিয়ে দিলো আদালত
স্কাউটিংয়ে খুলনা অঞ্চলের শ্রেষ্ঠ উপজেলা অভয়নগর, সংবর্ধিত ইউএনও
রায়গঞ্জে নতুন ইউনিয় নয় পুরাতন ইউপিতেই থাকতে চান নাগরিকেরা, প্রতিবাদে গণ সাক্ষর ও সভা অনুষ্ঠিত