খুলনার রাস্তায় ঘুরতে থাকা মেয়েটির পরিবারের সন্ধান মিলেছে
খুলনার রাস্তায় ঘুরতে থাকা মেয়েটির পরিবারের সন্ধান অবশেষে পাওয়া গেছে। শুক্রবার তার পরিবারের সদস্যরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রহণ করেন। পরিবারের লোকজন মেয়েটিকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি ফিরবেন বলে জানা যায়। গত বৃহস্পতিবার ফেসবুকে ভাইরাল হন অচেনা মেয়েটি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে মেয়েটির পরিবারের খোজ চেয়ে প্রচারনা চালানো হয়।
জানা যায় , মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও কিশোরী বিভ্রান্ত হয়ে মহানগরী খুলনায় ঘোরাঘুরি করছিলেন। রাতে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী মেয়েটিকে রূপসা ট্রাফিক মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করে। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। ফেসবুকের মাধ্যমে এ খবর তার পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে মেয়েটিকে তাদের জিম্মায় নেন। তাদের বাড়ি গাজীপুরের শ্রীনগরে।খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ আলী আকবর জানান, উই আর বাংলাদেশ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে কেউ একজন কমেন্ট করে মেয়েটির খোঁজ দেয়। পরে গ্রুপের এডমিন তাকে নগরীর রূপসা ট্রাফিক মোড় এলাকা থেকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে খবর পেয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খুলনা অক্সিজেন ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীরা রূপসা থেকে নিজস্ব এ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মেয়েটি তখনও প্রলাপ বকছিল। ফেসবুকের মাধ্যমেই ওই কিশোরীর বাবা-মা ও বান্ধবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সংগঠনটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মেয়েটির বান্ধবী জানায়, সোমবার (১৬ জানুয়ারি) গাজীপুরের নিজ বাসা থেকে তার বান্ধবী বের হয়ে যায়। তার পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের চিকিৎসক ডাঃ অমিত সাহা জানান, মেয়েটি মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা ভাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।
মেয়েটির মা-বাবা জানান, আকস্মিকভাবে মেয়েকে হারিয়ে তারা কি করবে বুঝতে পারছিলেন না। কেন সে ঘর ছাড়লো বা এই অবস্থা হয়েছে কিছুই জানেন না তারা।এর আগে, খুলনার সোনাডাঙ্গা এবং শিববাড়ীর মাঝামাঝি সামি হাসপাতালের সামনে এক তরুণীর দেখা মেলে। উদভ্রান্তের মতো তার চলাফেরা। বয়স আনুমানিক ১৬-১৮ বছর হবে। কোনো কথা বলে না। তাকে কেউ চেনেও না। অনেকের চোখে মেয়েটি ‘পাগলি’ ছাড়া আর কিছুই নয়। তাকে ঘিরে উৎসুক কিছু মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে। কারণ মেয়েটিকে দেখে ভালো পরিবারের সন্তান বলেই মনে হয়।
জানা যায়, মেয়েটির নাম ঈশিতা। তার বাড়ি গাজীপুরে। কিন্তু সে খুলনা কীভাবে এলো। মেয়েটির পরিবারের সন্ধান পেতে ফেসবুক ভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপ প্রচারণা চালানো হয়। বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে কাজ শুরু করে ‘ওয়াব (উই আর বাংলাদেশ)’ নামের একটি গ্রুপ।পরে মেয়েটির পরিবারের সন্ধান পেতে মেয়েটির ছবি দিয়ে ফেসবুকে প্রচারণা চালানো হয়। তাকে চিকিৎসা দিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আনন্দের খবরটি দিয়েছেন ওয়াবের সদস্যরা। তারা অবশেষে মেয়েটিকে তার পরিবারের হাতে তুলে দিতে পেরেছেন। এর আগে ফেসবুকে ‘এসপি বাংলা টিভি’, ‘অন্যরকম বাংলাদেশ (এআইবি)’ কিংবা ‘গাজীপুর-ঢাকা ট্রেন প্যাসেঞ্জার্স ফোরাম’ নামের বিভিন্ন গ্রুপে প্রচারণা চালানো হয়। এসবের কল্যাণেই মেয়েটির বাবা-মায়ের সন্ধান মেলে।
এমএসএম / এমএসএম
টাঙ্গাইলে দেশীয় ফল নিয়ে উৎসব করলো বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার
গরমে ছটফটানি আর অন্ধকারের মাঝে রোগীর সেবা
যুব মহিলা লীগ নেত্রীর হানিট্র্যাপের শিকার বিএনপি নেতা, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের মাতার ইন্তেকাল, সর্বস্তরের মানুষের গভীর শোক
জুড়ীতে ব্রাকের উদ্যোগে স্বপ্নসারথী কিশোরীদের মাঝে হাঁস-মুরগি বিতরণ
চুয়াডাঙ্গায় আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত: র্যালি ও আলোচনা সভায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়
জয়পুরহাটে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত
দর্শনায় উপড়ে পড়ল শতবর্ষী বটগাছ, ৩ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক
রৌমারীতে ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউনিয়রে সদস্যদের নিয়ে বকুল হোসেনের নির্বাচনিয় উঠন বৈঠক
সাভারে ছাত্রদল নেতা কতৃক সনাতন ধর্মাবলম্বী কিশোরকে অপহরণ করে পৈশাচিক নির্যাতন
চরজব্বর ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান
মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা