ঢাকা বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

মৃত্যুর এক বছর পর এখলাছ পেলেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২২-১-২০২৩ দুপুর ৪:১

দেশের জন্য  যুদ্ধ করে স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজী রেখেও বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছ স্বাধীনতার ৫২ বছর গত হওয়ার পরেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি মেলেনি। স্বীকৃতি না পাওয়া আক্ষেপ নিয়ে বছরের গত ২ফেব্রুয়ারী  তিনি এক বুক হতাশা নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন । বীরমুক্তিযোদ্ধা এখলাস জীবিত থাকা অবস্থায় প্রশাসনের এ দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে সারা জীবন ঘুরেও সরকারি স্বীকৃতি আদায় করতে পারেনি। 

জানা গেছে, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক  জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীর স্বাক্ষরিত ১৯৭১ সালে মহান মুদ্ধিযুদ্ধে অংশ নিয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সার্টিফিকেট দেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধো সংসদের পরিচয় পত্র। এরপরেও অজ্ঞাত কারণে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় ছিল না জাতির এই সূর্য সন্তানের নাম। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর উনার  কর্মক্ষেত্র ছিল কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর স্কুলের দপ্তরী হিসেবে, আমৃত্যু তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন । ব্যক্তি জীবনে সহায় সম্বলহীন নির্লোভ, সৎ এবং সাদামাঠা অভাব অনটনের মধ্যে জীবন যাপনকরেন। 

এই মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে তথ্য প্রমাণাদি সহ প্রেরণ করেছিলেন উক্ত এলাকার সমাজসেবক ও কলামিস্ট এম.এ . মাসুদ । তিনি মুক্তিযোদ্ধা এখলাসের থাকার জন্য দিয়ে ছিলেন একখণ্ড জমিও ।  

দুর্ভাগ্য জীবিত অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমানের কপালে যে স্বীকৃতি জোটে নি, মৃত্যুর এক বছর পর গত ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ পাওয়া এই স্বীকৃতি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার দেশের জন্য জীবন বাজী রাখার সাহস ও ত্যাগের প্রতি অবমাননা বলে মনে করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ অত্র এলাকার জনগণ। সাবেক পটিয়া বর্তমান কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন একজন ভূমিহীন এবং শেষ বয়সে আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে দিন যাপন করেছেন। 

মৃত্যুর পর তার ললাটে জোটেনি রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার। মৃত্যুর পরবর্তী এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর তাঁর সমাধিতে দেওয়া হোক রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তার প্রাপ্য সকল সম্মানী ভাতা । এটি এখন বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ অত্র এলাকার জনগণের দাবী। এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, এখলাসের মত সারা দেশে এখনো হাজার হাজার প্রকৃত বীরমুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাননি, প্রভাব খাটিয়ে অনেকে অমুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে প্রকৃত মুক্তিযোযোদ্ধারা অনেকে টাকার অভাবে এখনো স্বীকৃতি পাননি বলে। এখলাসুর রহমান দীর্ঘদিন পর মৃত্যুর পর হলেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ায় উনার পরিবার কিছুটা হলেও উপকৃত হবে বলে তিনি জানান।
এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, এখলাসুর রহমান নামের এক ব্যক্তি বীরমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুন তালিকাভুক্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি জেনেছেন, তবে তিনি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে মারা গেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন বলে জানান।

এমএসএম / এমএসএম

ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ

শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন

রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা

ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার

শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন