ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

ফুলছড়ির ব্রহ্মপুত্রের বালুচরে বাতাসে দোল খাচ্ছে সবুজ ভুট্টা গাছ


মজিবর রহমান, গাইবান্ধা photo মজিবর রহমান, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ৩১-১-২০২৩ দুপুর ২:২৬
গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর চরাঞ্চলে ভূট্টা চাষের বিপ্লব ঘটছে। গত চার বছরের ব্যবধানে এ অঞ্চলে ভুট্টা চাষ প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমিতে ভূট্টার আবাদ করেছেন ব্রহ্মপুত্র নদীর অববাহিকার  কিষান কিষানীরা । মূলত পানি সহিষ্ণু এই ফসল চাষে খরচ খুব সীমিত ও বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন ভূট্টা চাষে।
 
সরেজমিনে উড়িয়া ইউনিয়নের কাবিলপুরে দেখা যায়, চরের বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে সবুজ ভূট্টা গাছে ভরে উঠেছে। বাতাসে দোল খাচ্ছে ভূট্টার কচি সবুজ পাতা। এরই মধ্যে অনেক জমিতে ভূট্টা গাছে পুতুলের মত চুল সহ মোচা বের হয়েছে। সে মোচার ভেতর সোনালি ভূট্টা দানা উঁকি দিচ্ছে। এতে কৃষকদের মনে ভালো ফলনের আশার আলো দানাবেধে উঠতে শুরু করেছে।
 
ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, গত ২০১৯ সালে ফুলছড়ি উপজেলাতে ভুট্টা চাষ হয়েছিল মাত্র দেড় হাজার হেক্টর জমিতে। ২০২২ সালে তাবেরে ৩ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে চাষ হয় । তবে চলতি বছরের রবি মৌসুমে ভূট্টা চাষের পরিমাণ এক লাফে দ্বিগুন বেড়েছে। এবার আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে চাষের এই পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। কৃষকদের কাছে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর ছোট বড় বিভিন্ন চরদ্বীপ চরে হয়েছে ভুট্টার চাষাবাদ। 
 
এসব চরে বন্যার পর চাষিরা সব রকমের ফসলের চাষাবাদ করে থাকেন। তবে এখন তারা ভূট্টার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। যদিও কয়েক বছর আগেই চরের চাষিদের কাছে প্রিয় ছিল মরিচ চাষ। কিন্তু কৃষকরা যখন মরিচ ফসল বাজারে তোলেন তখন দাম থাকে না। পরে দাম বাড়লেও কৃষকরা দাম না পাওয়ায় মরিচ চাষের নিরুৎসাহী হয়েছেন। বরং সেই স্থান দখল করে নিয়েছে ভূট্টা। কারণ ভূট্টার বাজার দাম সব সময় ভালো থাকে।
 
উড়িয়া ইউনিয়নের কালাসোনা চরের কৃষক মিলন মিয়া বলেন, আমি ১৩ বিঘা জমিতে ভূট্টার আবাদ করেছি। প্রতি বিঘায় সেচ, সার ও কীটনাশক সহ  অন্যান্য খরচ বাবদ পড়েছে প্রায় ১৫-১৭ হাজার টাকা। সেখানে প্রতি মণ ভূট্টা বেচতে পারবো ১৪ শ থেকে ১৫ শ টাকায়। 
 
একই এলাকার ছালাম খাঁ ভুট্টা চাষ করেছেন ৬০ প্রায় বিঘার বেশি জমিতে।
তার সাথে কথা বলে জানা যায় , প্রতি বিঘায় জমি থেকে ভূট্টার ফলন আশা করা যায় ৫০ থেকে ৬০ মণ হবে। সোনালী ভূট্টা বিক্রি করে মোটা অংকের নগদ টাকা ঘরে উঠবে বলে আশা করেন ছালাম খাঁ। আরো তিনি বলেন, এবার চরে ভূট্টা চাষে বিপ্লব ঘটেছে। 
 
ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মিন্টু মিয়া বলেন, চরের চাষিদের ফসল চাষে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় যে কোন ফসল ভালো উৎপাদন করতে পাড়ছেন তারা। আমাদের উপসহকারী কৃষি অফিসাররা সার্বক্ষণিক ভুট্টা চাষের আধুনিক পদ্ধতি ও রোগ বালাই সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। ভূট্টা চাষ করে এসব চরাঞ্চলের চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। 

এমএসএম / এমএসএম

৯ শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইডের উপস্থিতি

চট্টগ্রামে রেলের জলাশয়ে জুয়ার আসর, মৌন সম্মতি

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় সংঘর্ষ, আহত ৫

বারহাট্টায় মনসা পূজা ঘিরে জমজমাট পাঁঠার হাট

দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই নেতা গ্রেপ্তার

মনপুরায় পুলিশের অভিযানে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা আটক, জেল হাজতে প্রেরণ

আত্রাইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নাগরপুরে নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি ১৫ দিনেও মেলেনি সন্ধান

আদালতের আদেশ অমান্য করে শিক্ষকের জমিতে ধান রোপণের অভিযোগ।

ছোট ও মাঝারি শিল্প গিলে খাচ্ছে কর্পোরেট কোম্পানি।

কমলা বেগমের নিজ বাড়িতে বসবাস করতে না পারার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলায় পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের চোখেমুখে হাঁসি

শরণখোলায় পুলিশের অভিযান: ৭৭ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১