ঢাকা রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

ফুলছড়ির ব্রহ্মপুত্রের বালুচরে বাতাসে দোল খাচ্ছে সবুজ ভুট্টা গাছ


মজিবর রহমান, গাইবান্ধা photo মজিবর রহমান, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ৩১-১-২০২৩ দুপুর ২:২৬
গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর চরাঞ্চলে ভূট্টা চাষের বিপ্লব ঘটছে। গত চার বছরের ব্যবধানে এ অঞ্চলে ভুট্টা চাষ প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমিতে ভূট্টার আবাদ করেছেন ব্রহ্মপুত্র নদীর অববাহিকার  কিষান কিষানীরা । মূলত পানি সহিষ্ণু এই ফসল চাষে খরচ খুব সীমিত ও বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন ভূট্টা চাষে।
 
সরেজমিনে উড়িয়া ইউনিয়নের কাবিলপুরে দেখা যায়, চরের বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে সবুজ ভূট্টা গাছে ভরে উঠেছে। বাতাসে দোল খাচ্ছে ভূট্টার কচি সবুজ পাতা। এরই মধ্যে অনেক জমিতে ভূট্টা গাছে পুতুলের মত চুল সহ মোচা বের হয়েছে। সে মোচার ভেতর সোনালি ভূট্টা দানা উঁকি দিচ্ছে। এতে কৃষকদের মনে ভালো ফলনের আশার আলো দানাবেধে উঠতে শুরু করেছে।
 
ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, গত ২০১৯ সালে ফুলছড়ি উপজেলাতে ভুট্টা চাষ হয়েছিল মাত্র দেড় হাজার হেক্টর জমিতে। ২০২২ সালে তাবেরে ৩ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে চাষ হয় । তবে চলতি বছরের রবি মৌসুমে ভূট্টা চাষের পরিমাণ এক লাফে দ্বিগুন বেড়েছে। এবার আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৭৯০ হেক্টর জমিতে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে চাষের এই পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। কৃষকদের কাছে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর ছোট বড় বিভিন্ন চরদ্বীপ চরে হয়েছে ভুট্টার চাষাবাদ। 
 
এসব চরে বন্যার পর চাষিরা সব রকমের ফসলের চাষাবাদ করে থাকেন। তবে এখন তারা ভূট্টার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। যদিও কয়েক বছর আগেই চরের চাষিদের কাছে প্রিয় ছিল মরিচ চাষ। কিন্তু কৃষকরা যখন মরিচ ফসল বাজারে তোলেন তখন দাম থাকে না। পরে দাম বাড়লেও কৃষকরা দাম না পাওয়ায় মরিচ চাষের নিরুৎসাহী হয়েছেন। বরং সেই স্থান দখল করে নিয়েছে ভূট্টা। কারণ ভূট্টার বাজার দাম সব সময় ভালো থাকে।
 
উড়িয়া ইউনিয়নের কালাসোনা চরের কৃষক মিলন মিয়া বলেন, আমি ১৩ বিঘা জমিতে ভূট্টার আবাদ করেছি। প্রতি বিঘায় সেচ, সার ও কীটনাশক সহ  অন্যান্য খরচ বাবদ পড়েছে প্রায় ১৫-১৭ হাজার টাকা। সেখানে প্রতি মণ ভূট্টা বেচতে পারবো ১৪ শ থেকে ১৫ শ টাকায়। 
 
একই এলাকার ছালাম খাঁ ভুট্টা চাষ করেছেন ৬০ প্রায় বিঘার বেশি জমিতে।
তার সাথে কথা বলে জানা যায় , প্রতি বিঘায় জমি থেকে ভূট্টার ফলন আশা করা যায় ৫০ থেকে ৬০ মণ হবে। সোনালী ভূট্টা বিক্রি করে মোটা অংকের নগদ টাকা ঘরে উঠবে বলে আশা করেন ছালাম খাঁ। আরো তিনি বলেন, এবার চরে ভূট্টা চাষে বিপ্লব ঘটেছে। 
 
ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মিন্টু মিয়া বলেন, চরের চাষিদের ফসল চাষে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে। যান্ত্রিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় যে কোন ফসল ভালো উৎপাদন করতে পাড়ছেন তারা। আমাদের উপসহকারী কৃষি অফিসাররা সার্বক্ষণিক ভুট্টা চাষের আধুনিক পদ্ধতি ও রোগ বালাই সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। ভূট্টা চাষ করে এসব চরাঞ্চলের চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। 

এমএসএম / এমএসএম

সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছাতে হবে- এমপি গোলাম রছুল

সিংড়ায় এক ভ্যানচালকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাগেরহাট ৪১৮ জন মেধাবি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়েছে জেলা পরিষদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম সিনেট অধিবেশন অনুষ্ঠিত

চকরাজাপুর বাজার রোড এসবি করণ, এমপিকে ধন্যবাদ জানাল এলাকাবাসী

লালমনিরহাটে জমি সংক্রান্ত বিরোধের চাচা-চাচাতো ভাইদের সাথে সংঘর্ষ, যুবক নিহত, আহত তিন

পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধা, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট

আদমদীঘি কাশিমালা সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে গ্রামবাসি

‎আনোয়ারায় কবর খননে বাধা ও মারধরের ঘটনায় মূল আসামী গ্রেপ্তার

কুড়িগ্রামে চরাঞ্চলের কিশোরীদের শিক্ষায় ফেরাতে ‎ও বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করছে ফ্রেন্ডশিপ

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ মধুখালী সাংগঠনিক জেলা শাখার ৫ম সম্মেলন

মহাসড়কে বস্তাভর্তি ৫৪৬ পিস ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট উদ্ধার

না ফেরার দেশে কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক রবিউল