বহাল তবিয়তে পটিয়া রাহাত আলী স্কুলের অর্থ আত্মসাতকারী প্রধান শিক্ষক
চট্টগ্রামের পটিয়া সদরের ঐতিহ্যবাহী হাই স্কুল এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি মাধ্যমে স্কুলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টির সত্যতাও পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তদন্তে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার পরও উক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে রহস্যজনকভাবে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানায়, পটিয়া এ এস রাহাত উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ম ও নবম শেণির শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে সরকারি নির্ধারিত রেজিষ্ট্রশন ফি’র বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৭৭০ জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোর পূর্বক ৫০ টাকা করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের থেকে অনলাইন ফি নামে প্রতি বিষয়ে ৩০ টাকা করে প্রায় ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। উক্ত স্কুলে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত পরিদর্শক, শিক্ষক, হল সুপার, বোর্ড টিম, উপজেলা প্রশাসনের টিম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ দায়িত্বরতদের নির্ধারিত সম্মানি না দিয়ে প্রধান শিক্ষক আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোর পূর্বক টাকা নেয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আব্দুল আজিজ নামের এক অভিভাবক লিখিত অভিযোগ করেন।
উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমাকান্ড মজুমদারকে প্রধান করে উপজেলা সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাশকে সদস্য, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর আন নাজমুস সাকিবকে সদস্য সচিব করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিকুল মানুনের নির্দেশে গত ৫ নভেম্বর এ কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে গত ৩ নভেম্বর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমাকান্ড মজুমদার প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে বিষয়টি তদন্তের জন্য চিঠি দেন। ৮ নভেম্বর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক শুনানী করার বিষয়টি জানান। বিভিন্নভাবে ভুয়া বিল ভাউছার বানিয়ে হিসাব দেয়ার পরও প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার হিসাবের অমিল পাওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বিভিন্ন জনকে বলে বেড়াচ্ছে তদন্তে যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের সাথে আপোষ মিমাংষা হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি সরওয়ার হায়দার বলেন, অভিযোগ যেটা উঠেছে সেটা স্কুল ফান্ডের কোন টাকা পয়সা নিয়ে উঠেনি, পরীক্ষা কেন্দ্রের ফান্ড নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে অভিভাবকরা অভিযোগ করেছে, উনি তদন্ত করতেছে শুনেছি, স্কুল ফান্ডের টাকা নিয়ে কোন অভিযোগ উঠলে এ নিয়ে স্কুল কমিটির করনীয় ছিল। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিয়ষটি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রামাকান্ড মজুমদার বলেন, রাহাত আলী স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই লাখ টাকার অনিয়মের অভিযোগ ধরা পড়ে তদন্তে। তিনি ৪০ হাজার টাকা করে কিস্তিতে জমা দেয়ার কথা ছিল, পরের কিস্তিতে ৩০ হাজার টাকা এতে স্কুল ফাউন্ডেরও টাকা ছিল, মোট ৭০ হাজার টাকা জমা দিয়ে ইউএনও স্যারের কাছে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে। এরপর আর কোন নির্দেশনা ইউএনও স্যার আমাকে দেয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতিকুল মামুন বলেন, প্রধান শিক্ষকের আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তদন্ত কমিটি রির্পোট দিয়েছে। এরপও আরও একটি তদন্ত কমিটি বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।
এমএসএম / এমএসএম
কুমিল্লায় শতাধিক সংবাদকর্মীদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত