ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

সরকারি অফিসে প্রকাশ্যে ধুমপান


নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া photo নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া
প্রকাশিত: ১১-২-২০২৩ দুপুর ৩:১৫
বিতর্ক যেন পিছু নিয়েছে কুতুবদিয়া ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী বিশ্বজিৎ বড়ুয়ার। এর আগে নানা দুর্নীতিসহ ঘুষ নেয়ার অভিযোগ একাধিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয় তার বিরুদ্ধে। এবার স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে নিজ কার্যালয়ে বসে প্রকাশ্যে তামাক গ্রহণ করে বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দিলেন এই কর্মচারী। 
 
সামনে ল্যাপটপ। টেবিলে চায়ের কাপ। হাতে জলন্ত সিগারেট। গা-ছাড়া ভাব নিয়ে খুব আয়েশ করেই সিগারেট ফুকছেন সরকারি অফিসে বসে। মাঝে মাঝে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন। এসময় সেবা প্রার্থীদের দেখেও না দেখার ভান করছিলেন। দৃশ্যটির দেখা মিলে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশের কক্ষে। যেখানে কাজ করছিলেন ইউএনও অফিসের কর্মচারি বিশ্বজিৎ বড়ুয়াসহ আরও কয়েকজন। 
 
ধুমপান বন্ধে ২০০৫ সালের প্রণিত আইন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে ধুমপানের জরিমানা ধরা হয়েছিল ৫০টাকা। কিন্তু পরে ২০১৩ সালে ধুমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের সংশোধনী এনে জনসমাগমস্থলে ধুমপানের শাস্তির অর্থ ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়। কিন্তু আইন ভাঙায় অভ্যস্ত লোকজনের অবস্থা তাতে বদলায়নি।
 
প্রকাশ্যে ধুমপান বন্ধে ২০০৫ সালের আইনের বিধান কার্যকর করার উদ্দেশ্যে কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্ব-স্ব অধিক্ষেত্রে কোনও পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে প্রবেশ করে পরিদর্শন করিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বা তার সমমানের বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনও কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপালনের জন্য কোন আইনের অধীন, বা সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোনও বা সব কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু তাঁরা কতটুকু দায়িত্ব পালন করছেন? যেখানে খোদ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অফিসেই চলছে প্রকাশ্যে ধুমপান। 
 
এদিকে কার্যালয়ে বসে সরকারি আইন ভেঙ্গে প্রকাশ্যে ধুমপান করার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও অফিসের কর্মচারী বিশ্বজিৎ বলেন, এগুলো কোন বিষয় না। তার ভাষায়  ''তিনি কাউকে গায়ে মাখেন না। ডেম কেয়ারে চলাফেরা করেন তিনি"। এমন কি সরকারি নিয়ম কানুন মানতেও রাজি নন এই কর্মচারী। অভিযোগ আছে অফিসে সিন্ডিকেট তৈরি করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়।
 
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী অফিসারের কাছে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে দ্বিধা করেন না এই কর্মচারী। এ নিয়ে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে একাধিক বার। 
 
একাধিক এনজিও প্রতিনিধিদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোটা দাগের টাকার বিনিময়ে ইউএনও স্যারের ছাড়পত্র (প্রত্যয়ন) বিক্রি করেন তিনি। টাকা না দিলে বিভিন্ন অযুহাতে প্রত্যয়ন আটকিয়ে দেন তিনি। সম্প্রতি এমন কিছু অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্থানীয় কয়েকজন সংবাদকর্মী তার অফিসে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের সামনেই তামাক গ্রহণ করেন। কোন প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়ে নিজেকে বড় ক্ষমতাধর পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করেন এই কর্মচারী।
 
নানা অনিয়ম ও অফিসে বসে তামাক গ্রহণের  বিষয়ে জানতে বিশ্বজিতের ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষেপে যান। নিউজ টিউজ গায়ে মাখেন না বলে উল্টো হুমকি দেন।
 
এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল।

এমএসএম / এমএসএম

দীর্ঘদিন বন্ধ ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যেেকন্দ্র ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

জেলেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে হাজিরহাটে নতুন কমিটি গঠন

নড়াইল বাস-মিনিবাস পরিবহণ মালিক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

পাবনায় ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের জমি নির্বিঘ্নে পরিচালনা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন

লালমনিরহাটে চোরাচালান মামলায় ভারতীয় নাগরিকের কারাদণ্ড

বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা

প্রবাসে থেকেও শিক্ষা উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত: নৈয়াইর ডিগ্রি মাদ্রাসার উন্নয়নে এগিয়ে এলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বিএনপির সহ-সভাপতি মো. বাবুল খন্দকার

টঙ্গী হাজীর মাজার বস্তিতে জিএমপির বিশেষ অভিযান: অবৈধ বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

একটা ঘর আর তিন বেলা খাবার ব্যবস্থা হলে মরেও শান্তি পাইতামঃ বকশীগঞ্জের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির আকুতি

ভূরুঙ্গামারীতে রবীন্দ্র, নজরুল ও ভাওয়াইয়া চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন

নানিয়ারচর ও লংগদু সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে-দীপেন দেওয়ান এমপি

বৃষ্টির পানিতে ডুবলো সড়ক: দুই গ্রামের ভরসা সরু বাঁশের সাঁকো

দখলমুক্ত হলে ফিরবে স্বস্তি সরকারি খাল পুনঃখননের অপেক্ষায় মনপুরা