ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

রাবি শিক্ষার্থীকে শিবির ট্যাগ দিয়ে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে বিক্ষোভ


অর্পণ ধর, রাবি photo অর্পণ ধর, রাবি
প্রকাশিত: ১৬-২-২০২৩ দুপুর ২:৩৮
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী কৃষ্ণ রায়কে নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে একই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে বিচারের দাবিও জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
 
কর্মসূচিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষ্ণর মত ছেলেকে শিবির সন্দেহ করা হচ্ছে। যখন সে বলছে সে হিন্দু তখন তারা বলছে তুই তাহলে ইস্কন। আমার বিভাগের শিক্ষাকরা ছাত্রলীগের সাথে সমঝোতা করছে। এর থেকে জঘন্য জিনিস কি হতে পারে। আমার সন্তান মার খেয়েছে আর আমি যাচ্ছি ছাত্রলীগের সাথে সমঝোতা করতে। এই কালচার থেকে আমাদের বেরিয়ে এসে অন্যায়ের সাথে কোন ধরণের আপশ না করে প্রতিবাদ করতে হবে।
 
একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ হীল বাকি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অসাধারণ শিক্ষার্থী আছে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধর করে। খবরে দেখলাম কৃষ্ণকে শিবির বলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে দেখলাম মারধর করেছে। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলে  বুঝতে পারলাম কৃষ্ণ লাশ হয়ে গেছে। সে এখন মানসিক ট্রমার মধ্যে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে হলগুলোতে শুনেছি টর্চার সেল আছে, আবার এদিকে প্রশাসনের বিল্ডিংগুলোতে আপোষ বা সালিশি কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে।  যে কোনো ঘটনা ঘটলে ওই আপোষ কেন্দ্রগুলোতে মীমাংসা চলে। 
 
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার বলেন, গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটেছে। আমরা সোনার বাংলাদেশের গল্প করছি, আমরা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের গল্প করছি। কিন্তু আছি আমরা এই বাংলাদেশে। আমরা পাতাল বলে যাচ্ছি, আমরা কর্ণফুলীর নিচ দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। ওপর দিয়ে ট্রেন চালাচ্ছি। পুরো বাংলাদেশ ট্রেনময় করে দিয়েছি কিন্তু আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে থাকতে পারছে না। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে আমরা অবস্থান করছি।
 
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ফাহিম আহমদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুল সহ বিভিন্ন বিভাগের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
 
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বোহা চত্বরে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশনে বসেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মো. ফরিদ খান। কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তার অনশনে একাত্মতা প্রকাশ করতে সেখানে যান।

এমএসএম / এমএসএম

পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে বিতর্ক কতটুকু যৌক্তিক?

টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ

ন্যাচার ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি

ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প

ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী

ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন উপলক্ষে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পাবিপ্রবি

পোষা প্রাণী পালনে কেন আগ্রহী হচ্ছে নতুন প্রজন্ম?

সহকারী অধ্যাপক আমির হোসেন ডিআইইউ'র বর্ষসেরা শিক্ষক নির্বাচিত

পবিপ্রবির উপ-উপাচার্য হেমায়েত জাহানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষনা করে মানববন্ধন

গবির ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পপুলার এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন

টানা ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি

শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ -ইবি ভিসি

গবির অন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষ, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান