মুুক্তিপনের উদ্দেশ্যেই অপহরন
অভিযুক্ত হয়েও চার্জশিট থেকে নাম বাতিল
হিমেল এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এর সহিত নীল নদ লিমিটেড সেনা বাহিনীর মাংস সরবরাহের একটি চুক্তি হলে নীল নদ লিমিটেড এর পক্ষে মোঃ আব্দুল আজিজ (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা ও কামাল হোসেন যৌথভাবে ঠিকাদারী মাধ্যমে গো-মাংস সরবরাহ করে। সেই মোতাবেক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধিনে সিএসডি এগ্রিকালচার ফার্ম প্রোজেক্টের গো- মাংস সরবরাহের জন্য সাশ্রয়ী মুল্যে গরু ক্রয় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোঃ কামাল হোসেন কে অপহরনকারীর একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপহরন করে অজ্ঞাত স্হানে নিয়ে যায়। অপহরনকারী চক্রটির প্লান মোতাবেক ফোন কলের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর স্রী আনজুমারা বেগমকে বলে যে ১,২৭,০০০০০(এক কোটি সাতাশ লক্ষ) টাকা মুক্তপোণ না পাঠালে তার স্বামীকে প্রানে মেরে ফেলবে। এই পরিস্হিতিতে ১২/০৮/২২ তারিখে র্যাব-৮ এর কাছে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহযোগিতা পাবার আশ্বাসে ভুক্তভোগীর স্ত্রী আনজুমারা বেগম মুক্তিপোন দিতে সম্মত হয়ে টাকা নিয়ে কোথায় আসতে হবে ? তার উত্তরে ১৩/৮/২২ তারিখে রাজধানীর পল্টন থানাধীন শান্তিনগর জোনাকি সিনেমা হলের গলিতে জায়ান এন্টারপ্রাইজের অফিসে আসতে বলে। এবিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী র্যাবের পরামর্শক্রমে উৎ পেতে থাকা সদস্যদের অবগত করে ঘটনাস্হলে যায় এবং চেক প্রদান কালে দেখামতে র্যাব ২ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং ২ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এবং ৫/৬ জন অজ্ঞাত আসামী ছিল। এই মুক্তপোণের টাকা একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা RTJS করে ভুক্তভোগীকে পাঠালে অপহরনের ১ নং আসামী মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লার প্রত্যক্ষ উপস্হিতিতে মোঃ কামাল হোসেনের সংগে নিয়ে ডাস বাংলা ব্যাংকের ফরিদপুর চকবাজার শাখা হতে ১০,০০০০০(দশ লক্ষ) টাকা মোঃ কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত চেক মাধ্যমে উত্তোলন নেয়। যার সিসি ফুটেজ ব্যাংক কতৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত।
উদ্ধারকৃত আসামীদ্বয়সহ বাকি ২ জনের নামে ১১ আগস্ট ২০২২ সালে কামাল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবীর মামলায় আদালতে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় র্যাব-৮। এবিষয়ে দক্ষিন কেরানিগন্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের হয়। উক্ত মামলার বিষয়ে কেরানিগন্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাহা জামান কে জিঙ্গাসা করলে তিনি জানান যে বিষয়টি জেনে আপনাকে মতামত দেব। তদন্ত কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক নাজমুশ শাকিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি সকালের সময়কে বলেন যে উক্ত মামলার তদন্তের বিষয়ে গত বছরের ১৪/০৮/২২ তারিখের দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে পূর্ণাঙ্গ 'নাম ও ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় পলাতক ২ আসামীকে চার্জশিটে নাম অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। অনুসন্ধানে জানতে পারলে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আপত্তি নাই।
পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। ওই মামলায় এতদিন পর ভুক্তভোগী নিজে সনাক্তকরণের মাধ্যমে অভিযুক্ত ওই দুই আসামীর নাম ঠিকানা খুঁজে পেয়ে পিবিআইকে তথ্য দেয়। তা যথাযথ অনুসন্ধান এর ভিত্তিতে প্রমান সাপেক্ষে চার্জশিট ভুক্ত করার আশ্বাস দেন পিবিআই এর তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শাহাজাহান ভুঁঞা।ভুক্তভোগীর তথ্যমতে অপহরনের সহিত পলাতক যে ২জন আসামী যুক্ত ছিল। তাদের পুর্ণ নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে পিবিআইকে তদন্তের জন্য অবগত করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।
চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া ওই দুজন আসামীর নাম হলো মো. আল আমিন এবং মো. বদিউজ্জামান।
মামলার বাকি আসামীরা হলেন, নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বারোগাঁও গ্রামের মৃত নোয়াব আলী মোল্লার ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (৬৫) এবং ঢাকার লালবাগ থানাধীন আজিমপুর নতুন পল্টন লাইন এলাকার সাব্বির আহমেদের ছেলে তাহের উদ্দিন মনা (৩৭)
এমএসএম / এমএসএম
ভারী বর্ষণে মাগুরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জলাবদ্ধতা, প্রশাসনিক কাজে ব্যাঘাত
ঘোড়াঘাটে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে জনসচেতনতামূলক সভা
মান্দায় পানিবন্দি ২৫০ পরিবারের পাশে 'ডার্মা ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন'
বরগুনায় ৫০ টি দোকান অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই
খেলনা গাড়িতে লুকানো ছিল ১২ হাজার ইয়াবা, রায়গঞ্জে বাসযাত্রী গ্রেপ্তার
মাদারীপুরে প্রধানমন্ত্রীর বহরে ইট নিক্ষেপের খবর গুজব, চাকা থেকে ছিটকে আসা টুকরো বলছে পুলিশ
ঘোড়াঘাটে অবহেলায় অযত্নে নষ্ট হচ্ছে সাড়ে ৫০০ বছরের পুরনো সুরা মসজিদ
নবাবগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
চন্দনাইশে বিএনপির নেতার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ
উশৃঙ্খল যুবকরা এখন বাংলাদেশে আইসা ক্ষমতায় বসেছে- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকের রোপণ করা ধানের চারা নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা
আত্রাইয়ে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি, জেলেদের মাছ শিকারের ধুম