চট্টগ্রামে পুলিশের নামে জানে আলমের চাঁদাবাজি
নগরীর শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রীজ) এলাকার বশিরুজ্জামান চত্বর থেকে টাইগার পাস পর্যন্ত ১৭ নম্বর সড়কে চলাচলরত অটোটেম্পু থেকে পুলিশের নামে ব্যাপরোয়া চাঁদাবাজি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম অটো-টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (১৩০৯) জানে আলম পুলিশের নাম দিয়ে মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকা চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ তুলছেন এই রুটের গাড়ি চালকেরা। ৩ জন ট্রাফিক ইন্সপেক্টরকে (টিআই) মাসে ৪ লাখ ও ২ টি থানায় মাসে ২ লাখ টাকা করে ঘুষ প্রদান করা, ঘুষের টাকা আদায়ে শ্রমিকের উপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়। এসব নির্যাতন থেকে বাঁচতে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চালকেরা। এই বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) সিএমপি কমিশনার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ১৭ নং রুটের কয়েকজন চালক। ওই রুটের চালকের পক্ষে অভিযোগে স্বাক্ষর করেছেন মাহিন্দ্রা চালক মো. আলী ইমাম,কায়সার কালু,মো. সোহেল, বাচ্চু মোল্লা ও মনছুর।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে গাড়ি চালক মো. সোহেল বলেন, পুলিশের নাম দিয়ে আমাদের কাছ থেকে প্রতিদিন চাঁদা তোলা হয়, আমরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। তাই তার অত্যাচার থেকে বাঁচতে আমরা মাননীয় পুলিশ কমিশনারের সহযোগীতা চেয়েছি।
সিএমপির পুলিশ কমিশনার বরাবরে দেয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বর্তমান কমিশনার সিএমপিতে আসার পর সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধসহ নগরে অপরাধ কমেছে। বেশিরভাগ সড়কে ফিরেছে শৃঙ্খলা। কিন্তু এই একজন জানে আলমের কাছে পরিবহন শ্রমিকরা জিম্মি। তাই এই জিম্মিদশা থেকে পরিত্রাণ পেতে মানবিক পুলিশ কমিশনারের সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।
চট্টগ্রাম অটো-টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (১৩০৯) জানে আলম একজন কিশোর গ্যাং লিডার। তিনি সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নাম দিয়ে থানা ও ট্রাফিক পুলিশের কথা বলে পরিবহন শ্রমিকদের কাছ থেকে প্রতি মাসে জোরপূর্বক অর্ধকোটি টাকা চাঁদাবাজি করে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয় নগরীর শাহ আমানত সেতু বশিরুজ্জামান চত্ত্বর থেকে টাইগার পাস পর্যন্ত ১৭ নম্বর রুটে প্রায় ৩০০ মাহিন্দ্রা টোম্পো চলাচল করে। কিন্তু এই সড়কে ১৮০টির মতো গাড়ির রোড পারমিট আছে। বাকি ২২০টির রোড পারমিট নেই। তাই প্রতিমাসে চট্টগ্রাম অটো-টেম্পো শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ব্যানারে জানে আলম১৪০টি গাড়ির থেকে ১ হাজার টাকা করে ও বাকি ২২০টি গাড়ি থেকে ২ হাজার টাকা করে ৫,২০,০০০ টাকা আদায় করে। এছাড়া সড়কে যানজট ও ট্রাফিক পুলিশ কনভিন্সের নামে প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ২৫০ টাকা করে ৭৫ হাজার চাঁদা আদায় করে।আন পারমিট গাড়ি লাইনে যুক্ত হতে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
ইউনিয়নের সদস্যরা এই টাকার ব্যয়ে হিসাব চাইলে সে বলে বাকলিয়া ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর ও কোতোয়ালি ট্রাফিক ইন্সেপেক্টরকে ১ লাখ করে মাসে দুই লাখ ও ট্রাফিক দক্ষিণের টিআই এডমিনকে মাসে ২ লাখ টাকা দেয়া হয়। এছাড়া বাকলিয়া থানা ও কোতোয়ালি থানাকে ১ লাখ করে ২ লাখ টাকা মাসে দেয়া হয়। এসব হিসাব নিয়ে কেউ কথা বললে তাকে ইউনিয়নের অফিসে নিয়ে বেধে লাঠি দিয়ে মারা হয়। পরে এই বিষয়ে থানায় মামলাও নেয়া হয় না। অনৈতিক লেনদেনের ফলে পুলিশও নিরিহ শ্রমিককে আইনগত সেবা না দিয়ে জানে আলমের পক্ষে কাজ করে থাকেন। জানে আলমের মারধরে কিছু ভিডিও শ্রকিদের হাতে আছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
এসব অভিযোগের ব্যপারে জানতে সিএমপির ট্রাফিক দক্ষিণ জোনের টিআই (এডমিন) অনিল চাকমার মোবাইলে কল, বার্তা এবং হোয়াটসঅ্যাপে কলের কারন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। একই বার্তা কোতোয়ালীর টিআই জিয়াউল হক ও বাকলিয়ার টিআই মনিরুজ্জামানের কাছে পাঠিয়েও কোন জবাব পাওয়া যায়নি।
এমএসএম / এমএসএম
ঘোড়াঘাটে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ লাখ টাকা জরিমানা
নন্দীগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন এমপি মোশারফ
শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের অর্ধবার্ষিক সভা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন
রামুর রাবার বাগানের পাহাড়ি জঙ্গলে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
সলঙ্গায় ইউপি সচিব মিলনের অনিয়মিত উপস্থিতি, ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা
ধুনটে আগুনে বসতবাড়ি পুড়ে নিঃস্ব কৃষক পরিবার
শ্রীপুরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা
দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা
নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল